📅 ৫ নভেম্বর ২০২৬, ১০:১৭ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

কোরআন পাঠে ফেরেশতাদের উপস্থিতি: সাহাবি উসাইদ ইবনে হুজাইরের অলৌকিক ঘটনা

কোরআন পাঠে ফেরেশতাদের উপস্থিতি: সাহাবি উসাইদ ইবনে হুজাইরের অলৌকিক ঘটনা

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 কোরআন পাঠের সময় ফেরেশতারা উপস্থিত হওয়ার অলৌকিক ঘটনা ঘটে সাহাবি উসাইদ ইবনে হুজাইরের জীবনে। নবীজির ব্যাখ্যা অনুযায়ী, কোরআনের বাণী শুনতে তারা আকাশ থেকে নেমে এসেছিলেন

কোরআনের বাণী শুনতে ফেরেশতারা আকাশ থেকে নেমে আসার অলৌকিক ঘটনা ঘটে সাহাবি উসাইদ ইবনে হুজাইরের জীবনে। এক রাতে তিনি সুরা বাকারা পাঠ করছিলেন, যখন ঘোড়াটি অস্থির হয়ে উঠলে তিনি দেখেন আকাশ থেকে আলোকিত শামিয়ানার মতো একটি দৃশ্য। সেই ঘটনার বিস্তারিত তিনি নবীজির কাছে বর্ণনা করেন, যিনি ব্যাখ্যা দেন যে ফেরেশতারা তাঁর কোরআন পাঠ শুনতে উপস্থিত ছিলেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 সাহাবি উসাইদ ইবনে হুজাইর (রা.) এক রাতে সুরা বাকারা পাঠ করছিলেন, যখন ঘোড়াটি অস্থির হয়ে উঠলে তিনি দেখেন মাথার ওপর আলোর শামিয়ানা ভাসছে, যা ধীরে ধীরে উঠে গেল।
  • 📌 নবীজি (সা.) বলেন, ফেরেশতারা তাঁর কোরআন পাঠ শুনতে নেমে এসেছিলেন, কিন্তু তিনি পড়া বন্ধ করলে তারা দৃষ্টির আড়ালে চলে গেলেন।
  • 📌 নবীজি (সা.) বলেন, কোরআন পাঠের সময় ফেরেশতারা উপস্থিত হন, কিন্তু মানুষ তাদের দেখতে পায় না।
  • 📌 কোরআনের মজলিশে রহমত নাজিল হয়, ফেরেশতারা ঘিরে রাখেন এবং আল্লাহ তাঁর কাছের ফেরেশতাদের সামনে তাদের কথা আলোচনা করেন।
  • 📌 সাহাবি উসাইদ (রা.) গভীর রাতে একা পড়ছিলেন, যেখানে মানুষের প্রশংসা বা দেখানোর কোনো উদ্দেশ্য ছিল না।

📰 বিস্তারিত

সাহাবি উসাইদ ইবনে হুজাইর (রা.) আনসার সাহাবিদের একজন ছিলেন। এক রাতে তিনি ঘোড়ার আস্তাবলের কাছে বসে সুরা বাকারা পাঠ করছিলেন। তার ছোট ছেলে ইয়াহইয়া পাশেই শুয়ে ছিলেন। হঠাৎ ঘোড়াটি লাফাতে শুরু করলে তিনি পড়া থামিয়ে দিলেন। ঘোড়াটি শান্ত হলেও কিছুক্ষণ পর আবার অস্থির হয়ে উঠলে তিনি আবার থেমে গেলেন। তৃতীয়বার ঘটনা ঘটলে তিনি আশঙ্কা করলেন ঘোড়াটি ছেলেকে পায়ের নিচে পিষে ফেলতে পারে। তখনই তিনি দেখেন মাথার ওপর আলোর শামিয়ানা ভাসছে, যা ধীরে ধীরে উঠে গেল। সকালে তিনি নবীজির কাছে ঘটনাটি বর্ণনা করলেন।

নবীজি (সা.) বলেন, ‘হে ইবনে হুজাইর, তুমি পড়তে থাকতে’। উসাইদ জানালেন, ছেলের নিরাপত্তার কথা ভেবেই তিনি থেমে গিয়েছিলেন। নবীজি আবার বলেন, ‘তুমি পড়তে থাকতে’। এরপর তিনি আলোকিত দৃশ্যের কথা বললেন। নবীজি ব্যাখ্যা দেন, ‘তারা ফেরেশতা। তোমার কোরআন পাঠ শুনতে নেমে এসেছিলেন। তুমি পড়তে থাকলে ওরা ভোর পর্যন্ত থাকত, মানুষও ওদের দেখতে পেত, ওরা মানুষের দৃষ্টির আড়াল হতো না’।

কোরআনের মজলিশে রহমত নাজিল হয়, ফেরেশতারা ঘিরে রাখেন এবং আল্লাহ তাঁর কাছের ফেরেশতাদের সামনে তাদের কথা আলোচনা করেন। এই ঘটনা ইঙ্গিত দেয় যে, কোরআনের বাণী শুনতে ফেরেশতারা আকৃষ্ট হন। নবীজি (সা.) বলেছেন, যখন কিছু মানুষ আল্লাহর ঘরে জড়ো হয়ে কোরআন পড়ে এবং একে অপরকে শেখায়, তখন তাদের ওপর প্রশান্তি নাজিল হয়।

"হে ইবনে হুজাইর, তুমি পড়তে থাকতে। তোমার কোরআন পাঠ শুনতে নেমে এসেছিলেন ফেরেশতারা। তুমি পড়তে থাকলে ওরা ভোর পর্যন্ত থাকত, মানুষও ওদের দেখতে পেত।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: মদিনা (নবীজির ঘর)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সাহাবি উসাইদ ইবনে হুজাইর (রা.), নবী মুহাম্মদ (সা.)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩ বার ঘোড়া অস্থির হয়ে উঠে

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖