📅 ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩:৩৪ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

পরোক্ষ ধূমপানের বিষাক্ত ধোঁয়ায় বিশ্বে ১৭ লাখেরও বেশি মানুষের মৃত্যু: গবেষণায় উঠে এসেছে শিশুদের বিপদ

পরোক্ষ ধূমপানের বিষাক্ত ধোঁয়ায় বিশ্বে ১৭ লাখেরও বেশি মানুষের মৃত্যু: গবেষণায় উঠে এসেছে শিশুদের বিপদ

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বিশ্বে পরোক্ষ ধূমপানের কারণে ২০২৩ সালে ১৭ লাখেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। গবেষণা জানায়, শিশুসহ ২৭০ কোটি মানুষের জীবন বিপদে পড়েছে এই বিষাক্ত ধোঁয়ায়। অধূমপায়ীরা মূলত জ্বলন্ত তামাকজাত পণ্য থেকে সরাসরি ধোঁয়া গ্রহণ করে, যা ক্যানসার ও হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়

বিশ্বে পরোক্ষ ধূমপানের বিষাক্ত ধোঁয়ায় ২০২৩ সালে ১৭ লাখেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। গবেষণা প্রকাশ করেছে চিকিৎসাবিষয়ক সাময়িকী ‘দ্য ল্যানসেট’। এই গবেষণায় দেখা গেছে, শিশুসহ বিশ্বের ২৭০ কোটি মানুষের জীবন বিপদে পড়েছে এই বিষাক্ত ধোঁয়ায়। বিশেষ করে শিশুদের শ্বাসতন্ত্রে সংক্রমণের ঘটনা বেড়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ২০২৩ সালে পরোক্ষ ধূমপানের কারণে বিশ্বে ১৭ লাখেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে, যার মধ্যে ১৬ লাখ ৬০ হাজার অকালমৃত্যু
  • 📌 শিশুসহ ২৭০ কোটি মানুষের মধ্যে ৭৬ কোটি ৭০ লাখই শূন্য থেকে ১৪ বছর বয়সী শিশু
  • 📌 পরোক্ষ ধূমপানের কারণে শিশুদের শ্বাসতন্ত্রে ৫২ লাখ সংক্রমণ ঘটেছে
  • 📌 ধূমপায়ী যে ধোঁয়া গ্রহণ করেন, তার তুলনায় অধূমপায়ীরা জ্বলন্ত তামাকজাত পণ্য থেকে সরাসরি ধোঁয়া গ্রহণ করে, যা বেশি বিষাক্ত
  • 📌 ১৯৯০ সালের পর ধূমপায়ীর সংখ্যা কমলেও আফ্রিকা ও মধ্যপ্রাচ্যে পরোক্ষ ধূমপানের শিকার মানুষের সংখ্যা বেড়েছে
  • 📌 নারীরা তুলনামূলক বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন, বিশেষ করে ধূমপানের হার কম অঞ্চলে

📰 বিস্তারিত

‘দ্য ল্যানসেট’ সাময়িকীতে প্রকাশিত গবেষণায় বলা হয়েছে, তামাক এখনো বিশ্বের রোগের অন্যতম প্রধান কারণ। ২০২৩ সালে ধূমপানজনিত রোগে আনুমানিক ৮০ লাখ মানুষের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে পরোক্ষ ধূমপানের শিকার অধূমপায়ীরাও রয়েছেন। গবেষণায় বলা হয়েছে, পরোক্ষ ধূমপান বিশ্বজুড়ে স্বীকৃত একটি স্বাস্থ্যঝুঁকি। এর ধোঁয়া শ্বাসের সঙ্গে গ্রহণের কোনো নিরাপদ মাত্রা নেই। গবেষকেরা যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউটস অব হেলথের তথ্যভান্ডার পাবমেডে প্রকাশিত বিভিন্ন গবেষণা এবং জনসংখ্যাভিত্তিক জরিপ পর্যালোচনা করেছেন।

গবেষণায় ১৯৯০ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত বিশ্বের ২০৪টি দেশ ও অঞ্চলে পরোক্ষ ধূমপানের শিকার মানুষের সংখ্যা এবং এর কারণে সৃষ্ট রোগের বোঝা নির্ধারণ করা হয়েছে। গবেষণায় দেখা গেছে, পরোক্ষ ধূমপানের শিকার প্রায় ২৭০ কোটি মানুষের মধ্যে ৭৬ কোটি ৭০ লাখই শূন্য থেকে ১৪ বছর বয়সী শিশু। পরোক্ষ ধূমপানের কারণে ওই বছর আনুমানিক ১৬ লাখ ৬০ হাজার মানুষের অকালমৃত্যু হয়েছে। অনেকে অকাল অসুস্থতা ও শারীরিক অক্ষমতার শিকার হয়েছেন। এসব রোগের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ছিল ইসকেমিক হৃদ্রোগ।

গবেষণায় বলা হয়েছে, ধূমপান করলে তাঁর আশপাশের মানুষ দুই ধরনের ধোঁয়ার সংস্পর্শে আসেন। একটি হলো জ্বলন্ত তামাকজাত পণ্য থেকে সরাসরি বের হওয়া ধোঁয়া এবং অন্যটি হলো ধূমপায়ীর নিশ্বাসের সঙ্গে বের হওয়া ধোঁয়া। অধূমপায়ীরা মূলত জ্বলন্ত তামাকজাত পণ্য থেকে সরাসরি ধোঁয়া গ্রহণ করেন, যা কোনো ছাঁকনির মধ্য দিয়ে যায় না। তাই ধূমপায়ী যে ধোঁয়া গ্রহণ করেন, তার তুলনায় এতে বিষাক্ত ও ক্যানসার সৃষ্টিকারী উপাদানের ঘনত্ব বেশি থাকে।

"পরোক্ষ ধূমপান বিশ্বজুড়ে স্বীকৃত একটি স্বাস্থ্যঝুঁকি। এর ধোঁয়া শ্বাসের সঙ্গে গ্রহণের কোনো নিরাপদ মাত্রা নেই।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: বিশ্বের ২০৪টি দেশ ও অঞ্চল
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: গবেষকরা (যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউটস অব হেলথ)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৭ লাখ ৬০ হাজার (অকালমৃত্যু), ২৭০ কোটি (পরোক্ষ ধূমপানের শিকার), ৭৬ কোটি ৭০ লাখ (শিশু)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖