📅 ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:০৬ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

৯৭ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন বিশ্বখ্যাত শিল্পী ইয়ায়োই কুসামা: পলকা ডটের মহাকাব্যিক যাত্রা

৯৭ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন বিশ্বখ্যাত শিল্পী ইয়ায়োই কুসামা: পলকা ডটের মহাকাব্যিক যাত্রা

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বিশ্বখ্যাত শিল্পী ইয়ায়োই কুসামা ৯৭ বছর বয়সে টোকিওতে মৃত্যুবরণ করেছেন। পলকা ডট, ইনফিনিটি রুম এবং কুমড়া শিল্পের মাধ্যমে তিনি বিশ্ববাসীর মন জয় করেছিলেন। কুসামা তার আত্মজীবনীতে মানসিক সংগ্রাম এবং শিল্পের মাধ্যমে সত্যের অনুসন্ধানের কথা লিখেছিলেন

বিশ্বখ্যাত শিল্পী ইয়ায়োই কুসামা (Yayoi Kusama) ৯৭ বছর বয়সে টোকিওর একটি হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেছেন। ১৪ আগস্ট ২০২৬ তারিখে তিনি চিকিৎসাধীন অবস্থায় এই বিশ্ব থেকে বিদায় নেন। জাপানের নাগানো শহরে জন্মগ্রহণকারী এই শিল্পী সাত দশকেরও বেশি সময় ধরে চিত্রকলা, ভাস্কর্য, স্থাপনা, পারফরম্যান্স, চলচ্চিত্র, কথাসাহিত্য এবং কবিতায় কাজ করেছেন। পলকা ডট, ইনফিনিটি রুম এবং কুমড়া শিল্পের মাধ্যমে তিনি বিশ্বের অন্যতম সুপরিচিত শিল্পী হয়ে উঠেছিলেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ৯৭ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেছেন বিশ্বখ্যাত শিল্পী ইয়ায়োই কুসামা, টোকিওর হাসপাতালে ১৪ আগস্ট ২০২৬ তারিখে
  • 📌 ১৯২৯ সালের ২২ মার্চ জাপানের নাগানো শহরে জন্মগ্রহণকারী কুসামা সাত দশকেরও বেশি সময় ধরে শিল্পকলায় অবদান রেখেছিলেন
  • 📌 পলকা ডট, ইনফিনিটি রুম এবং কুমড়া শিল্পের মাধ্যমে তিনি বিশ্ববাসীর মন জয় করেছিলেন
  • 📌 করোনা মহামারির সময় তিনি বিশ্ববাসীদের উদ্দেশে একটি কবিতা লিখেছিলেন, যেখানে তিনি বলেছিলেন, ‘মহাজাগতিক দ্যুতি’র আশায় মানুষের পথ দেখাতে চেয়েছিলেন
  • 📌 শৈশবে তিনি ভয়াবহ দৃষ্টিভ্রমের অভিজ্ঞতা লাভ করেছিলেন, যা তার শিল্পের মূল অনুষঙ্গ হয়ে দাঁড়িয়েছিল
  • 📌 ১৯৪৪ সালে মাত্র ১৫ বছর বয়সে তিনি জাপানের সামরিক শাসনের অধীনে পোশাক কারখানায় কাজ করতে বাধ্য হন
  • 📌 তার আত্মজীবনীতে তিনি লিখেছিলেন, ‘শিল্প সৃষ্টি করা এবং উপন্যাস ও কবিতা লেখা—এগুলো সত্যের অনুসন্ধানে আমার বেছে নেওয়া আলাদা আলাদা পথ’

📰 বিস্তারিত

ইয়ায়োই কুসামা ১৯২৯ সালের ২২ মার্চ জাপানের নাগানো প্রশাসনিক অঞ্চলের মাতসুমোতো শহরে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি শৈশবেই মানসিক দৃষ্টিভ্রমের অভিজ্ঞতা লাভ করেন, যেখানে চারদিকে অসীম বিন্দু বা ডট দেখতেন। এই অভিজ্ঞতা তাকে শিল্পের ভাষায় প্রকাশ করতে অনুপ্রাণিত করেছিল। ১৯৩৯ সালে মাত্র ১০ বছর বয়সে তিনি পলকা ডট বা বিন্দু আঁকা শুরু করেন। শৈশবে তিনি বেগুনি ফুলের বাগান দেখতে গিয়ে প্রথম দৃষ্টিভ্রমের অভিজ্ঞতার কথা লিখেছিলেন, ‘প্রতিটি ফুলের নিজস্ব মানুষের মতো মুখের অনুভূতি ছিল। তারা সবাই আমার সঙ্গে কথা বলছিল।’

কুসামার শৈশব ছিল অত্যন্ত জটিল। তিনি একটি রক্ষণশীল ও ধনী পরিবারে বেড়ে ওঠেন। ১৯৪৪ সালের জুলাই মাসে মাত্র ১৫ বছর বয়সে তিনি জাপানের সামরিক শাসনের অধীনে কুরেহা টেক্সটাইল কারখানায় পোশাক ও প্যারাশুট সেলাইয়ের কাজে নিয়োজিত হন। এই সময়ে তিনি সামাজিক অস্থিরতা এবং যুদ্ধের ভয়াবহতার সাথে জড়িত ছিলেন। তার মা-বাবা তাকে একজন পেশাদার শিল্পী হয়ে উঠতে তীব্র বিরোধিতা করেছিলেন, কারণ সামাজিক অবস্থান ও লিঙ্গের কারণে তিনি এই পেশায় অগ্রসর হওয়ার জন্য প্রচুর প্রতিবন্ধকতা পেয়েছিলেন।

১৯৪৮ থেকে ১৯৫১ সাল পর্যন্ত তিনি কিয়োটো মিউনিসিপ্যাল হিয়োশিগাওকা আপার সেকেন্ডারি স্কুলে আধুনিক নিহনগা শৈলীর চিত্রকলা অধ্যয়ন করেন। যদিও তিনি নিহনগার সীমিত শিক্ষাপদ্ধতির প্রতি আগ্রহী ছিলেন না, বরং পশ্চিমা শিল্পের প্রতি আকর্ষণ অনুভব করেছিলেন। তার শিল্পের ভাষায় তিনি বলেছিলেন, ‘পলকা ডটগুলো একা থাকতে পারে না। আমরা যখন পলকা ডট দিয়ে প্রকৃতি ও আমাদের শরীরকে বিলীন করে দিই, তখন আমরা আমাদের পরিবেশের সঙ্গে একাত্ম হয়ে উঠি।’

করোনা মহামারির সময় তিনি বিশ্ববাসীদের উদ্দেশে একটি কবিতা লিখেছিলেন, যেখানে তিনি বলেছিলেন, ‘যদিও তা জ্বলজ্বল করছে নাগালের বাইরে, আমি প্রার্থনা করি এই প্রত্যাশায় সেই আলোর আভা যেন আমাদের পথ দেখায়/ দীর্ঘকাল ধরে অপেক্ষা করছে যে এই মহাজাগতিক দ্যুতি’। এই কবিতায় তিনি মহামারির সময় মানুষের আত্মবিশ্বাস এবং আশার কথা তুলে ধরেছিলেন।

"আমার সব শিল্পকর্মই আমার যাত্রাপথের একেকটি ধাপ। কলম, ক্যানভাস ও নানা উপকরণ দিয়ে সত্যের জন্য আমার চালানো এক নিরন্তর সংগ্রামের ফসল। মাথার ওপর জ্বলজ্বল করছে বহুদূরের এক উজ্জ্বল তারা, আর আমি সেটির দিকে যত হাত বাড়াই, তা যেন আরও দূরে সরে যায়। কিন্তু আমার আত্মার শক্তি আর একনিষ্ঠ পথচলার জোরে, মানুষের এই পৃথিবীর বিভ্রান্তিকর ধাঁধাকে আঁকড়ে ধরে হলেও কাটিয়ে উঠেছিল- আত্মার জগতের অন্তত এক ধাপ কাছাকাছি পৌঁছানোর এই অকৃপণ প্রচেষ্টায়।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: টোকিও, জাপান
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ইয়ায়োই কুসামা
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৯৭ বছর বয়সে মৃত্যু, ১৪ আগস্ট ২০২৬ তারিখে, ২২ মার্চ ১৯২৯ জন্ম

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖