📌 খুলনা বিভাগে ডেঙ্গু সংক্রমণ ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ২১৫ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। চলতি বছরে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ৬০৪ জনে। মৃত্যু হয়েছে ১৬ জনের।
খুলনা বিভাগে ডেঙ্গু সংক্রমণের প্রকোপ ক্রমেই বৃদ্ধি পাচ্ছে। স্বাস্থ্য বিভাগের সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় বিভাগটিতে নতুন করে ২১৫ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে সরকারি হাসপাতালে ভর্তি হন ১৮১ জন এবং বেসরকারি হাসপাতালে ৩৪ জন। একই সময়ে বিভাগটিতে নতুন কোনো মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 খুলনা বিভাগে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ২১৫ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হন
- 📌 সরকারি হাসপাতালে ভর্তি হন ১৮১ জন, বেসরকারি হাসপাতালে ৩৪ জন
- 📌 চলতি বছরে খুলনা বিভাগে মোট ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা ৪ হাজার ৬০৪ জন
- 📌 খুলনা বিভাগে মৃত্যু হয়েছে ১৬ জনের
- 📌 খুলনা জেলায় সংক্রমণের হার সবচেয়ে বেশি — এখন পর্যন্ত ১ হাজার ৪৬২ জন আক্রান্ত
📰 বিস্তারিত
খুলনা বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. শেখ মো. মোশারফ হোসেন জানান, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে অদ্যাবধি খুলনা বিভাগে মোট ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ৬০৪ জনে। এর মধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৩ হাজার ৯৪২ জন এবং বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ৫৭১ জন রোগী। জেলাভিত্তিক পরিসংখ্যানে দেখা যায়, খুলনা জেলায় সংক্রমণের হার সবচেয়ে বেশি। এই জেলায় এখন পর্যন্ত ১ হাজার ৪৬২ জন আক্রান্ত হয়েছেন এবং বর্তমানে ২৩১ জন হাসপাতালে ভর্তি আছেন।
খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মো. আখতারুজ্জামান বলেন, ‘হাসপাতালে প্রতিদিন যে পরিমাণে ডেঙ্গু রোগী আসছে, সে পরিমাণ বেড নেই। বারান্দায়ও রোগী রাখা সম্ভব হচ্ছে না।’ তিনি আরও জানান, সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতাল মিলিয়ে মোট ৫৭৫ জন রোগী বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
খুলনা জেলার বাসিন্দা শাহাব উদ্দিনের স্ত্রী জানান, রোববার বিকেল ৩টার দিকে তার স্বামী বাসা থেকে বের হন। তিনি তার নাতনিকে দেখে রাখার কথা বলে ঘর থেকে বেরিয়ে যান। পরে রাতে তারা জানতে পারেন যে, শাহাব উদ্দিনকে গলা কেটে হত্যা করে রাস্তার পাশে ফেলে যাওয়া হয়েছে।
‘হাসপাতালে প্রতিদিন যে পরিমাণে ডেঙ্গু রোগী আসছে, সে পরিমাণ বেড নেই। বারান্দায়ও রোগী রাখা সম্ভব হচ্ছে না।’ — ডা. মো. আখতারুজ্জামান, তত্ত্বাবধায়ক, খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: খুলনা বিভাগ
- 👥 মুখ্য ব্যক্তি: ডা. শেখ মো. মোশারফ হোসেন, ডা. মো. আখতারুজ্জামান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২১৫ জন (নতুন ভর্তি), ৪ হাজার ৬০৪ জন (মোট আক্রান্ত), ১৬ জন (মৃত্যু)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!