📌 প্রথম আলো ট্রাস্টের মাদকবিরোধী পরামর্শ সভায় জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের সহকরী অধ্যাপক ডা. জোবায়ের মিয়া বলেছেন, প্যারেন্টিং চার ধরনের হয়ে থাকে। প্রতিটি ধরনের প্রভাব সন্তানের মনোভাব ও আচরণে আলাদা রকম। কর্তৃত্বপরায়ণ অভিভাবকত্বে সন্তানরা আত্মবিশ্বাস হারায়, অবহেলাপূর্ণে হতাশায় ভোগে, অতিরিক্ত ছাড় দেওয়া সন্তানকে অনিয়ন্ত্রিত করে তোলে
প্রথম আলো ট্রাস্টের আয়োজিত মাদকবিরোধী পরামর্শ সভায় সন্তানের মন বোঝার উপায় নিয়ে আলোচনা করা হয়। এই সভায় জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের সহকরী অধ্যাপক ডা. জোবায়ের মিয়া সাক্ষাৎকারের মাধ্যমে প্যারেন্টিংয়ের চারটি মূল ধরন ও তাদের প্রভাব বিশ্লেষণ করেন। সভাটি অনুষ্ঠিত হয় ৩০ আগস্ট ২০২৬ তারিখে কারওয়ান বাজারের প্রথম আলোর কার্যালয়ে এবং এটি ছিল ১৮০তম অনলাইন পরামর্শ সভা।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **প্যারেন্টিং চার ধরনের**: কর্তৃত্ববাদী, কর্তৃত্বপরায়ণ, অবহেলাপূর্ণ ও অতিরিক্ত ছাড় দেওয়া
- 📌 **কর্তৃত্ববাদী প্যারেন্টিং**: সন্তানদের নিয়মকানুনের মধ্যে আত্মবিশ্বাস ও সুশৃঙ্খলতা বিকাশ করে
- 📌 **কর্তৃত্বপরায়ণ প্যারেন্টিং**: সন্তানদের আত্মবিশ্বাস হারিয়ে দূরে সরে যেতে বাধ্য করে
- 📌 **অবহেলাপূর্ণ প্যারেন্টিং**: শুধু অর্থনৈতিক দায়িত্ব পূরণে মনোযোগ দিলে সন্তান হতাশায় ভোগে
- 📌 **অতিরিক্ত ছাড় দেওয়া**: সন্তানদের অনিয়ন্ত্রিত আচরণে উদ্বুদ্ধ করে
📰 বিস্তারিত
৩০ আগস্ট ২০২৬ তারিখে কারওয়ান বাজারের প্রথম আলোর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত ১৮০তম অনলাইন পরামর্শ সভায় সন্তানের মন বোঝার উপায় নিয়ে আলোচনা করা হয়। এই সভায় জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের সহকরী অধ্যাপক ডা. জোবায়ের মিয়া সাক্ষাৎকারের মাধ্যমে প্যারেন্টিংয়ের বিভিন্ন ধরনের প্রভাব বিশ্লেষণ করেন। তিনি বলেন, প্যারেন্টিং মূলত চারটি ধরনের হয়ে থাকে।
প্রথম ধরন হলো কর্তৃত্ববাদী প্যারেন্টিং, যেখানে অভিভাবকরা সন্তানদের নিয়মকানুনের মধ্যে রাখেন। তবে সন্তানদের মতামতের সুযোগ দেয়া হয়। এই ধরনের প্যারেন্টিংয়ে সন্তানরা সুশৃঙ্খল ও আত্মবিশ্বাসী হয়ে ওঠে। দ্বিতীয় ধরন হলো কর্তৃত্বপরায়ণ প্যারেন্টিং, যেখানে অভিভাবকরা অত্যন্ত কঠোর হন এবং নিজের মতামত চাপিয়ে দেন। ফলে সন্তানরা মনে কষ্ট চেপে রাখে, আত্মবিশ্বাস হারিয়ে ফেলে এবং অভিভাবকদের থেকে দূরে সরে যায়।
তৃতীয় ধরন হলো অবহেলাপূর্ণ প্যারেন্টিং, যেখানে অভিভাবকরা শুধু আর্থিক দায়িত্ব পালন করেন। তারা সন্তানের পড়াশোনা বা আবেগের দিকে খেয়াল রাখেন না। এই ধরনের প্যারেন্টিংয়ে সন্তানরা হতাশায় ভোগে। চতুর্থ ধরন হলো অতিরিক্ত ছাড় দেওয়া, যেখানে সন্তান যা চায় তাতেই হ্যাঁ বলা হয়। এই ধরনের প্যারেন্টিংয়ে সন্তানের আচরণ অনিয়ন্ত্রিত হয়ে পড়ে।
"প্যারেন্টিংয়ের ক্ষেত্রে এই বিষয়গুলোকে অভিভাবকদের মনে রাখা দরকার বলে মনে করি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কারওয়ান বাজার, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ডা. জোবায়ের মিয়া (সহকরী অধ্যাপক, জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪ ধরনের প্যারেন্টিং; ৩০ আগস্ট ২০২৬; ১৮০তম সভা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!