📌 তাশরীফের মা-বাবার পাল্টাপাল্টি অভিযোগের পর তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আর কোনো মন্তব্য না করার সিদ্ধান্ত নেন। বাবা-মা উভয়েই একে অপরের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছেন যা পরিবারকে বিভক্ত করেছে।
হাফেজ জুবায়ের আহমাদ তাশরীফের মা-বাবার পাল্টাপাল্টি অভিযোগের পর তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আর কোনো মন্তব্য না করার সিদ্ধান্ত নেন। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) নিজের অফিশিয়াল ফেসবুক পেজে তিনি জানান, আপাতত এই বিষয়ে আর কথা বলবেন না। তবে ধৈর্যের সীমা ভেঙে গেলে কথা বলতে হবে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 তাশরীফের বাবা দাবি করেন, তিনি মারাত্মক অসুস্থ হলেও ছেলে তার কোনো খোঁজখবর নেন না এবং চিকিৎসার জন্য অর্থ সাহায্য করেন না
- 📌 তাশরীফের মা বাবার অভিযোগকে মিথ্যা বলে দাবি করেন এবং বলেন, বাবা ১৭ থেকে ১৮টি বিয়ে করেছেন এবং ছেলের সাফল্যের প্রতি বিদ্বেষ প্রকাশ করছেন
- 📌 তাশরীফ উল্লেখ করেন, বারবার পোস্ট ও আলোচনা সময় ও সম্মান দুটোই নষ্ট করে
- 📌 ২০২৬ সালের অক্টোবর মাসে এই পরিবারিক বিরোধের জেরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়
📰 বিস্তারিত
তাশরীফের বাবা গণমাধ্যমে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, তিনি মারাত্মক অসুস্থ হলেও ছেলে তার কোনো খোঁজখবর নেন না এবং চিকিৎসার জন্য অর্থ সাহায্য করেন না। তিনি উল্লেখ করেন, চিকিৎসার ব্যয় মেটাতে অন্যের কাছে সাহায্য চেয়ে কোনোমতে সুস্থ হয়েছেন। বাবার এই অভিযোগের বিরুদ্ধে তাশরীফের মা দৃঢ়ভাবে অবস্থান নেন। তিনি দাবি করেন, বাবা জীবনে ১৭ থেকে ১৮টি বিয়ে করেছেন এবং ছেলের সাফল্যের প্রতি বাবার বিদ্বেষ রয়েছে। মা বলেন, তাশরীফ প্রতিষ্ঠা পাওয়ায় তার প্রতি বাবার ক্ষোভ জন্মেছে এবং অন্যের প্ররোচনায় পড়ে তিনি ছেলের বিরুদ্ধে অসত্য বক্তব্য ছড়াচ্ছেন।
তাশরীফের মা আরও দাবি করেন, বাবার তোলা আর্থিক অবহেলার অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা। তিনি বলেন, বাবা ছেলের সাফল্যের প্রতি বিদ্বেষ প্রকাশ করছেন এবং অন্যের প্ররোচনায় পড়ে অসত্য বক্তব্য ছড়াচ্ছেন।
মাদ্রাসার এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে ওঠা অনৈতিক আচরণের অভিযোগের জেরে তাশরীফ একসময় সংবাদ সম্মেলন করেছিলেন। সে সময় তিনি বলেছিলেন, শিক্ষক অনৈতিক ইচ্ছা প্রকাশ করলেও চূড়ান্ত অপরাধ ঘটাননি। একই সঙ্গে তিনি বলেছিলেন, একজনের ব্যক্তিগত অপরাধের জের ধরে পুরো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে হামলা বা ভাঙচুর কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
"আপাতত থেমে গেলাম। ইনশাআল্লাহ, এ বিষয়ে আর কথা বলব না। তবে ধৈর্যের বাঁধ ভাঙলে হয়তো বলতে হবে। বারবার পোস্ট ও আলোচনা সময় এবং সম্মান—দুটোই নষ্ট করে। সবাই দোয়া করবেন, আল্লাহ পাক যেন সকল ফিতনা ও ষড়যন্ত্র থেকে হেফাজত করেন। আমিন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম (ফেসবুক)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: হাফেজ জুবায়ের আহমাদ তাশরীফ, তার মা ও বাবা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৭ থেকে ১৮টি বিয়ে, ২৭ অক্টোবর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!