📅 ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫:৫৩ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনালে নজরুলসহ চার হত্যাকাণ্ডের সাক্ষ্য দেন মেজর সাব্বির: জিয়াউল আহসানের নির্দেশে হত্যা ও নদীতে ফেলা হত্যা

আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনালে নজরুলসহ চার হত্যাকাণ্ডের সাক্ষ্য দেন মেজর সাব্বির: জিয়াউল আহসানের নির্দেশে হত্যা ও নদীতে ফেলা হত্যা

📷 ছবি: Sarabangla

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Sarabangla ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে সাবেক সেনা কর্মকর্তা মেজর সাব্বির নজরুল ইসলামসহ চারজনকে জিয়াউল আহসানের নির্দেশে গুলি করে নদীতে ফেলার সাক্ষ্য দিয়েছেন। ২০১০ সালের হত্যাকাণ্ডের বিস্তারিত বিবরণ দেন তিনি

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ সাবেক সেনা কর্মকর্তা মেজর সাব্বির ১৭ সেপ্টেম্বর নজরুল ইসলামসহ চারজনকে হত্যা ও নদীতে ফেলার বিস্তারিত সাক্ষ্য দিয়েছেন। সাক্ষ্যে তিনি জানান, জিয়াউল আহসানের নির্দেশে র্যাবের সদস্যরা ২০১০ সালের মে মাসে এই হত্যাকাণ্ড সম্পন্ন করেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 মেজর সাব্বিরের সাক্ষ্যে জানা যায়, পাথরঘাটার চরদুয়ানি এলাকায় নজরুলসহ চারজনকে চোখ বেঁধে গুলি করে হত্যা করা হয় এবং মরদেহের পেট চিরে সিমেন্টের বস্তা বেঁধে বলেশ্বর নদীতে ফেলে দেওয়া হয়
  • 📌 সাক্ষ্য অনুযায়ী, ২০১০ সালে জিয়াউল আহসানের উপস্থিতিতে র‌্যাব-৮-এর ইন্টেলিজেন্স উইংয়ের সদস্যরা এই হত্যাকাণ্ড সম্পন্ন করেন
  • 📌 মেজর সাব্বিরের সাক্ষ্যে আরও জানা যায়, একই কায়দায় ২০১০ সালে আরেকজনকে হত্যা করা হয় এবং ২০১১ সালে জিয়াউল আহসানের গলফ অপারেশনে জড়িত ট্রলারমাঝিদের একজন আলকাস মাঝিকেও গুম করে হত্যা করা হয়
  • 📌 গুমের মামলায় সাক্ষ্য দিয়েছেন সাবেক সেনাপ্রধান ইকবাল করিম ভূঁইয়াসহ সেনা ও র্যাবের আরও কয়েকজন কর্মকর্তা
  • 📌 ১৬ বছরে গুমের অভিযোগে দায়ের হওয়া মামলাগুলোর মধ্যে এটিই প্রথম, যেটি বিচার শেষ পর্যায়ে পৌঁছেছে

📰 বিস্তারিত

বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ গুমের মামলায় সাক্ষ্য দেন মেজর সাব্বির। তিনি জানান, ২০১০ সালের মে মাসে র্যাবের ইন্টেলিজেন্স উইংয়ের তৎকালীন প্রধান জিয়াউল আহসানের উপস্থিতি ও নির্দেশে র‌্যাব-৮-এর সদস্যরা নজরুল ইসলামসহ চারজনকে হত্যা করেন। সাক্ষ্যে তিনি বলেন, চারজনকে পাথরঘাটার চরদুয়ানি এলাকায় একটি ফিশিং ট্রলারে করে বলেশ্বর নদীতে নিয়ে যাওয়া হয়। তাদের মুখ ও পুরো শরীর ঢেকে রাখা হয়েছিল। এরপর তাদের গুলি করে হত্যা করা হয় এবং মরদেহের পেট চিরে সিমেন্টের বস্তা বেঁধে নদীতে ফেলে দেওয়া হয়।

মেজর সাব্বিরের সাক্ষ্যে আরও জানা যায়, একই কায়দায় ২০১০ সালে আরেকজনকে হত্যা করা হয়। এছাড়াও, ২০১১ সালে জিয়াউল আহসানের গলফ অপারেশনে জড়িত ট্রলারমাঝিদের একজন আলকাস মাঝিকেও গুম করে হত্যা করা হয়।

গুমের মামলায় সাক্ষ্য দিয়েছেন সাবেক সেনাপ্রধান ইকবাল করিম ভূঁইয়াসহ সেনা ও র্যাবের আরও কয়েকজন কর্মকর্তা। তাদের মধ্যে কথিত হত্যাকাণ্ডের প্রত্যক্ষদর্শীরাও রয়েছেন। মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণের পর তদন্ত কর্মকর্তার সাক্ষ্য নেওয়া হবে। এরপর উভয় পক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের মধ্য দিয়ে বিচারিক কার্যক্রম শেষ পর্যায়ে যাবে।

"পাথরঘাটার চরদুয়ানি এলাকায় একটি ফিশিং ট্রলারে করে চারজনকে বলেশ্বর নদীতে নিয়ে যাওয়া হয়। তাদের মুখ ও পুরো শরীর ঢেকে রাখা হয়েছিল। পরে তাদের গুলি করে হত্যা করা হয় এবং মরদেহের পেট চিরে সিমেন্টের বস্তা বেঁধে নদীতে ফেলে দেওয়া হয়।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা (পাথরঘাটা, চরদুয়ানি এলাকা, বলেশ্বর নদী)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মেজর সাব্বির, জিয়াউল আহসান, নজরুল ইসলাম, সাবেক সেনাপ্রধান ইকবাল করিম ভূঁইয়া
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪ জন (নজরুলসহ), ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০১০, ২০১১, ১৬ বছর

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖