📅 ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২:৫০ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

রোজ অব শ্যারন: কোরিয়ার জাতীয় ফুলের গভীর ইতিহাস ও বৈজ্ঞানিক রহস্য

রোজ অব শ্যারন: কোরিয়ার জাতীয় ফুলের গভীর ইতিহাস ও বৈজ্ঞানিক রহস্য

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 দক্ষিণ কোরিয়ার জাতীয় ফুল রোজ অব শ্যারন (মুগুংহওয়া) এর গভীর ইতিহাস ও বৈজ্ঞানিক বৈশিষ্ট্য নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। এই ফুলের নামকরণ, বৈজ্ঞানিক নাম, বৈশিষ্ট্য ও বিশ্বজুড়ে তার প্রসার সম্পর্কে জানা যাবে

দক্ষিণ কোরিয়ার জেওনজু শহরের কৃষি কারিগরি কেন্দ্রে একটি আন্তর্জাতিক সম্মেলনে অংশ নেওয়ার সুযোগে লেখক জবা ফুলের মতো দেখতে একটি অপরিচিত ফুলের সাক্ষাত পান। সেই ফুলের নাম ছিল রোজ অব শ্যারন, যা কোরিয়ান ভাষায় ‘মুগুংহওয়া’ নামে পরিচিত। এই ফুলের নামের পিছনে গভীর ইতিহাস ও বৈজ্ঞানিক রহস্য লুকিয়ে আছে যা বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এর প্রসারকে ব্যাখ্যা করে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 **মুগুংহওয়া** নামের এই ফুল দক্ষিণ কোরিয়ার জাতীয় ফুল এবং এর অর্থ ‘অক্ষয় প্রাচুর্য’ — দেশের ইতিহাস ও অদম্য চেতনার প্রতীক হিসেবে পরিচিত।
  • 📌 বৈজ্ঞানিক নাম **Hibiscus syriacus** — প্রথম সিরিয়ার একটি বাগান থেকে সংগ্রহ করা হয়, তাই নামের শেষাংশ ‘সিরিয়াকাস’ রাখা হয়।
  • 📌 **জবা ও রোজ অব শ্যারন** উভয়ই মালভেসি গোত্রের, কিন্তু রোজ অব শ্যারনকে কোরিয়ায় ‘কোরীয় জবা’ বা ‘সিরীয় জবা’ নামে ডাকা হয়।
  • 📌 **২ থেকে ৪ মিটার** উচ্চতায় বেড়ে ওঠা এই গাছ প্রতিকূল পরিবেশ সহ্য করতে পারে — তুষারপাত ও খরা সহ্য করে বেঁচে থাকে।
  • 📌 **বৈশ্বিক প্রসার**: চীনা গ্রন্থ ‘শান হাই জিং’ থেকে জানা যায়, খ্রিষ্টপূর্ব অষ্টম শতাব্দীতে কোরিয়ায় এই ফুলের প্রচুর গাছ ছিল। পরবর্তীতে জাপান, ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকায় ছড়িয়ে পড়ে।
  • 📌 **বাগানের জনপ্রিয়তা**: জাপানে অষ্টম শতাব্দী থেকে, ইউরোপে ষোড়শ শতাব্দীতে এবং উত্তর আমেরিকায় অষ্টাদশ শতাব্দীতে এই ফুলের চাষ শুরু হয়।

📰 বিস্তারিত

দক্ষিণ কোরিয়ার জেওলবুক-দো জেলার জেওনজু শহরে অবস্থিত কৃষি কারিগরি কেন্দ্রের পরিদর্শনে লেখক একটি স্বচ্ছ কাচঘেরা উদ্যানে প্রবেশ করেন। সেখানে সারি করে লাগানো বেগুনি রঙের ফুলের গাছ দেখে প্রথমে মনে হয় জবা ফুল। কিন্তু গাইডের কথায় জানা যায়, এটি ‘রোজ অব শ্যারন’ বা ‘মুগুংহওয়া’ — দক্ষিণ কোরিয়ার জাতীয় ফুল। এই ফুলের নামের অর্থ ‘অক্ষয় প্রাচুর্য’, যা দেশের ইতিহাস ও অদম্য চেতনার প্রতীক হিসেবে গৃহীত হয়েছে।

বৈজ্ঞানিকভাবে এই ফুলের নাম **Hibiscus syriacus**। এর নামকরণের পিছনে একটি রহস্য রয়েছে — প্রথম এই গাছ সংগ্রহ করা হয়েছিল সিরিয়ার একটি বাগান থেকে, তাই নামের শেষাংশ ‘সিরিয়াকাস’ রাখা হয়। জবা ও রোজ অব শ্যারন উভয়ই মালভেসি গোত্রের, কিন্তু রোজ অব শ্যারনকে কোরিয়ায় ‘কোরীয় জবা’ বা ‘সিরীয় জবা’ নামে ডাকা হয়। দেশে ফিরে এসে জানা যায়, বাংলাদেশে এটি ‘নীল জবা’ নামে পরিচিত।

রোজ অব শ্যারন একটি প্রতিকূল পরিবেশ সহনশীল গাছ। এর উচ্চতা **২ থেকে ৪ মিটার** পর্যন্ত হতে পারে। পাতা জবা ফুলের মতোই, তবে আকৃতি ও পত্রফলকে কিনারার খাঁজে কিছুটা ভিন্নতা রয়েছে। ফুলের রং সাধারণত নীলাভ গোলাপি বা গোলাপি বেগুনি, এবং বর্তমানে এর অনেকগুলো জাত বেরিয়েছে, সেসব জাতে ভিন্ন ভিন্ন রং ও আকৃতির ফুল ফোটে। ফুলের কেন্দ্রস্থল মেরুন বা গাঢ় গোলাপি, এবং পাপড়িগুলোর মাঝখানে একটি খাটো পুংকেশর থাকে, যেটিতে সাদাটে হলদে প্রচুর পরাগরেণু থাকে।

বৈশ্বিক ইতিহাসে, চীনা গ্রন্থ ‘শান হাই জিং’ থেকে জানা যায়, খ্রিষ্টপূর্ব অষ্টম শতাব্দী থেকে তৃতীয় শতাব্দীর মধ্যে কোরীয় উপদ্বীপে এই ফুলের প্রচুর গাছ ছিল। সেকালে কোরিয়ায় এর পাতা দিয়ে ভেষজ পানীয় তৈরি করা হতো এবং ফুল খাওয়া হতো। অষ্টম শতাব্দীতে এটি জাপানে এনে বাগানে লাগানো হয়। পরে ষোড়শ শতাব্দীর প্রথম দিকে এটি ইউরোপের বাগানগুলোতে পরিচিতি লাভ করে এবং চাষ করা শুরু হয়। অষ্টাদশ শতাব্দীর মধ্যে এটি ইংরেজদের বাগান ও উত্তর আমেরিকার উপনিবেশগুলোতে একটি সাধারণ গাছ হিসেবে ছড়িয়ে পড়ে।

"‘তুমি যাকে জবা ভাবছ, এটি তা নয়। এর নাম রোজ অব শ্যারন, কোরিয়ান ভাষায় ওকে আমরা বলি মুগুংহওয়া। মুগুংহওয়া মানে হলো অনন্তকাল বা অক্ষয় প্রাচুর্য। এটি আমাদের জাতীয় ফুল, আমাদের দেশের ইতিহাস ও অদম্য চেতনার এক গভীর প্রতীক হিসেবে আমরা একে মনে করি।’ — কোরিয়ান গাইড

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: জেওনজু শহর (দক্ষিণ কোরিয়া), জাপান, ইউরোপ, উত্তর আমেরিকা, সিরিয়া, চীন
  • 👥 মুখ্য ব্যক্তি: কোরিয়ান গাইড (অননাম্য)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২-৪ মিটার (গাছের উচ্চতা)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖