📌 মুন্সীগঞ্জ জেলায় কলেরা প্রতিরোধে মুখে খাওয়ার টিকার বিশাল কর্মসূচি শুরু হয়েছে। প্রায় তিন লাখ ৫৪ হাজার মানুষকে টিকার আওতায় আনতে ৯১টি কেন্দ্রে দুই ধাপে টিকা দেওয়া হবে। কর্মসূচির উদ্বোধন করেন স্থানীয় সংসদ সদস্য মো. কামরুজ্জামান রতন
মুন্সীগঞ্জ জেলায় কলেরা প্রতিরোধে মুখে খাওয়ার টিকার বিশাল কর্মসূচি শুরু হয়েছে। প্রায় তিন লাখ ৫৪ হাজার মানুষকে কলেরা সংক্রমণের ঝুঁকি থেকে রক্ষায় সদর উপজেলার নয়টি ইউনিয়ন ও মিরকাদিম পৌরসভাসহ মোট ৯১টি টিকাদান কেন্দ্রে দুই ধাপে বিনামূল্যে টিকা প্রদান করা হবে। গত শনিবার সকাল আটটায় শুরু হওয়া এই কর্মসূচির প্রথম রাউন্ড চলবে আগামী ২১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মুন্সীগঞ্জ জেলায় কলেরা প্রতিরোধে মুখে খাওয়ার টিকা কর্মসূচির উদ্বোধন
- 📌 প্রায় তিন লাখ ৫৪ হাজার মানুষকে টিকার আওতায় আনতে ৯১টি কেন্দ্রে টিকা প্রদান
- 📌 প্রথম রাউন্ডের টিকাদান চলবে ২১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত, দ্বিতীয় রাউন্ড ২৬ সেপ্টেম্বর থেকে ২৫ অক্টোবর
- 📌 কর্মসূচির উদ্বোধন করেন মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য মো. কামরুজ্জামান রতন
- 📌 দুই ডোজ টিকার মধ্যে অন্তত ১৪ দিনের ব্যবধান রাখার নির্দেশনা
📰 বিস্তারিত
মুন্সীগঞ্জ জেলায় কলেরা প্রতিরোধে মুখে খাওয়ার টিকার বিশাল কর্মসূচি শুরু হয়েছে। জেলা স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, দেশের ১৪টি উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ উপজেলার মধ্যে মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলাও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। প্রায় তিন লাখ ৫৪ হাজার মানুষকে টিকার আওতায় আনতে সদর উপজেলার নয়টি ইউনিয়ন ও মিরকাদিম পৌরসভাসহ মোট ৯১টি টিকাদান কেন্দ্রে এক বছর বা তার বেশি বয়সী মানুষকে বিনামূল্যে মুখে খাওয়ার কলেরা টিকা দেওয়া হচ্ছে।
গর্ভবতী নারীসহ নির্দিষ্ট কিছু ক্ষেত্রে এই টিকা দেওয়া প্রযোজ্য নয় বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা। কর্মসূচির উদ্বোধনী দিনে সকাল সাড়ে দশটার দিকে রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন হওয়া শিশুদের নিজ হাতে টিকা খাইয়ে দিয়ে উদ্বোধন করেন মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনের স্থানীয় সংসদ সদস্য মো. কামরুজ্জামান রতন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক সৈয়দা নূরমহল আশরাফি, সিভিল সার্জন ডা. সাজেদা বেগম প্রমুখ।
জেলা সিভিল সার্জন ডা. সাজেদা বেগম জানান, প্রথম ধাপে সারাদেশে প্রায় ৫১ লাখ ৭৫ হাজার মানুষকে টিকার আওতায় আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। তিনি বলেন, কলেরা প্রতিরোধে নিরাপদ পানি, স্বাস্থ্যসম্মত স্যানিটেশন ও পরিচ্ছন্নতার পাশাপাশি এই টিকাদান কর্মসূচি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। দুই ডোজ টিকার মধ্যে অন্তত ১৪ দিনের ব্যবধান রাখা হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
"কলেরা প্রতিরোধে মুখে খাওয়ার টিকা অত্যন্ত কার্যকর। তবে এর পাশাপাশি স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলাও জরুরি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মুন্সীগঞ্জ জেলা, মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. কামরুজ্জামান রতন, ডা. সাজেদা বেগম, সৈয়দা নূরমহল আশরাফি
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: তিন লাখ ৫৪ হাজার, ৯১টি কেন্দ্র, ৫১ লাখ ৭৫ হাজার
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!