📅 ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১১:০৭ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

বিদ্যুৎ বিপর্যয়ে সারা দেশে বন্ধ থাকলেও ঢাকার মেট্রোরেল তিন ঘণ্টা চলবে বিকল্প বিদ্যুতে

বিদ্যুৎ বিপর্যয়ে সারা দেশে বন্ধ থাকলেও ঢাকার মেট্রোরেল তিন ঘণ্টা চলবে বিকল্প বিদ্যুতে

📷 ছবি: আমাদের সময়

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আমাদের সময় ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকলেও ঢাকার মেট্রোরেল নিজস্ব জরুরি বিদ্যুৎ ব্যবস্থা ও ব্যাটারি ব্যবহার করে তিন ঘণ্টা চলাচল করবে। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) বিদ্যুৎ বিপর্যয়ের সময় মেট্রোরেল চলাচলে কোনো প্রভাব পড়েনি

জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ বিপর্যয়ের কারণে সারা দেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকলেও ঢাকার মেট্রোরেল চলাচল অব্যাহত থাকবে। নিজস্ব জরুরি বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থা ও ব্যাটারিতে সংরক্ষিত বিদ্যুৎ ব্যবহার করে মেট্রোরেল আরও তিন ঘণ্টা চলতে পারবে। ঢাকা মাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল) জানিয়েছে, জাতীয় গ্রিড থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হলে প্রথমে জরুরি বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যবস্থা এবং পরে ব্যাটারিতে সংরক্ষিত বিদ্যুৎ কাজে লাগানো হবে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ বিপর্যয়ের কারণে ঢাকার একাংশসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় প্রায় দুই ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ ছিল।
  • 📌 বিদ্যুৎ বিপর্যয়ের সময় মেট্রোরেলের মতিঝিল সাবস্টেশন বন্ধ হলেও উত্তরা সাবস্টেশন থেকে বিদ্যুৎ পেয়ে চলাচল অব্যাহত ছিল।
  • 📌 মেট্রোরেল চালু রাখার জন্য দুটি বিকল্প ব্যবস্থা রয়েছে: ৩৩ কেভি জরুরি বিদ্যুৎ সরবরাহ এবং ইমার্জেন্সি সাব সিস্টেম (ইএসএস)।
  • 📌 জরুরি বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যবস্থা ব্যবহার করে অন্তত দুই ঘণ্টা এবং ব্যাটারি থেকে এক ঘণ্টা মেট্রোরেল চালানো সম্ভব।
  • 📌 ডিএমটিসিএলের পরিচালক (অপারেশন অ্যান্ড মেইনটেন্যান্স) মো. নজরুল ইসলাম বলেছেন, বিদ্যুৎ বিপর্যয়ের সময় মেট্রোরেল চলাচলে কোনো প্রভাব পড়েনি।

📰 বিস্তারিত

মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধের কারণে ঢাকার একাংশসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় প্রায় দুই ঘণ্টা বিদ্যুৎহীন অবস্থা ছিল। এ সময় মেট্রোরেলের মতিঝিল সাবস্টেশনেও বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। তবে মেট্রোরেলের চলাচলে কোনো প্রভাব পড়েনি। কারণ, উত্তরা সাবস্টেশন থেকে বিদ্যুৎ পেয়ে মেট্রোরেল চলাচল অব্যাহত ছিল। বর্তমানে উত্তরা থেকে মতিঝিল রুটে মেট্রোরেল চলাচল করছে। এই রুটে মেট্রোরেল পরিচালনার জন্য উত্তরা ও মতিঝিলে দুটি সাবস্টেশন রয়েছে। মতিঝিলের সাবস্টেশনটি বন্ধ হওয়ার পর স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহের ব্যবস্থা উত্তরা সাবস্টেশনের আওতায় চলে যায়।

ডিএমটিসিএলের পরিচালক (অপারেশন অ্যান্ড মেইনটেন্যান্স) মো. নজরুল ইসলাম জানিয়েছেন, জাতীয় গ্রিড থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হলে প্রথমে জরুরি বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যবস্থা এবং পরে ব্যাটারিতে সংরক্ষিত বিদ্যুৎ ব্যবহার করা হবে। জরুরি বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যবস্থাটি হলো ৩৩ কেভি জরুরি বিদ্যুৎ সরবরাহব্যবস্থা, যা ডিএমটিসিএলের নিজস্ব বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যবস্থা। এই ব্যবস্থা ব্যবহার করে অন্তত দুই ঘণ্টা মেট্রোরেল চালু রাখা সম্ভব। এই ব্যবস্থার বিদ্যুৎ সরবরাহ শেষ হলে চালু করা যাবে ইমার্জেন্সি সাব সিস্টেম (ইএসএস), যা মূলত ব্যাটারির মাধ্যমে বিদ্যুৎ সংরক্ষণের ব্যবস্থা। এই ব্যবস্থায় আরও এক ঘণ্টা মেট্রোরেল চালানো সম্ভব।

ডিএমটিসিএলের কর্মকর্তারা বলেছেন, সারা দেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকলেও বিকল্প ব্যবস্থায় তিন ঘণ্টা মেট্রোরেল চালানো যাবে। তবে এই দুই ব্যবস্থার বিদ্যুৎও শেষ হয়ে গেলে এবং জাতীয় গ্রিডের বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক না হলে মেট্রোরেল চলাচল বন্ধ হয়ে যাবে।

"সারা দেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকলেও বিকল্প ব্যবস্থায় তিন ঘণ্টা মেট্রোরেল চালানো যাবে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা (উত্তরা ও মতিঝিল)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. নজরুল ইসলাম (ডিএমটিসিএলের পরিচালক)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩৩ কেভি (জরুরি বিদ্যুৎ সরবরাহ), ২৭ অক্টোবর (বিদ্যুৎ বিপর্যয়ের তারিখ)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖