📅 ৫ নভেম্বর ২০২৬, ১০:১৭ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ধর্মপাশা হাসপাতালে অব্যবহৃত যন্ত্রপাতি ও শূন্য চিকিৎসক: হাওরাঞ্চলের ৩ লাখ মানুষের স্বাস্থ্যসেবা সংকট

ধর্মপাশা হাসপাতালে অব্যবহৃত যন্ত্রপাতি ও শূন্য চিকিৎসক: হাওরাঞ্চলের ৩ লাখ মানুষের স্বাস্থ্যসেবা সংকট

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৫০ শয্যা ও আধুনিক যন্ত্রপাতি থাকা সত্ত্বেও চিকিৎসক ও জনবলের অভাবে স্বাস্থ্যসেবা বন্ধ। প্রতি মাসে ৬০ জন প্রসূতির অস্ত্রোপচার না হওয়ায় রোগীদের নেত্রকোনা-মোহনগঞ্জে পাঠাতে হয়, যেখানে পরিবারগুলো ২৫-৩৫ হাজার টাকা খরচ করতে বাধ্য

সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আধুনিক যন্ত্রপাতি ও ৫০ শয্যা থাকা সত্ত্বেও চিকিৎসক ও দক্ষ জনবলের অভাবে হাওরাঞ্চলের তিন লাখাধিক মানুষের স্বাস্থ্যসেবা বন্ধে পড়েছে। প্রতিদিন ৪০০ থেকে ৪৫০ জন রোগী চিকিৎসা নিতে আসলেও মাত্র ১১ জন চিকিৎসক নিয়ে সেবা প্রদান করা হচ্ছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ৫০ শয্যা ও আধুনিক যন্ত্রপাতি থাকা সত্ত্বেও ধর্মপাশা হাসপাতালে চিকিৎসক ও জনবলের অভাবে স্বাস্থ্যসেবা বন্ধে পড়েছে।
  • 📌 ৩৬টি চিকিৎসক পদের মধ্যে ২৫টি শূন্য — গাইনি, সার্জারি, মেডিসিন ও অ্যানেসথেসিয়া বিভাগে কোনো জুনিয়র কনসালট্যান্ট নেই।
  • 📌 প্রতি মাসে ৬০ জন প্রসূতির অস্ত্রোপচার না হওয়ায় রোগীদের নেত্রকোনা বা মোহনগঞ্জের হাসপাতালে পাঠাতে হয়, যেখানে পরিবারগুলো ২৫-৩৫ হাজার টাকা অতিরিক্ত খরচ করতে বাধ্য।
  • 📌 ডায়রিয়া রোগীদের ঠাঁই পায় না — বারান্দা ও মেঝেতে শুয়ে থাকতে হয়।
  • 📌 স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও মন্ত্রণালয়ের বারবার লিখিত আহ্বান সত্ত্বেও কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

📰 বিস্তারিত

সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হাওরাঞ্চলের তিন লাখাধিক মানুষের প্রধান স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র। কিন্তু অবকাঠামো ও আধুনিক যন্ত্রপাতি থাকা সত্ত্বেও চিকিৎসক ও জনবলের অভাবে সেবা বন্ধে পড়েছে। ২০১৫ সালে হাসপাতালটিকে ৫০ শয্যায় উন্নীত করা হলেও চিকিৎসক ও জনবল বাড়ানো হয়নি। ৩৬টি অনুমোদিত চিকিৎসক পদের মধ্যে ২৫টি শূন্য। গাইনি, সার্জারি, মেডিসিন ও অ্যানেসথেসিয়া বিভাগে কোনো জুনিয়র কনসালট্যান্ট নেই।

প্রতিদিন ৪০০ থেকে ৪৫০ জন রোগী চিকিৎসা নিতে আসেন, কিন্তু মাত্র ১১ জন চিকিৎসক নিয়ে সেবা প্রদান করা হচ্ছে। এক্স-রে ও আলট্রাসনোগ্রাম সেবা বন্ধ থাকায় রোগীদের বাইরে থেকে পরীক্ষা করাতে হচ্ছে। প্রসূতিসেবার ক্ষেত্রে প্রতি মাসে গড়ে ৬০ জন রোগীর অস্ত্রোপচার না হওয়ায় তাদের নেত্রকোনা বা মোহনগঞ্জের হাসপাতালে পাঠাতে হয়। এই যাতায়াত ও অস্ত্রোপচার বাবদ পরিবারগুলোকে ২৫ থেকে ৩৫ হাজার টাকা খরচ করতে হয়।

ডায়রিয়া রোগীদের জন্য আলাদা ওয়ার্ড না থাকায় তাদের ঠাঁই পায় না। তারা বারান্দা বা মেঝেতে শুয়ে থাকতে বাধ্য হন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও মন্ত্রণালয়কে বারবার লিখিতভাবে জানানো সত্ত্বেও কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

"আমাদের নীতিনির্ধারকরা কেন বুঝতে চান না, শুধু অবকাঠামো নির্মাণ বা কোটি কোটি টাকার আধুনিক যন্ত্রপাতি কিনে ফেলে রাখলেই স্বাস্থ্যসেবার মান বাড়ে না; সেই যন্ত্রপাতি চালানোর উপযোগী দক্ষ জনবলও সুনিশ্চিত করতে হয়।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ধর্মপাশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, সুনামগঞ্জ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রোগী, চিকিৎসক, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর কর্মকর্তা
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫০ শয্যা, ৩৬টি চিকিৎসক পদ, ২৫টি শূন্য পদ, ৪০০-৪৫০ জন দৈনিক রোগী, ৬০ জন মাসিক প্রসূতি, ২৫-৩৫ হাজার টাকা অতিরিক্ত খরচ

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖