📌 নেত্রকোনার কলমাকান্দায় এক মাদ্রাসাছাত্রীকে অপহরণ ও ধর্ষণের অভিযোগে দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। অভিযুক্তরা হলেন প্রধান আসামি মো. রিফাত দেওয়ান ও তাঁর সহযোগী মো. রিমন আহম্মেদ। ঘটনায় ভুক্তভোগীর বাবা থানায় মামলা করেছেন
নেত্রকোনার কলমাকান্দায় এক মাদ্রাসাছাত্রীকে অপহরণ ও ধর্ষণের অভিযোগে করা মামলার প্রধান আসামিসহ দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। গতকাল রোববার দিবাগত রাত ২টার দিকে নেত্রকোনা সদর উপজেলার কুরপাড়া মীরবাড়ী এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 প্রধান আসামি মো. রিফাত দেওয়ান (১৯) ও তাঁর সহযোগী মো. রিমন আহম্মেদ (২৪) গ্রেপ্তার
- 📌 অভিযুক্তরা ভুক্তভোগীকে অপহরণ করে ধর্ষণ ও ছবি-ভিডিও ধারণ করেন
- 📌 ভুক্তভোগীর বাবা ১৪ আগস্ট কলমাকান্দা থানায় মামলা করেন
- 📌 ঘটনার পর অভিযুক্তরা আত্মগোপনে চলে যান
📰 বিস্তারিত
মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ভুক্তভোগী কলমাকান্দার স্থানীয় একটি মাদ্রাসার অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী। মাদ্রাসায় যাতায়াতের সময় প্রধান আসামি রিফাত তাঁকে উত্ত্যক্ত করতেন। বিষয়টি ওই শিক্ষার্থীর পরিবারের পক্ষ থেকে রিফাতের পরিবারকে জানানো হলে ক্ষিপ্ত হয়ে কিশোরীকে অপহরণের পরিকল্পনা করেন রিফাত।
৯ আগস্ট সকালে মাদ্রাসায় যাওয়ার পথে অভিযুক্ত ব্যক্তিরা জোর করে ওই কিশোরীকে একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশায় তুলে নিয়ে যান। পরে একটি অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে রিফাত তাঁকে ধর্ষণ করেন। একই সঙ্গে তাঁর আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও ধারণ করা হয় বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে। পরে ওই ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখানো হয়।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর বাবা বাদী হয়ে ১৪ আগস্ট কলমাকান্দা থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন এবং সাইবার সুরক্ষা আইনে মামলা করেন। র্যাব-১৪-এর মিডিয়া কর্মকর্তা সহকারী পুলিশ সুপার এ এন এম সাইফুজ্জামান জানান, মামলা হওয়ার পর অভিযুক্ত ব্যক্তিরা আত্মগোপনে চলে যান।
"গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গতকাল রাতে কুরপাড়া মীরবাড়ী এলাকায় অভিযান চালিয়ে দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাঁদের কলমাকান্দা থানায় হস্তান্তর করা হয়।"
কলমাকান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোস্তাফিজুর রহমান জানান, র্যাবের কাছ থেকে গ্রেপ্তার আসামিদের গ্রহণের পর তাঁদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কুরপাড়া মীরবাড়ী এলাকা, কলমাকান্দা, নেত্রকোনা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. রিফাত দেওয়ান, মো. রিমন আহম্মেদ, ভুক্তভোগীর বাবা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২ জন আসামি, ৯ আগস্ট ঘটনা ঘটে, ১৪ আগস্ট মামলা হয়
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!