📌 ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম বলেছেন, দেশের ২৮ শতাংশ তরুণ যদি বছরে একবার রক্তদান করে, তাহলে রক্তসংকটের সমাধান হবে। কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশন আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এই কথা বলেন
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম মঙ্গলবার সন্ধ্যায় রাজধানীর আইডিইবি ভবনে অনুষ্ঠিত স্বেচ্ছা রক্তদাতা সম্মাননা অনুষ্ঠানে বলেছেন, দেশের প্রায় ২৮ শতাংশ তরুণ যদি বছরে অন্তত একবার নিয়মিত রক্তদান করে, তাহলে বাংলাদেশে আর রক্তসংকট থাকবে না। তিনি বলেন, স্বেচ্ছা রক্তদাতাদের অবদান মানবিক বাংলাদেশ নির্মাণে অপরিহার্য।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ঢাবি উপাচার্য ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম বলেছেন, ২৮ শতাংশ তরুণদের বছরে একবার রক্তদান করলে দেশে রক্তসংকটের সমাধান হবে
- 📌 অনুষ্ঠানে ৩ থেকে ৫০ বার রক্তদান করেছেন এমন তিন শতাধিক স্বেচ্ছা রক্তদাতাকে সম্মাননা দেওয়া হয়
- 📌 কোয়ান্টাম ল্যাব ২০০০ সাল থেকে ২০২৬ আগস্ট পর্যন্ত ১৮ লাখের বেশি মুমূর্ষু মানুষের জীবন বাঁচিয়েছে
- 📌 কুষ্টিয়ার খোকসা উপজেলায় নৈশপ্রহরী ও ব্যবসায়ীদের হাত-পা বেঁধে পাঁচটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে ডাকাতি হয়েছে
📰 বিস্তারিত
আইডিইবি ভবনে অনুষ্ঠিত এই সম্মাননা অনুষ্ঠানে উপাচার্য বলেন, দেশপ্রেম শুধু আবেগ নয়, বরং নিজের কাজ সততার সঙ্গে করা এবং দুর্বল মানুষের পাশে দাঁড়ানোই এর বাস্তব প্রকাশ। তিনি স্বেচ্ছা রক্তদাতাদেরকে মানবিক বাংলাদেশ নির্মাণের পথপ্রদর্শক হিসেবে উল্লেখ করেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথি তাঁদের হাতে সম্মাননা সনদ, ক্রেস্ট ও মেডেল তুলে দেন।
স্বেচ্ছা রক্তদান কার্যক্রমের পরিচালক এম. রেজাউল হাসান স্বাগত বক্তব্যে বলেন, কোয়ান্টাম ল্যাবের ৫ লাখেরও বেশি রক্তদাতা ১৮ লাখের বেশি মানুষের জীবন বাঁচিয়েছে। তিনি সব স্বেচ্ছা রক্তদাতাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে দেশের রক্তচাহিদা মেটাতে তরুণদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভিসি অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আশিক মোসাদ্দিক।
"দেশপ্রেম শুধু আবেগ বা স্লোগানের বিষয় নয়; নিজের কাজ সততার সঙ্গে করা এবং দুর্বল, অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোই দেশপ্রেমের বাস্তব প্রকাশ।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা (আইডিইবি ভবন), কুষ্টিয়ার খোকসা উপজেলা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম (ঢাবি উপাচার্য), এম. রেজাউল হাসান (রক্তদান কার্যক্রম পরিচালক), ড. মোহাম্মদ আশিক মোসাদ্দিক (প্রো-ভিসি)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৮ শতাংশ (তরুণদের অংশগ্রহণ), ৩ থেকে ৫০ বার (রক্তদান), ১৮ লাখ (বাঁচানো জীবন)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!