📅 ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৫৭ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

দৃষ্টিহীন ও অচল হলেও ইউনুস আলীর কোয়েল পাখি ব্যবসা অব্যাহত

দৃষ্টিহীন ও অচল হলেও ইউনুস আলীর কোয়েল পাখি ব্যবসা অব্যাহত

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 নাটোরের ২৮ বছর বয়সী ইউনুস আলী দৃষ্টিহীন ও অচল অবস্থায়ও কোয়েল পাখি বিক্রি করে নিজের ও পরিবারের জীবিকা চালিয়ে যাচ্ছেন।

নাটোরের রথবাড়ি, রাজাপুর মহল্লার ২৮ বছর বয়সী ইউনুস আলী, দৃষ্টিহীন ও অচল অবস্থায়ও কোয়েল পাখি বিক্রির ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন। তিনি প্রতি রোববার তেবাড়িয়া হাটে এবং বাকি দিনগুলোতে নিচাবাজারে পাখি বিক্রি করে নিজের, বৃদ্ধ মা ও বিবাহবিচ্ছেদ হওয়া বোনের জীবিকা চালাচ্ছেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 আট বছর বয়সে জ্বর ও পেটব্যথার পর চিকিৎসকের কাছে গিয়ে ইউনুস আলী দুই চোখের দৃষ্টি ও দুই পা হারিয়ে ফেলেন।
  • 📌 এক মাসের ভাতার টাকা দিয়ে তিনি ৮০টি কোয়েল পাখি কিনে বিক্রি শুরু করেন, প্রথম সপ্তাহে ৫০০টি এবং পরে এক হাজার পাখি বিক্রি করে দুই হাজার টাকা লাভ করেন।
  • 📌 প্রতিবন্ধী ভাতা হিসেবে তিনি মাসে ১ হাজার ৫০০ টাকা পান, তবে তা দিয়ে এক দিনের খাবারও মেটাতে পারতেন না, ফলে কোয়েল পাখি ব্যবসা শুরু করেন।
  • 📌 গত শীতে এক হাজার পাখি মারা যাওয়ার পর নাটোর পৌরসভার সাবেক মেয়র এমদাদুল হক আল মামুন ৫০ হাজার টাকা ঋণ দিয়ে তাকে পুনরায় ব্যবসা চালিয়ে যেতে সহায়তা করেন।

📰 বিস্তারিত

ইউনুসের শৈশবের দিনগুলোতে তিনি শের‑ই‑বাংলা স্কুলে তৃতীয় শ্রেণিতে পড়তেন, খেলাধুলা করতেন এবং ভবিষ্যৎ নিয়ে স্বপ্ন দেখতেন। আট বছর বয়সে জ্বর ও পেটব্যথা দেখা দিলে শহরের এক চিকিৎসকের কাছে গিয়ে চিকিৎসা নিতে শুরু করেন; চিকিৎসা চলাকালেই তার দুই পা অচল হয়ে যায় এবং দুই চোখের দৃষ্টি হারিয়ে ফেলেন। তৎকালীন তার বাবা তিন বোন, দুই ভাই ও মাকে রেখে অন্যত্র চলে যান, ফলে পরিবারটি আর্থিক সংকটে পড়ে।

প্রতিবন্ধী ভাতা হিসেবে তিনি মাসে ১ হাজার ৫০০ টাকা পান, তবে তা দিয়ে সারা মাসের এক বেলা খাবারের খরচই মেটাতে পারতেন না। তাই এক খামারির পরামর্শে কোয়েল পাখি বিক্রির সিদ্ধান্ত নেন। এক মাসের ভাতার টাকা দিয়ে ৮০টি পাখি কিনে বিক্রি শুরু করেন; প্রথম সপ্তাহে ৫০০টি, পরে এক হাজার পাখি বিক্রি করে দুই হাজার টাকা লাভ করেন। দৃষ্টিহীন ও অচল অবস্থায় খামারির সঙ্গে যোগাযোগ, হিসাব‑নিকাশ, হাট‑বাজারে যাতায়াত এবং পাখি জবাই‑পরিষ্কারের কাজগুলো তার জন্য কঠিন ছিল, তবু তিনি ধৈর্য ধরে কাজ চালিয়ে যান।

গত শীতে তার সংগ্রহে রাখা এক হাজার পাখি হঠাৎ মারা যাওয়ায় তিনি আর্থিক দুশ্চিন্তায় পড়েন। তখন নাটোর পৌরসভার সাবেক মেয়র এমদাদুল হক আল মামুন ৫০ হাজার টাকা ঋণ দিয়ে তাকে পুনরায় ব্যবসা শুরু করতে সহায়তা করেন। ইউনুসের বোন রিনি খাতুন বলেন, “স্বামী তালাক দেওয়ার পর এই ভাই আমাকে আশ্রয় দিয়েছেন। ভরণপোষণ দিচ্ছেন। আমি তাঁর কাছে ঋণী।” তার ছেলে ও অন্যান্য পরিবার সদস্যও শারীরিক ও মানসিকভাবে তাকে সমর্থন করছেন।

"স্বামী তালাক দেওয়ার পর এই ভাই আমাকে আশ্রয় দিয়েছেন। ভরণপোষণ দিচ্ছেন। আমি তাঁর কাছে ঋণী।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: নাটোর, রথবাড়ি, রাজাপুর মহল্লা, তেবাড়িয়া হাট, নিচাবাজার
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ইউনুস আলী
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৮ (বয়স)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖