📅 ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৩০ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

স্ক্রিন টাইমে শিশুদের পাশে থাকেন মাত্র ২০% অভিভাবক: গবেষণা প্রকাশ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

স্ক্রিন টাইমে শিশুদের পাশে থাকেন মাত্র ২০% অভিভাবক: গবেষণা প্রকাশ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বাংলাদেশে তিন থেকে আট বছর বয়সী শিশুদের স্ক্রিন ব্যবহারের সময় মাত্র ২০% অভিভাবক তাদের পাশে থাকে। গবেষণায় দেখা গেছে, ৮০% শিশু বিনোদনমূলক কনটেন্ট দেখে এবং ৪০% দৈনিক ৩-৪ ঘণ্টা স্ক্রিনে সময় কাটায়। শিক্ষামূলক কনটেন্টের সক্রিয় ব্যবহার শিশুদের ভাষা বিকাশে সহায়ক প্রমাণিত হয়েছে

বাংলাদেশের শিশুদের স্ক্রিন ব্যবহারের অভ্যাস নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা প্রকাশ করেছে একটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য: শিশুদের স্ক্রিন ব্যবহারের সময় মাত্র ২০ শতাংশ অভিভাবক তাদের পাশে থাকে। গবেষণায় দেখা গেছে, শিশুদের ভাষা বিকাশে স্ক্রিনের ধরন এবং সক্রিয় অংশগ্রহণের চেয়ে সময়ের পরিমাণ বেশি প্রভাব ফেলে না। গবেষণাটি পরিচালনা করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কমিউনিকেশন ডিজঅর্ডারস বিভাগের গবেষক মো. জাহিদ হোসাইন খান।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 বাংলাদেশের তিন থেকে আট বছর বয়সী ৫০ শিশুর ওপর গবেষণায় দেখা গেছে, তাদের স্ক্রিন ব্যবহারের সময় মাত্র ২০ শতাংশ অভিভাবক পাশে থাকে
  • 📌 ৮০ শতাংশ শিশু বিনোদনমূলক কনটেন্ট দেখে, আর ৬০ শতাংশ শিশু স্ক্রিনের সামনে নিষ্ক্রিয়ভাবে সময় কাটায়
  • 📌 ৪০ শতাংশ শিশু দৈনিক ৩ থেকে ৪ ঘণ্টা এবং ২০ শতাংশ শিশু ৪ ঘণ্টার বেশি সময় স্ক্রিনে ব্যয় করে
  • 📌 শিক্ষামূলক ও ইন্টারঅ্যাক্টিভ অ্যাপ ব্যবহারকারী শিশুরা নতুন শব্দ পুনরাবৃত্তি ও বাক্য গঠনে উন্নতি দেখায়, কিন্তু কার্টুন বা ইউটিউব ভিডিও দেখার শিশুরা কথা বলার প্রবণতা কমায়
  • 📌 ৫০ শতাংশ অভিভাবক মনে করেন অতিরিক্ত স্ক্রিন ব্যবহার ভাষাবিকাশে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে, কিন্তু ৬০ শতাংশ মনে করেন যথাযথ ব্যবহারের মাধ্যমে স্ক্রিন ভাষা শেখায় সহায়ক হতে পারে

📰 বিস্তারিত

বাংলাদেশের শিশুদের ভাষা বিকাশ এবং স্ক্রিন ব্যবহারের সম্পর্ক নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কমিউনিকেশন ডিজঅর্ডারস বিভাগের গবেষণায় একটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উঠে এসেছে। গবেষণায় দেখা গেছে, শিশুরা স্ক্রিনে ব্যয় করা সময়ের চেয়ে কনটেন্টের ধরন এবং সক্রিয় অংশগ্রহণ বেশি গুরুত্বপূর্ণ। গবেষণাটি পরিচালনা করেছেন মো. জাহিদ হোসাইন খান। গবেষণায় ঢাকা, চট্টগ্রাম ও টাঙ্গাইলের তিন থেকে আট বছর বয়সী ৫০ শিশু এবং সমসংখ্যক অভিভাবক ও কেয়ারগিভার অংশ নেন।

গবেষণায় দেখা গেছে, ৯০ শতাংশ শিশুর প্রধান বিনোদনমাধ্যম মোবাইল ফোন, এরপর টেলিভিশন (৭০ শতাংশ) এবং ট্যাবলেট কম্পিউটার (৫০ শতাংশ)। ৮০ শতাংশ শিশু কার্টুন ও বিনোদনমূলক অনুষ্ঠান দেখে। গবেষণায় দেখা গেছে, শিক্ষামূলক ও ইন্টারঅ্যাক্টিভ অ্যাপ ব্যবহারকারী শিশুরা নতুন শব্দ পুনরাবৃত্তি এবং প্রশ্ন করার প্রবণতা দেখায়, কিন্তু কার্টুন বা ইউটিউব ভিডিও দেখার শিশুরা কথা বলার প্রবণতা কমায়। ছয় থেকে আট বছর বয়সী শিশুরা কনটেন্ট নিয়ে কথা বললেও তাদের বাক্য কাঠামোগতভাবে দুর্বল ছিল।

গবেষক মো. জাহিদ হোসাইন খান বলেছেন, ভাষা শেখার প্রধান শর্ত হল দ্বিমুখী কথোপকথন। পর্দা সেই যোগাযোগকে একমুখী করে দেয়। অভিভাবক যদি শিশুর পাশে বসে কনটেন্ট নিয়ে কথা বলেন, তাহলে সেটি শেখার প্রক্রিয়ায় পরিণত হয়। গবেষণায় আরও দেখা গেছে, মাত্র ২০ শতাংশ অভিভাবক শিশুর স্ক্রিন ব্যবহারের সময় তাদের পাশে থাকে এবং মাত্র ৩০ শতাংশ অভিভাবক স্ক্রিন টাইম নিয়ন্ত্রণে সক্রিয়।

"ভাষা শেখার প্রধান শর্ত দ্বিমুখী কথোপকথন, আর পর্দা সেই যোগাযোগকে একমুখী করে দেয়। অভিভাবক পাশে বসে কনটেন্ট নিয়ে শিশুর সঙ্গে কথা বললে সেটি আর নিছক স্ক্রিন টাইম থাকে না, শেখার প্রক্রিয়ায় পরিণত হয়।"

গবেষণার তত্ত্বাবধায়ক অধ্যাপক হাকিম আরিফ বলেছেন, বর্তমান প্রজন্মের শিশুদের সুস্থ বিকাশের ক্ষেত্রে স্ক্রিন টাইম একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তিনি বলেন, এই গবেষণা বিষয়টি নিয়ে দীর্ঘমেয়াদি বৈজ্ঞানিক পর্যালোচনার ঘাটতি পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা, চট্টগ্রাম, টাঙ্গাইল (বাংলাদেশ)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. জাহিদ হোসাইন খান, অধ্যাপক হাকিম আরিফ
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০%, ৫০ শিশু, ৮০%, ৩-৪ ঘণ্টা, ৯০%, ৬০%

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖