📌 পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীদের উত্ত্যক্তকরণের প্রতিবাদে সাবেক সেনাসদস্য ইউসুফ আলী খানকে দর্জি সেলিম আহত করেছেন। আহত ব্যক্তি পাবনা সদর থানায় অভিযোগ দিয়েছেন। ঘটনাস্থলে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে
পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীদের দীর্ঘদিন ধরে উত্ত্যক্তকরণের প্রতিবাদে সাবেক সেনাসদস্য ইউসুফ আলী খানকে দর্জি সেলিম আহত করেছেন। মঙ্গলবার বিকেলে পাবনা সদর উপজেলার রাজাপুর এলাকায় ঘটনাটি ঘটে। আহত ইউসুফ আলী খান পাবনা সদর থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন এবং পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীদের উত্ত্যক্তকরণের প্রতিবাদে সাবেক সেনাসদস্য ইউসুফ আলী খানকে দর্জি সেলিম আহত করেছেন।
- 📌 ইউসুফ আলী খান (৬০) পাবনা সদর উপজেলার রাজাপুর এলাকার বাসিন্দা।
- 📌 দর্জি সেলিম হোসেন (৫৫) ইউসুফ আলী খানের পাশের দোকানে কাজ করেন এবং ছাত্রীদের উত্ত্যক্ত করতেন।
- 📌 ইউসুফ আলী খানের দোকানের সামনে সেলিম গালিগালাজ করলে প্রতিবাদে সেলিম লোহার রড দিয়ে আঘাত করেন।
- 📌 আহত ইউসুফকে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
- 📌 পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে এবং আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছে।
📰 বিস্তারিত
পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীদের উত্ত্যক্তকরণের ঘটনা দীর্ঘদিন ধরে চলছে। রাজাপুর ক্যালিকো কটন মিলের সামনে ইউসুফ আলী খানের একটি মুদি দোকান রয়েছে। তাঁর পাশের দোকানে দর্জি সেলিম হোসেন কাজ করেন। দীর্ঘদিন ধরে সেলিম ছাত্রীদের বিভিন্ন ধরনের কুপ্রস্তাব ও অশালীন কথা বলে উত্ত্যক্ত করতেন। এ কারণে বেশ কয়েকজন ছাত্রী মেস ছেড়ে অন্যত্র চলে গেছেন। ইউসুফ আলী খান সেলিমকে এ ধরনের কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকতে বললে সেলিম তাঁকে হুমকি দিতে শুরু করেন।
মঙ্গলবার বিকেলে ইউসুফ আলী খানের দোকানের সামনে সেলিম গালিগালাজ করলে ইউসুফ প্রতিবাদ করেন। এরপর সেলিম হাতে থাকা লোহার রড দিয়ে ইউসুফের মাথায় আঘাত করেন। ইউসুফ মাটিতে লুটিয়ে পড়লে সেলিম তাঁকে এলোপাতাড়ি মারধর করেন। স্থানীয়রা এগিয়ে এলে সেলিম প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে সটকে পড়েন। পরে আহত ইউসুফকে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করা হয়।
উত্ত্যক্তের শিকার পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই ছাত্রী বলেছেন, দীর্ঘদিন ধরে দর্জি সেলিম তাদের নানাভাবে উত্ত্যক্ত করতেন। মেস ছেড়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে যাওয়া-আসার সময় তিনি অশ্লীল ভাষায় কথা বলতেন এবং অশালীন অঙ্গভঙ্গি করতেন। এ কারণে তাদের বেশ কয়েকজন বান্ধবী মেস ছেড়ে অন্যত্র চলে গেছেন।
"দীর্ঘদিন ধরে দর্জি সেলিম আমাদের নানাভাবে উত্ত্যক্ত করতেন। মেস থেকে বের হয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে যাওয়া-আসার সময় তিনি আমাদের ডাক দিয়ে অশ্লীল ভাষায় কথা বলতেন এবং অশালীন অঙ্গভঙ্গি করতেন। তাঁর এসব আচরণে আমরা আতঙ্ক ও অস্বস্তির মধ্যে চলাফেরা করতাম।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: পাবনা সদর উপজেলা, রাজাপুর, পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ইউসুফ আলী খান (৬০), দর্জি সেলিম হোসেন (৫৫), পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীরা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬০ বছর (ইউসুফ আলী খান), ৫৫ বছর (সেলিম হোসেন)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!