📌 গাজীপুর মহানগরীর ডেঙ্গু প্রকোপে শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে শয্যা সংকট সৃষ্টি হয়েছে। মেঝে, বারান্দা ও সিঁড়িতে চিকিৎসা নিচ্ছেন রোগীরা। গতকাল পর্যন্ত ১৪৭৯ জন ভর্তি হয়েছে, ১১৮ জন চিকিৎসাধীন, দুজনের মৃত্যু হয়েছে। কোনাবাড়ী-কাশিমপুর এলাকায় আশঙ্কাজনক ডেঙ্গু আক্রান্তের হার বৃদ্ধি পেয়েছে
গাজীপুর মহানগরীর ডেঙ্গু প্রকোপে চিকিৎসা সেবা ব্যবস্থায় অপারগতা সৃষ্টি হয়েছে। শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে শয্যা সংকটের কারণে ডেঙ্গু রোগীরা মেঝে, বারান্দা ও সিঁড়িতে চিকিৎসা নিচ্ছেন। হাসপাতালের ডেঙ্গু ওয়ার্ডে চাপের কারণে চিকিৎসক ও নার্সদেরও কষ্ট হচ্ছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 গাজীপুরের শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মেঝে, বারান্দা ও সিঁড়িতে চিকিৎসা নিচ্ছেন ডেঙ্গু রোগীরা
- 📌 গতকাল পর্যন্ত হাসপাতালে ১ হাজার ৪৭৯ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছে, বর্তমানে ১১৮ জন চিকিৎসাধীন
- 📌 ডেঙ্গুতে মারা গেছেন কলেজশিক্ষার্থী সুমাইয়া আক্তার মিতু (২৬ আগস্ট) ও সাত বছরের শিশু সাদিয়া (২৪ আগস্ট)
- 📌 কোনাবাড়ী ও কাশিমপুর এলাকায় ডেঙ্গু আক্রান্তের হার আশঙ্কাজনক হারে বেড়েছে
- 📌 সিটি করপোরেশনের ১০ কোটি টাকার বরাদ্দে মশকনিধন কার্যক্রম কার্যকরভাবে পরিচালিত হচ্ছে না
- 📌 হাসপাতাল পরিচালক মো. আমিনুল ইসলাম বলেছেন, ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় স্বাস্থ্য সচেতনতার অভাবের কারণে ডেঙ্গু প্রকোপ বৃদ্ধি পাচ্ছে
📰 বিস্তারিত
গাজীপুর মহানগরীর ডেঙ্গু প্রকোপে চিকিৎসা সেবা ব্যবস্থায় অপারগতা সৃষ্টি হয়েছে। শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে শয্যা সংকটের কারণে ডেঙ্গু রোগীরা মেঝে, বারান্দা ও সিঁড়িতে চিকিৎসা নিচ্ছেন। হাসপাতালের ডেঙ্গু ওয়ার্ডে রোগীর চাপের কারণে চিকিৎসক ও নার্সদেরও কষ্ট হচ্ছে। হাসপাতালের ডেঙ্গু ওয়ার্ডে দায়িত্বে থাকা একজন নার্স বলেছেন, ‘বর্তমানে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা অনেক বেড়ে গেছে। বেশির ভাগ রোগী আসছে কোনাবাড়ী ও কাশিমপুর থেকে। হাসপাতালে রোগীর তুলনায় জনবল কম থাকায় সেবা দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। আমাদের অনেক কষ্ট হচ্ছে।’
গতকাল পর্যন্ত হাসপাতালে ১ হাজার ৪৭৯ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছে। বর্তমানে ১১৮ জন রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছে। ডেঙ্গুতে মারা গেছেন কলেজশিক্ষার্থী সুমাইয়া আক্তার মিতু (২৬ আগস্ট) ও সাত বছরের শিশু সাদিয়া (২৪ আগস্ট)। স্থানীয়দের অভিযোগ, কোনাবাড়ীর পাশের কড্ডায় দীর্ঘদিন ধরে ময়লা জমে আছে এবং বাইমাইল এলাকায় নতুন করে ময়লা ফেলা হচ্ছে। পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমও প্রয়োজনের তুলনায় কম বলে অভিযোগ করা হচ্ছে।
হাসপাতাল পরিচালক মো. আমিনুল ইসলাম বলেছেন, ‘ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা, অনেক শ্রমিক একসঙ্গে থাকেন। তাঁদের স্বাস্থ্য সচেতনতার অভাব রয়েছে। বিষয়টিতে একটু গুরুত্ব দেওয়া উচিত।’ গাজীপুর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক শওকত হোসেন সরকার বলেছেন, ‘আমার জানামতে, গাজীপুরে ডেঙ্গু মারাত্মক আকার ধারণ করেছে বা কেউ মারা গেছেন, এমন খবর জানা নেই। আমাদের চেষ্টা অব্যাহত আছে, যাতে আমাদের নগরীর কোনো মানুষ মশার কামড়ে আক্তার না হয়। মশকনিধনের জন্য প্রায় ১০ কোটি টাকা বরাদ্দ রয়েছে সিটি করপোরেশনে।’
"বর্তমানে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা অনেক বেড়ে গেছে। বেশির ভাগ রোগী আসছে কোনাবাড়ী ও কাশিমপুর থেকে। হাসপাতালে রোগীর তুলনায় জনবল কম থাকায় সেবা দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। আমাদের অনেক কষ্ট হচ্ছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: গাজীপুর মহানগর, শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, কোনাবাড়ী, কাশিমপুর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. আমিনুল ইসলাম (হাসপাতাল পরিচালক), শওকত হোসেন সরকার (সিটি করপোরেশন প্রশাসক), সুলতান আহমেদ, নুরুল হক, সুমাইয়া আক্তার মিতু, সাদিয়া
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০ কোটি টাকা (মশকনিধন বরাদ্দ), ১ হাজার ৪৭৯ জন (ডেঙ্গু রোগী ভর্তি), ১১৮ জন (চিকিৎসাধীন), ২৬ আগস্ট (সুমাইয়া আক্তার মিতুর মৃত্যু), ২৪ আগস্ট (সাদিয়ার মৃত্যু)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!