📌 তরুণদের মধ্যে ই-সিগারেট বা ভ্যাপিংয়ের ব্যাপক প্রচলন দেখা যাচ্ছে। জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের সাবেক পরিচালক অধ্যাপক ডা. মোহিত কামাল জানিয়েছেন, এটি ধূমপান ছাড়ার কোনো কার্যকর বা নিরাপদ বিকল্প নয়। বরং এটি দ্বিগুণ আসক্তির কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে
তরুণদের মধ্যে ই-সিগারেট বা ভ্যাপিংয়ের প্রচলন দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। অনেকে একে সাধারণ সিগারেটের তুলনায় নিরাপদ বিকল্প হিসেবে বিবেচনা করলেও বিশেষজ্ঞরা তা সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন। জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের সাবেক পরিচালক অধ্যাপক ডা. মোহিত কামাল জানিয়েছেন, ই-সিগারেট ধূমপান ছাড়ার কোনো কার্যকর বা নিরাপদ বিকল্প নয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 তরুণদের মধ্যে ই-সিগারেট বা ভ্যাপিংয়ের প্রচলন ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে
- 📌 অধ্যাপক ডা. মোহিত কামাল জানিয়েছেন, ই-সিগারেট ধূমপান ছাড়ার কোনো কার্যকর বিকল্প নয়
- 📌 ই-সিগারেট ব্যবহারের ফলে মানুষ দ্বিগুণ আসক্তিতে আক্রান্ত হচ্ছে
- 📌 ই-সিগারেটের ভেতরে থাকা রাসায়নিক ফুসফুসে সরাসরি প্রবেশ করে মারাত্মক ক্ষতি করে
📰 বিস্তারিত
প্রথম আলো ট্রাস্টের আয়োজনে ২০ মে ২০২৬ তারিখে কারওয়ান বাজারে অবস্থিত প্রথম আলোর কার্যালয়ে ১৭৮তম অনলাইন পরামর্শ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এই সভায় উপস্থিত ছিলেন জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের সাবেক পরিচালক অধ্যাপক ডা. মোহিত কামাল। সভায় তিনি ই-সিগারেট সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য তুলে ধরেন।
তিনি জানান, ই-সিগারেট ব্যবহারের ফলে মানুষ দ্বিগুণ আসক্তিতে আক্রান্ত হচ্ছে। এর ভেতরে থাকা নিকোটিন, প্রোপাইলিন গ্লাইকল, ভেজিটেবল গ্লিসারিন ইত্যাদি রাসায়নিক উত্তপ্ত হয়ে বাষ্প তৈরি করে, যা সরাসরি ফুসফুসে প্রবেশ করে মারাত্মক ক্ষতি করে। এছাড়া এর ভেতরে নিকেল, সিসা ও ক্রোমিয়ামের মতো ভারী ধাতুর কণা পাওয়া গেছে, যা পরবর্তীতে ক্যান্সারের ঝুঁকি তৈরি করে।
তিনি আরও বলেন, ই-সিগারেটকে নিরাপদ বলার কোনো সুযোগ নেই। এটি সম্পূর্ণ ভুল ও ক্ষতিকর ধারণা যা সমাজে ছড়ানো হচ্ছে।
"ই-সিগারেট ধূমপান ছাড়ার কার্যকর বা নিরাপদ বিকল্প নয়। শুরুতে প্রচার করা হয়েছিল যে যারা ধূমপান ছাড়তে চান, তাদের জন্য এটি বিকল্প হতে পারে। কিন্তু বর্তমানে দেখা যাচ্ছে, মানুষ এটি ছাড়ার বদলে উল্টো 'ডুয়াল অ্যাডিকশন' বা দ্বিগুণ আসক্তিতে আক্রান্ত হচ্ছে। এর ভেতরে থাকা রাসায়নিক সরাসরি ফুসফুসে প্রবেশ করে মারাত্মক ক্ষতি করে। এ ছাড়া এর ভেতর নিকেল, সিসা বা ক্রোমিয়ামের মতো ভারী ধাতুর কণা পাওয়া গেছে, যা পরবর্তীতে ক্যান্সারের ঝুঁকি তৈরি করে। তাই এটিকে নিরাপদ বলার কোনো সুযোগ নেই।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কারওয়ান বাজার, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অধ্যাপক ডা. মোহিত কামাল
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০ মে ২০২৬, ১৭৮তম
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!