📌 খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে জলবায়ু-সহনশীল খাদ্যব্যবস্থা নিয়ে আঞ্চলিক সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়। এগ্রোইকোলজি চর্চা বাড়ানোর পাশাপাশি নারী কৃষকদের স্বীকৃতি ও মজুরি বৈষম্য দূরীকরণের দাবি উঠে আসে
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় টেকসই খাদ্যব্যবস্থা গড়ে তোলার পথে এগ্রোইকোলজির গুরুত্ব নিয়ে আঞ্চলিক সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়। মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) বেলা ২টায় সমাজবিজ্ঞান বিভাগের ল্যাবে অনুষ্ঠিত এই আলোচনায় বাংলাদেশে জলবায়ু-সহনশীল খাদ্যব্যবস্থার সম্ভাবনা ও বাস্তবায়নের পথে এগ্রোইকোলজিকে কেন্দ্র করে বিস্তৃত আলোচনা হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৬ অক্টোবর খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত সংলাপে জলবায়ু-সহনশীল খাদ্যব্যবস্থা ও এগ্রোইকোলজির গুরুত্ব আলোচিত হয়
- 📌 ৮৬ পৃষ্ঠার গবেষণায় সুন্দরবননির্ভর বনজীবীদের জীবনযাপনের সংকট তুলে ধরা হয়
- 📌 নারী কৃষকদের স্বীকৃতি ও মজুরি বৈষম্য দূরীকরণের দাবি উঠে আসে
- 📌 রাসায়নিক কীটনাশকের অতিরিক্ত ব্যবহারের কারণে খাদ্যব্যবস্থা ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে
- 📌 এগ্রোইকোলজিকে জাতীয় কৃষিনীতিতে অন্তর্ভুক্ত করার দাবি করা হয়
📰 বিস্তারিত
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের ল্যাবে অনুষ্ঠিত এই সংলাপের শিরোনাম ছিল ‘বাংলাদেশে জলবায়ু-সহনশীল খাদ্যব্যবস্থা: এগ্রোইকোলজিই পথ দেখায়’। সভাপতিত্ব করেন বিভাগীয় চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. আব্দুল্লাহ আবু সাঈদ খান। বারসিকের উপকূলীয় আঞ্চলিক সমন্বয়কারী মো. শাহীন ইসলাম মূল উপস্থাপনা করেন।
গবেষক ও শিক্ষকদের আলোচনায় দেখা যায়, সুন্দরবনের বনজীবীদের জীবনযাপনকে প্রভাবিত করে বন বন্ধের সময়কাল। অধ্যাপক তানভীর হোসাইন বলেন, তাদের ৮৬ পৃষ্ঠার গবেষণায় সুন্দরবননির্ভর মানুষের জীবন ও বাস্তবতা তুলে ধরা হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, বনজীবীদের জন্য সরকারি সহায়তা খুবই অপ্রতুল। এছাড়াও, নারীদের কৃষিকাজে অবদানকে স্বীকৃতি দেওয়ার দাবি উঠে আসে। শিক্ষার্থী নওশিন নোয়ার প্রমি বলেন, নারীরা পরিবারে বিপুল পরিমাণ কাজ করলেও তা শ্রমমজুরির আওতায় আসে না।
অধ্যাপক ড. মোছাম্মত রওশন আরা জোর দেন নারী শ্রমিকের মজুরি বৈষম্য দূরীকরণের ওপর। তিনি বলেন, কৃষির সূচনালগ্ন থেকেই নারীর অবদান রয়েছে। এগ্রোইকোলজিকে জাতীয় নীতিতে অন্তর্ভুক্ত করার দাবি করা হয়। অধ্যাপক ড. তুহিন রায় বলেন, রাসায়নিক কীটনাশকের অতিরিক্ত ব্যবহার খাদ্যব্যবস্থাকে ঝুঁকিপূর্ণ করেছে। তিনি এগ্রোইকোলজিকে টেকসই কৃষি ও খাদ্য সার্বভৌমত্বের একমাত্র পথ বলে মনে করেন।
"বাংলাদেশে জলবায়ু-সহনশীল খাদ্যব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্য এগ্রোইকোলজিকে জাতীয় নীতিতে অন্তর্ভুক্ত করা প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে সরকারি প্রতিষ্ঠান, এনজিও ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সমন্বিত ভূমিকা প্রয়োজন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অধ্যাপক ড. আব্দুল্লাহ আবু সাঈদ খান, মো. শাহীন ইসলাম, অধ্যাপক তানভীর হোসাইন, নওশিন নোয়ার প্রমি
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬ অক্টোবর, বেলা ২টায়, ৮৬ পৃষ্ঠা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!