📌 গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে ডেঙ্গু ও সাধারণ রোগীদের একত্রে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। শয্যা সংকটে ২৫ জন ডেঙ্গু রোগীকে বারান্দায় চিকিৎসা দিতে হচ্ছে। হাসপাতালে পরিষ্কারতা ও চিকিৎসক সংকটের কারণে রোগীরা কষ্ট ভোগ করছেন।
গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগীদের অমানবিক অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে। ডেঙ্গু রোগীদের জন্য আলাদা ওয়ার্ড না থাকায় সাধারণ রোগীদের সঙ্গে একত্রে চিকিৎসা নিতে হচ্ছে। হাসপাতালের পুরোনো ভবনে শয্যা সংকটের কারণে ২৫ জন ডেঙ্গু রোগীকে বারান্দায় চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে ডেঙ্গু ও সাধারণ রোগীদের একত্রে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে, শয্যা সংকটের কারণে ২৫ জন ডেঙ্গু রোগীকে বারান্দায় চিকিৎসা দিতে হচ্ছে
- 📌 হাসপাতালের ৫০ শয্যার পুরোনো ভবনে বর্তমানে সাধারণ ও ডেঙ্গু রোগী মিলে সাড়ে চার শত রোগী ভর্তি, কিন্তু ডেঙ্গু রোগীদের জন্য আলাদা ব্যবস্থা নেই
- 📌 রোগীদের মশারি না টানার কারণে ডেঙ্গু সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ছে, হাসপাতালের চারদিকে ময়লার স্তূপে পানি জমে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে
- 📌 রোগীরা ওষুধের অভাব ও চিকিৎসক সংকটের কারণে কষ্ট ভোগ করছেন, নার্সরা রোগী সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছেন
- 📌 হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক চিকিৎসক সাক্ষাৎকার দিতে অস্বীকার করেছেন, রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে হাসপাতালের অবস্থা খারাপ
📰 বিস্তারিত
গাইবান্ধা জেলায় ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে। গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগীদের জন্য আলাদা ওয়ার্ডের ব্যবস্থা না থাকায় তারা সাধারণ রোগীদের সঙ্গে একত্রে চিকিৎসা নিচ্ছেন। হাসপাতালের পুরোনো ভবনে শয্যা সংকটের কারণে ৫০ শয্যার মধ্যে সাধারণ ও ডেঙ্গু রোগী মিলে সাড়ে চার শত রোগী ভর্তি রয়েছে। এর মধ্যে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা ২৫ জন।
ডেঙ্গু রোগীদের সার্বক্ষণিক মশারি টানিয়ে রাখতে হচ্ছে, যাতে মশা তাদের কামড় না দেয়। কিন্তু শয্যা সংকটের কারণে রোগীদের মশারি টানার ব্যবস্থা নেই। ফলে রোগীদের মধ্যে ডেঙ্গু সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ছে। হাসপাতালের চারদিকে ময়লার স্তূপে পানি জমে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। পরিষ্কার করার কথা থাকলেও বেশ কয়েক দিন ধরে পরিষ্কার করা হচ্ছে না।
রোগীরা ওষুধের অভাব ও চিকিৎসক সংকটের কারণে কষ্ট ভোগ করছেন। নার্সরা রোগী সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছেন। রোগীদের বেশির ভাগ ওষুধ বাহির থেকে কিনে আনতে হচ্ছে। রোগীর স্বজনরা সেবার জন্য হাসপাতালে ছোটাছুটি করছেন।
গাইবান্ধা সদর উপজেলার ধানগড়া থেকে আসা আগমল হোসেন বলেন, ডেঙ্গু আক্রান্ত হওয়ার পর হাসপাতালে এসেছেন। কিন্তু শয্যা খালি না থাকায় বারান্দায় চিকিৎসা নিতে হচ্ছে। তিনি বলেন, খুব কষ্টে আছি। কোন সমস্যা হলে নার্সরা আসছে না। আরেক রোগী তোফাজ্জল বলেছেন, চিকিৎসা নিতে এসে হয়রানি শিকার হচ্ছেন। তিনি বলেন, এটা সরকারি হাসপাতাল নাকি গোয়াল ঘর কিছুই বুঝছি। এখানে ভালো মানুষ এলেই অসুস্থ হয়ে যাবে।
"আমি কোন সাক্ষাৎকার দিতে পারব না। ওপর থেকে নিষেধ আছে। আপনি এখন আসতে পারেন।"
গাইবান্ধা সামাজিক সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক জাহাঙ্গীর কবির তনু জানান, হাসপাতালে উন্নত সেবা থেকে দীর্ঘদিন ধরে গাইবান্ধাবাসী বঞ্চিত। তিনি বলেন, হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়কসহ অধিকাংশ ডাক্তার বেসরকারি হাসপাতাল ক্লিনিকের কমিশনের সঙ্গে জড়িত। রাজনৈতিক প্রভাবশালী ব্যক্তিদের ছত্র ছায়ায় থাকার কারণে এসব করার সুযোগ পাচ্ছেন তারা।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতাল, গাইবান্ধা সদর উপজেলা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আগমল হোসেন, তোফাজ্জল, জাহাঙ্গীর কবির তনু, হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক চিকিৎসক শহিদুল্লাহ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫০ শয্যা (হাসপাতালের পুরোনো ভবন), ২৫ জন (ডেঙ্গু রোগী), ১০ বার (নার্সদের ডাকার সংখ্যা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!