📌 আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, মানবপাচার প্রতিরোধে সরকার আইনি ব্যবস্থা জোরদার করছে। তবে জনবল সীমাবদ্ধতা ও অভিযোগকারীদের সহযোগিতার অভাব এ ক্ষেত্রে বড় বাধা হিসেবে কাজ করছে। সভায় তিনি জানান, বাংলাদেশ ২০১৯ সাল থেকে মানবপাচার প্রতিরোধে আন্তর্জাতিক প্রতিশ্রুতি পূরণ করছে
রাজধানী ঢাকায় মানবপাচার ও অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধে ফৌজদারি বিচার ব্যবস্থা জোরদার বিষয়ক জাতীয় পরামর্শ সভায় আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, সরকার নাগরিকদের অধিকার রক্ষায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তিনি বলেন, মানবপাচার সবচেয়ে অমানবিক ও নিষ্ঠুর অপরাধের একটি, যা প্রতারকদের অর্থ উপার্জনের মাধ্যম হয়ে দাঁড়িয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ১৭ সেপ্টেম্বর ঢাকার হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে অনুষ্ঠিত সভায় আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেন, মানবপাচার প্রতিরোধে সরকারের আইনি ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।
- 📌 মানবপাচারের সংজ্ঞা বাস্তবসম্মতভাবে সংশোধন করা হয়েছে এবং ২০২৬ সালের মানবপাচার আইনে নতুন বিধান অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
- 📌 ১৮৮৭ সালের জুয়া আইন সংশোধন করে অনলাইন জুয়া ও পাচারসহ অবৈধ কার্যক্রমকে আইনি কাঠামোর আওতায় আনা হয়েছে।
- 📌 আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সতর্ক থাকলেও জনবলের সীমাবদ্ধতা ও অভিযোগকারীদের সহযোগিতার অভাব প্রতিরোধে বড় বাধা হিসেবে কাজ করছে।
- 📌 আইনমন্ত্রী বলেন, বেকারত্বের কারণে মানুষ বিদেশে যাওয়ার প্রবণতা কমাতে পারা যাচ্ছে না।
- 📌 সরকার নাগরিকদের অধিকার রক্ষায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং কার্যকর সুপারিশের প্রতি স্বাগত জানাবে।
📰 বিস্তারিত
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) অনুষ্ঠিত সভায় আইন মন্ত্রণালয় ও জাতিসংঘের মাদক ও অপরাধবিষয়ক দপ্তর (ইউএনওডিসি) যৌথভাবে আয়োজন করে। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। তিনি বলেন, ‘মানবপাচার সবচেয়ে গুরুতর অপরাধগুলোর একটি। প্রতারকরা অর্থ উপার্জনের মাধ্যমে মানুষের জীবন ঝুঁকিতে ফেলছে।’
আইনমন্ত্রী জানান, মানবপাচারের সংজ্ঞা আরও বিস্তৃত ও বাস্তবসম্মত করা হয়েছে। এছাড়া ২০২৬ সালের মানবপাচার আইনে নতুন বিধান অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। পাশাপাশি ১৮৮৭ সালের জুয়া আইন সংশোধন করে অনলাইন জুয়া, পাচারসহ বিভিন্ন অবৈধ কার্যক্রমকে আইনি কাঠামোর আওতায় আনা হয়েছে। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বরে মানবপাচারবিষয়ক প্রোটোকল অনুসমর্থন করেছে। এরপর থেকে আন্তর্জাতিক প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী কাজ করছে।’
তবে আইনমন্ত্রী উল্লেখ করেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সতর্ক থাকলেও জনবলের সীমাবদ্ধতা, অভিযোগকারীদের সহযোগিতার অভাব এবং প্রমাণ সংগ্রহের সমস্যা এ ক্ষেত্রে বড় বাধা। তিনি বলেন, ‘মানবপাচার এখন আগের মতো ব্যাপক নয়, তবে বেকারত্বের কারণে মানুষ বিদেশে যাওয়ার প্রবণতা কমাতে পারা যাচ্ছে না। অনেকেই ট্যুরিস্ট ভিসায় বিদেশে গিয়ে অবৈধ অভিবাসীতে পরিণত হন। এ পরিস্থিতিতে বিদেশে যাওয়া বাংলাদেশি নাগরিকদের অধিকার নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টদের সহযোগিতা প্রয়োজন।’
"মানবপাচার সবচেয়ে গুরুতর, অমানবিক ও নিষ্ঠুর অপরাধগুলোর একটি। এই অপরাধের মাধ্যমে প্রতারক, অপরাধী ও মাফিয়ারা অর্থ উপার্জন করে। মানুষের জীবনকে ঝুঁকিতে ফেলে তারা বিপুল অর্থ আয় করছে। সরকার এ পরিস্থিতির পরিবর্তনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৭ সেপ্টেম্বর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!