📌 জাপানে ইনফ্লুয়েঞ্জা মৌসুমের আগামী শুরু হয়েছে। ৪৭টি প্রশাসনিক অঞ্চলে রোগীর সংখ্যা সতর্কসীমা ছাড়িয়ে গেছে। ওকিনাওয়া প্রিফেকচারে রোগীর হার ৪২.৫০ শতাংশে পৌঁছেছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সতর্কতা জারি করেছে
জাপানে ইনফ্লুয়েঞ্জা মৌসুমের আগামী শুরু হয়েছে এবং দেশজুড়ে সংক্রমণ দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। জাপানের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ৪৭টি প্রশাসনিক অঞ্চলে (প্রিফেকচার) ইনফ্লুয়েঞ্জায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা সতর্কসীমা ছাড়িয়ে গেছে। এ বছর মৌসুমের শুরু স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় বেশ আগে হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 জাপানের ৪৭টি প্রশাসনিক অঞ্চলে ইনফ্লুয়েঞ্জা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা সতর্কসীমা ছাড়িয়ে গেছে
- 📌 গত সপ্তাহে গড়ে ৭.১৭ শতাংশ রোগী শনাক্ত হয়েছে, আগের সপ্তাহে ছিল ৮.৪৮ শতাংশ
- 📌 ওকিনাওয়া প্রিফেকচারে রোগীর হার সর্বোচ্চ ৪২.৫০ শতাংশ, যা সতর্কতার মাত্রা ৩০ শতাংশের চেয়ে বেশি
- 📌 সাইতামা (১৪.১৭%), ইবারাকি (১২.৫০%), আইচি (১২.৩৩%) ও গিফু (১০.১৮%) প্রিফেকচারে রোগীর হার সতর্কতার মাত্রা ছাড়িয়ে গেছে
- 📌 ১৯৯৯ সাল থেকে এই দ্বিতীয়বারের মতো ইনফ্লুয়েঞ্জা মৌসুমের শুরু স্বাভাবিক সময়ের আগে
- 📌 স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় হাত ধোয়ার ও কাশি-খাঁচার সময় মুখ ঢেকে রাখার আহ্বান জানিয়েছে
📰 বিস্তারিত
জাপানের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় গত শুক্রবার ঘোষণা করেছে যে, দেশের ৪৭টি প্রশাসনিক অঞ্চলে ইনফ্লুয়েঞ্জা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা সতর্কসীমা ছাড়িয়ে গেছে। এ তথ্য জানিয়েছে মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা। গত রোববার পর্যন্ত এক সপ্তাহে গড়ে ৭.১৭ শতাংশ রোগী শনাক্ত হয়েছে, যা আগের সপ্তাহের তুলনায় কম। তবে কর্মকর্তারা সতর্ক করে বলেছেন, আগের বছরগুলোর প্রবণতা বিবেচনায় নিলে এ কমে আসাটা সাময়িক হতে পারে।
ওকিনাওয়া প্রিফেকচারে রোগীর হার সর্বোচ্চ ৪২.৫০ শতাংশে পৌঁছেছে, যা সতর্কতার মাত্রা ৩০ শতাংশের চেয়ে বেশি। এরপর রয়েছে সাইতামা (১৪.১৭%), ইবারাকি (১২.৫০%), আইচি (১২.৩৩%) এবং গিফু (১০.১৮%) প্রিফেকচার। এসব অঞ্চলে রোগীর হার সতর্কতার মাত্রা ১০ শতাংশ ছাড়িয়ে গেছে।
জাপানের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সাধারণ মানুষকে হাত ধোয়ার এবং কাশির সময় মুখ ঢেকে রাখার মতো মৌলিক স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছে। এ বছর ইনফ্লুয়েঞ্জা মৌসুমের শুরু স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় বেশ আগে হয়েছে। ১৯৯৯ সাল থেকে হিসাব রাখা শুরু হওয়ার পর দ্বিতীয়বারের মতো এ বছর এত আগে ‘ফ্লু মৌসুম’ শুরু হয়েছে।
২০২৩ সালে জাপানে বছরজুড়ে ইনফ্লুয়েঞ্জায় আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা সর্বোচ্চ ছিল। এর আগে ২০০৯ সালে দেশটিতে সবচেয়ে আগে ফ্লু মৌসুম শুরু হয়েছিল। তখন ১০–১৬ আগস্ট রোগীর সংখ্যা নির্ধারিত সীমা ছাড়িয়েছিল।
"আগের বছরগুলোর প্রবণতা বিবেচনায় নিলে এ কমে আসাটা সাময়িক হতে পারে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: জাপানের ৪৭টি প্রশাসনিক অঞ্চল (প্রিফেকচার)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জাপানের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭.১৭ শতাংশ (গত সপ্তাহের গড় রোগী), ৪২.৫০ শতাংশ (ওকিনাওয়া প্রিফেকচারের রোগী হার)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!