📌 পোল্যান্ডভিত্তিক খুচরা বিক্রেতা প্রতিষ্ঠান এলপিপি বাংলাদেশে দীর্ঘমেয়াদি ব্যবসা চালিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছে। রাশিয়ার ক্রেতা এফইএস রিটেইলের কাছে পাওনা আদায়ে জটিলতার মধ্যেও তারা বাংলাদেশি সরবরাহকারীদের সঙ্গে সম্পর্ক অব্যাহত রাখার অঙ্গীকার করেছে।
পোল্যান্ডভিত্তিক আন্তর্জাতিক খুচরা বিক্রেতা প্রতিষ্ঠান এলপিপি বাংলাদেশে তাদের ব্যবসা স্থগিতের সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসে দীর্ঘমেয়াদি ব্যবসা পরিচালনার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছে। গতকাল বুধবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এলপিপি জানায়, বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাতের সঙ্গে তাদের অংশীদারত্ব আগামীতেও অব্যাহত থাকবে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 এলপিপি বাংলাদেশে ব্যবসা স্থগিতের সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছে
- 📌 প্রতিষ্ঠানটি বছরে ৭৫ কোটি মার্কিন ডলারের বেশি তৈরি পোশাক ক্রয় করে
- 📌 এলপিপির সঙ্গে ৩৫০টির বেশি বাংলাদেশি তৈরি পোশাক প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান কাজ করছে
- 📌 রাশিয়ার ক্রেতা প্রতিষ্ঠান এফইএস রিটেইলের কাছে এলপিপির পাওনা রয়েছে
- 📌 বিজিএমইএ ও এলপিপির মধ্যে সমঝোতার ভিত্তিতে ব্যবসা পুনরায় চালু হয়েছে
📰 বিস্তারিত
পোল্যান্ডভিত্তিক খুচরা বিক্রেতা প্রতিষ্ঠান এলপিপি বাংলাদেশে তাদের ব্যবসা স্থগিতের সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসে দীর্ঘমেয়াদি ব্যবসা পরিচালনার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছে। গত মাসে রাশিয়ার ক্রেতা প্রতিষ্ঠান এফইএস রিটেইলের কাছে কয়েকজন রপ্তানিকারকের পাওনা আদায়ে জটিলতার কারণে এলপিপি বাংলাদেশে ব্যবসা স্থগিতের ঘোষণা দিয়েছিল। তবে গত ১০ আগস্ট বিজিএমইএ ও এলপিপির মধ্যে এক যৌথ বিবৃতির মাধ্যমে জানানো হয়, প্রতিষ্ঠানটি তাদের ব্যবসা স্থগিতের সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছে।
এলপিপি জানায়, বাংলাদেশ তাদের বৈশ্বিক সরবরাহব্যবস্থার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ। বছরে তারা প্রায় ৭৫ কোটি মার্কিন ডলারের তৈরি পোশাক ক্রয় করে থাকে, যা তাদের বৈশ্বিক ক্রয় তালিকায় অষ্টম স্থানে রয়েছে। বর্তমানে এলপিপির সঙ্গে দেশের ৩৫০টির বেশি তৈরি পোশাক প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান কাজ করছে।
রাশিয়ার ক্রেতা প্রতিষ্ঠান এফইএস রিটেইলের কাছে এলপিপির পাওনা রয়েছে বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। তাদের মতে, এফইএসের সঙ্গে পূর্ববর্তী ব্যবসায়িক সম্পর্কের কারণে সবচেয়ে বেশি ক্ষতির মুখে পড়েছে এলপিপি। তবে প্রতিষ্ঠানটি স্পষ্ট করে জানিয়েছে যে, এ ধরনের আর্থিক চ্যালেঞ্জ বাংলাদেশের সঙ্গে তাদের দীর্ঘদিনের অংশীদারত্বকে প্রভাবিত করবে না।
"বাংলাদেশ আমাদের বৈশ্বিক সরবরাহব্যবস্থার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি। এফইএস–সংক্রান্ত ইস্যুতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত পক্ষ হওয়া সত্ত্বেও বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাতের স্থিতিশীলতা, দীর্ঘমেয়াদি সমৃদ্ধি এবং খাতটিকে এগিয়ে নেওয়া স্থানীয় কর্মীদের স্বার্থ নিশ্চিত করাই আমাদের অগ্রাধিকার।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: এলপিপি কর্তৃপক্ষ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭৫ কোটি মার্কিন ডলার
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩৫০টি প্রতিষ্ঠান
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!