📌 ফরিদপুরে ডেঙ্গু আক্রান্ত ৭০ বছর বয়সী নুরুন নাহার বেগমের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে ডেঙ্গুর উপসর্গ নিয়ে নতুন করে ২০ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন
ফরিদপুরে ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৭০ বছর বয়সী নুরুন নাহার বেগমের জীবন হারিয়েছেন। সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) সকালে জেলার স্বাস্থ্যবিভাগ থেকে জারি করা প্রেস নোটে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে এবং জানানো হয়েছে যে গত ২৪ ঘন্টায় ডেঙ্গুর উপসর্গ নিয়ে ২০ জন নতুন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 নুরুন নাহার বেগম (৭০) ৫ সেপ্টেম্বর রাত সাড়ে ৮টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন।
- 📌 মৃত রোগী নগরকান্দা উপজেলার কাইচাইল ইউনিয়নের সুতরকান্দা গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন এবং ৪ সেপ্টেম্বর ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন।
- 📌 বর্তমানে জেলার বিভিন্ন হাসপাতালে ডেঙ্গু আক্রান্ত ৫২ জন রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
- 📌 চলতি সময়ে ফরিদপুরে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মোট ৩০৯ জন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন, যার মধ্যে ২৫৪ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন এবং দুই জন মৃত্যুবরণ করেছেন।
📰 বিস্তারিত
সিভিল সার্জন ডা. মাহমুদুল হাসান এই নারীর মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি ডেঙ্গু প্রতিরোধে সবার সচেতনতা বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তা জোর দিয়ে বলেন, বাড়ির আশপাশে জমে থাকা পানি দ্রুত অপসারণ, মশার প্রজননস্থল ধ্বংস এবং দিনের বেলাতেও মশারি অথবা মশা প্রতিরোধী ব্যবস্থা ব্যবহার করা অপরিহার্য।
স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন যে ডেঙ্গুর উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। রোগীকে পর্যাপ্ত পানি এবং তরল খাবার গ্রহণ করতে হবে এবং চিকিৎসকের নির্দেশনা অনুযায়ী পরীক্ষা ও চিকিৎসা নিতে হবে।
জেলা প্রশাসক মো. মাজহারুল ইসলাম জানান, ডেঙ্গু প্রতিরোধে জেলার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে বিভিন্ন প্রচারণা চালানো হচ্ছে। জেলা স্বাস্থ্যবিভাগ, স্থানীয় প্রশাসন এবং পৌরসভা যৌথভাবে মশার প্রজননস্থল ধ্বংসে সমন্বিত কার্যক্রম আরও জোরদার করা হয়েছে।
"ডেঙ্গু প্রতিরোধে সবাইকে সচেতন হতে হবে। বিশেষ করে বাড়ির আশপাশে জমে থাকা পানি দ্রুত অপসারণ, মশার প্রজননস্থল ধ্বংস এবং দিনের বেলাতেও মশারি বা মশা প্রতিরোধী ব্যবস্থা ব্যবহার করতে হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ফরিদপুর জেলা, নগরকান্দা উপজেলা, কাইচাইল ইউনিয়ন, সুতরকান্দা গ্রাম
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: নুরুন নাহার বেগম (মৃত রোগী); ডা. মাহমুদুল হাসান (সিভিল সার্জন); মো. মাজহারুল ইসলাম (জেলা প্রশাসক)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: মোট ডেঙ্গু রোগী (৩০৯ জন), বর্তমানে চিকিৎসাধীন (৫২ জন), সুস্থ হয়ে বাড়ি ফেরা (২৫৪ জন), মোট মৃত (২ জন), নতুন ভর্তি (২০ জন)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!