📅 ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫:২৬ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ইঁদুরের মস্তিষ্কে মানব নিউরন বিকশিত: সৃষ্টি হলো সক্রিয় স্নায়বিক সংযোগ

ইঁদুরের মস্তিষ্কে মানব নিউরন বিকশিত: সৃষ্টি হলো সক্রিয় স্নায়বিক সংযোগ

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 যুক্তরাষ্ট্রের বিজ্ঞানীরা ইঁদুরের মস্তিষ্কে মানব কর্টেক্সের টিস্যু প্রতিস্থাপন করে সফলভাবে স্নায়বিক সংযোগ সৃষ্টি করেছেন। মাত্র তিন মাসে ৯০% টিস্যু মানব নিউরনে পরিণত হয়েছে এবং ইঁদুরের স্নায়ুতন্ত্রের সাথে সংযুক্ত হয়েছে

যুক্তরাষ্ট্রের স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীরা মানব মস্তিষ্কের গবেষণায় একটি বিপ্লবী অগ্রগতি সাধন করেছেন। তারা ইঁদুরের মস্তিষ্কে মানব কর্টেক্সের টিস্যু প্রতিস্থাপন করে সক্রিয় স্নায়বিক সংযোগ সৃষ্টি করেছেন। এই গবেষণায় মানব নিউরন ইঁদুরের মস্তিষ্কের সাথে একীভূত হয়ে স্নায়ুতন্ত্রের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 যুক্তরাষ্ট্রের বিজ্ঞানীরা ইঁদুরের মস্তিষ্কে মানব কর্টেক্সের টিস্যু প্রতিস্থাপন করে সফলতা অর্জন করেছেন
  • 📌 মাত্র তিন মাসে প্রতিস্থাপিত মানব টিস্যু ৯০% পর্যন্ত বিকশিত হয়েছে এবং ইঁদুরের স্নায়ুতন্ত্রের সাথে সংযুক্ত হয়েছে
  • 📌 মানব নিউরন ইঁদুরের মস্তিষ্কের সংবেদনশীল তথ্য গ্রহণ করে এবং সক্রিয় স্নায়বিক সংযোগ তৈরি করেছে
  • 📌 গবেষণায় ব্যবহৃত ইঁদুরের জিনগতভাবে কর্টেক্স বিকাশের প্রথম ধাপেই নষ্ট করা হয়েছিল
  • 📌 গবেষণার নেতৃত্ব দিয়েছেন স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নায়ুবিজ্ঞানী সার্জিউ পাশকা

📰 বিস্তারিত

মানব মস্তিষ্কের গবেষণায় সবচেয়ে বড় বাধা ছিল জীবিত অবস্থায় মস্তিষ্কের টিস্যু নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা। বিজ্ঞানীরা বিভিন্ন পদ্ধতি ব্যবহার করে এগিয়ে এসেছেন, যার মধ্যে রয়েছে অর্গানয়েড তৈরি করা। তবে এই অর্গানয়েডগুলোতে কোনো শরীরের নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা থাকে না। এবার স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীরা একটি নতুন পদ্ধতি ব্যবহার করে সফলতা পেয়েছেন। তারা জিনগতভাবে ইঁদুরের কর্টেক্স বিকাশের প্রথম ধাপেই নষ্ট করে দেওয়া ইঁদুরের মস্তিষ্কে মানব কর্টেক্সের টিস্যু প্রতিস্থাপন করেছেন।

গবেষণায় ব্যবহৃত ইঁদুরগুলিকে ‘অ্যাপ্যালিয়াল’ ইঁদুর নামে অভিহিত করা হয়েছে। এদের কর্টেক্স বিকাশের প্রথম ধাপেই জিনগতভাবে নষ্ট করা হয়েছিল। এই ইঁদুরগুলিকে ‘জেনোকর্টিক্যাল’ ইঁদুর হিসেবে পরিচিত করা হয়েছে। প্রতিস্থাপিত মানব টিস্যু মাত্র তিন মাসের মধ্যে ইঁদুরের মস্তিষ্কের ৯০% পর্যন্ত বিকশিত হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে মানব নিউরন ইঁদুরের স্নায়ুতন্ত্রের সাথে সংযুক্ত হয়ে সক্রিয় হয়ে উঠেছে এবং এমনকি মেরুদণ্ড পর্যন্ত স্নায়বিক সংযোগ তৈরি করেছে।

গবেষণার নেতৃত্ব দিয়েছেন স্নায়ুবিজ্ঞানী সার্জিউ পাশকা। তিনি বলেছেন, ‘এই ইঁদুরের স্নায়ুতন্ত্র ইঁদুরের, কিন্তু তাদের কর্টেক্সের বেশিরভাগ অংশ মানব উৎস থেকে এসেছে। মানব নিউরনগুলো ইঁদুরের স্নায়ুতন্ত্রের সাথে একীভূত হয়েছে এবং কার্যকর সংযোগ তৈরি করেছে।’

"সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, এগুলো এখনো ইঁদুর। তাদের স্নায়ুতন্ত্র ইঁদুরের, সংবেদনশীল অঙ্গ ইঁদুরের এবং মস্তিষ্কের সাবকর্টিক্যাল কাঠামোও ইঁদুরের। অস্বাভাবিক বিষয় হলো—এসব প্রাণীর শরীরে থাকা কর্টিক্যাল টিস্যুর বেশির ভাগই মানব উৎস থেকে এসেছে এবং মানব নিউরনগুলো বেড়ে উঠেছে, একীভূত হয়েছে এবং ইঁদুরের বাকি স্নায়ুতন্ত্রের সঙ্গে কার্যকর সংযোগ তৈরি করেছে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: যুক্তরাষ্ট্রের স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: স্নায়ুবিজ্ঞানী সার্জিউ পাশকা
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৯০ শতাংশ

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖