📌 সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর সরকারি ইউনানি ও আয়ুর্বেদিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে রোগীর চাপ অস্বাভাবিক বৃদ্ধি পেয়েছে। দূরদূরান্ত থেকে আসা রোগীরা হতাশ হয়ে ফিরছেন। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তাদের ধারণক্ষমতার চেয়ে বহুগুণ বেশি রোগী আসছেন
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিও প্রচারের পর সরকারি ইউনানি ও আয়ুর্বেদিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে রোগীর চাপ অস্বাভাবিক বৃদ্ধি পেয়েছে। দূরদূরান্ত থেকে আসা রোগীরা হতাশ হয়ে ফিরছেন। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তাদের ধারণক্ষমতার চেয়ে বহুগুণ বেশি রোগী আসছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর সরকারি ইউনানি ও আয়ুর্বেদিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে রোগীর সংখ্যা হাজার ছাড়িয়ে গেছে
- 📌 আগে প্রতিদিন ১৫০ থেকে ২০০ জন রোগী চিকিৎসা নিতেন, এখন সংখ্যাটি হাজার ছাড়িয়ে গেছে
- 📌 বহির্বিভাগে আকুপাংচার চিকিৎসার জন্য আগাম সিরিয়াল এখন আগামী বছরের মার্চ পর্যন্ত গিয়ে ঠেকেছে
- 📌 চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তাদের ধারণক্ষমতার চেয়ে বহুগুণ বেশি রোগী আসছেন
- 📌 সরকারি সরঞ্জামের স্বল্পতা থাকায় রোগীদের নিজেদের ওষুধ কিনতে হচ্ছে
📰 বিস্তারিত
চাঁদপুরের বাসিন্দা মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর (৫৫) দীর্ঘদিন ধরে পায়ের ব্যথায় ভুগছিলেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিও দেখে তিনি রাজধানীর মিরপুর ১৩ নম্বরের সরকারি ইউনানি ও আয়ুর্বেদিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে মাত্র ১০ টাকায় চিকিৎসাসেবা পাওয়া যায় বলে জানতে পারেন। সে সূত্রেই তিনি ঢাকায় আসেন। সকাল ছয়টায় হাসপাতালে গিয়ে টোকেন নিয়ে দশটা পর্যন্ত অপেক্ষা করেন। কিন্তু তাকে জানানো হয়, নতুন করে থেরাপির সিরিয়াল দেওয়া যাবে না। বেশকিছু ওষুধ লিখে দিয়ে দুই মাস পর মুঠোফোনে যোগাযোগ করতে বলা হয়। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে তিনি হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে যান।
গত মাসের শেষের দিকে ‘লাইফ স্টোরি’ নামের একটি ফেসবুক পেজে রাজধানীর সরকারি ইউনানি ও আয়ুর্বেদিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল নিয়ে ভিডিও প্রচার করা হয়। ভাইরাল হওয়ার পর বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম হাসপাতালটি নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করে। মাত্র ১০ টাকায় চিকিৎসক দেখানোর সুযোগ ও বিনা মূল্যে ওষুধ পাওয়া যায়—এমন খবরে হাসপাতালটিতে রোগীর সংখ্যা রাতারাতি বেড়ে গেছে।
সোহরাব হোসেন, সহকারী অধ্যাপক, সরকারি ইউনানি ও আয়ুর্বেদিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল জানান, হুট করে এত রোগী বেড়ে যাওয়ায় সেবা দেওয়া কঠিন হয়ে পড়ছে। তিনি আরও বলেন, ‘বহির্বিভাগে চিকিৎসা দেওয়া ও রোগী ভর্তি রাখার পাশাপাশি আমরা এখানে আকুপাংচার, হিজামা, পঞ্চকর্ম ও ইয়োগা করিয়ে থাকি। বহির্বিভাগে আকুপাংচার চিকিৎসা নিতে আগাম সিরিয়াল দিতে হয়। সেই সিরিয়াল এখন আগামী বছরের মার্চ মাস পর্যন্ত গিয়ে ঠেকেছে।’
হাসপাতালটিতে ইউনানি ও আয়ুর্বেদিক—এ দুই শাখা মিলিয়ে ৪৫ জন শিক্ষক ও চিকিৎসক কর্মরত। অফিস সহকারী শামসুর রহমান জানান, রোগীর এমন ভিড় আগে কখনো দেখেননি। বেলা তিনটা পর্যন্ত টিকিট দিতে হচ্ছে। চিকিৎসকেরা বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত থাকছেন। তবু সব রোগী দেখা সম্ভব হচ্ছে না।
‘অনেক রোগী এসে ঘুরে যাচ্ছেন। বলছেন, আমরা নাকি হয়রানি করছি। তাঁরা কেউ বুঝছেন না, আমাদের ধারণক্ষমতা কম, লোকবল কম। আমরা তো ভিডিওটি করিনি, ফেসবুকে দেইনি।’
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মিরপুর ১৩ নম্বর, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সোহরাব হোসেন, মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪৫ জন শিক্ষক-চিকিৎসক, ১৫০ থেকে ২০০ জন (পূর্ববর্তী রোগী সংখ্যা), ১০ টাকা (চিকিৎসা ফি)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!