📅 ২৪ আগস্ট ২০২৬, ৮:১৬ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকা ও মূল্য নির্ধারণ নীতির বাতিল: নতুন কাঠামো তৈরির সুযোগ

অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকা ও মূল্য নির্ধারণ নীতির বাতিল: নতুন কাঠামো তৈরির সুযোগ

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকা ২০২৬ এবং মূল্য নির্ধারণ পদ্ধতি ২০২৬ বাতিল করেছে সরকার। দীর্ঘদিন মূল্য সমন্বয় না হওয়ায় উৎপাদন ব্যয় ও নির্ধারিত মূল্যের মধ্যে ব্যবধান তৈরি হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, নতুন কমিটি গঠনের মাধ্যমে প্রমাণভিত্তিক ও টেকসই মূল্য নির্ধারণ ব্যবস্থা প্রণয়ন জরুরি

সরকার সম্প্রতি ‘অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকা ২০২৬’ এবং ‘ওষুধের মূল্য নির্ধারণ পদ্ধতি ২০২৬’ বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সূত্রমতে, এই দুই নীতির বাস্তবায়ন শুরু হওয়ার আগেই তা প্রত্যাহার করা হয়েছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, এই সিদ্ধান্তকে কাজে লাগিয়ে অতীতের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে আরও কার্যকর ও প্রমাণভিত্তিক কাঠামো তৈরির সুযোগ রয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 বাংলাদেশে ১৯৯৪ সাল থেকে অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের মূল্য নির্ধারণে কস্ট-প্লাস পদ্ধতি অনুসরণ করা হচ্ছে
  • 📌 ২০২২ সালের পর থেকে ওষুধের মূল্য সমন্বয় করা হয়নি, ফলে উৎপাদন ব্যয় ও নির্ধারিত মূল্যের মধ্যে ব্যবধান বৃদ্ধি পেয়েছে
  • 📌 অনেক ওষুধ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান উৎপাদন বন্ধ করে দিয়েছে বা লোকসানে পরিচালিত হচ্ছে
  • 📌 মূল্য সমন্বয় না হওয়ায় রোগীদের চিকিৎসা সেবা ও ওষুধশিল্পের স্থায়িত্ব হুমকির মুখে

📰 বিস্তারিত

বাংলাদেশে অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের মূল্য নির্ধারণে দীর্ঘদিন ধরে কস্ট-প্লাস পদ্ধতি অনুসরণ করা হচ্ছে। এই পদ্ধতিতে কাঁচামাল, প্যাকেজিং ব্যয় এবং একটি নির্ধারিত মার্কআপ যোগ করে ওষুধের মূল্য নির্ধারণ করা হয়। তবে ২০২২ সালের পর থেকে এই মূল্য সমন্বয় করা হয়নি। ফলে উৎপাদন ব্যয়ের সঙ্গে নির্ধারিত মূল্যের ব্যবধান ক্রমেই বাড়ছে। অনেক প্রতিষ্ঠান উৎপাদন বন্ধ করে দেওয়ায় বাজারে ওষুধের সরবরাহ কমে যাওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, মূল্য সমন্বয় না হওয়ার পেছনে রাজনৈতিক বাস্তবতাও কাজ করেছে। ওষুধের দাম বাড়ালে জনমনে নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টির আশঙ্কায় সরকার মূল্য সমন্বয়ে অনাগ্রহী ছিল। তবে অর্থনৈতিক বাস্তবতা উপেক্ষা করলে দীর্ঘমেয়াদে রোগী ও শিল্প উভয়েরই ক্ষতি হবে।

সরকার যদি নতুন করে কোনো কমিটি গঠন করে, তবে তার দায়িত্ব শুধু নতুন তালিকা তৈরিতে সীমাবদ্ধ থাকা উচিত নয়। জাতীয় ওষুধ উপদেষ্টা পরিষদের অধীনে একটি শক্তিশালী বহুবিষয়ক কারিগরি টাস্কফোর্স গঠন করা যেতে পারে। এই টাস্কফোর্স তথ্যপ্রমাণ সংগ্রহ ও বিশ্লেষণের দায়িত্ব পালন করবে।

"ওষুধ একটি বাণিজ্যিক পণ্যও। তাই কাঁচামাল, জ্বালানি, শ্রম, প্যাকেজিং, পরিবহন ও বিনিময় হারের মতো উৎপাদন ব্যয়ের পরিবর্তনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ওষুধের মূল্য সমন্বয় করা প্রয়োজন। মূল্য দীর্ঘদিন অপরিবর্তিত থাকলে নির্ধারিত মূল্য ও প্রকৃত উৎপাদন ব্যয়ের মধ্যে ব্যবধান ক্রমেই বাড়তে থাকে। একপর্যায়ে তা উৎপাদনকে নিরুৎসাহিত করে এবং বাজারে সরবরাহ কমে যাওয়ার ঝুঁকি তৈরি করে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: বাংলাদেশ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রোগী, উৎপাদক প্রতিষ্ঠান
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১১৭টি অত্যাবশ্যকীয় ওষুধ

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖