📌 বাংলাদেশে চলতি বছর অক্টোবরে ডেঙ্গুতে সর্বোচ্চ মৃত্যু (১৭৩ জন) ঘটে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ডিসেম্বর আগে সংকটের অবসান সম্ভাব্য নয়। ১ লাখ ৩৩ হাজার রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, জলবায়ু পরিবর্তন মশার প্রজনন মৌসুম দীর্ঘ করছে
বাংলাদেশে ডেঙ্গুর সংকটের অবসান ডিসেম্বর আগে সম্ভাব্য নয়। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন, চলতি বছরের মধ্যে অক্টোবরে সর্বোচ্চ মৃত্যু (১৭৩ জন) ঘটে এবং নভেম্বর-ডিসেম্বর পর্যন্ত সংক্রমণ অব্যাহত থাকতে পারে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত ৪১৮ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং ১ লাখ ৩৩ হাজার রোগী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত ৪১৮ জন ডেঙ্গুতে মৃত্যু — এ বছর সর্বোচ্চ মৃত্যু অক্টোবরে (১৭৩ জন)
- 📌 ঢাকার শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেলে ২৭৯ রোগী চিকিৎসাধীন, একদিনে ৬৭ নতুন ভর্তি
- 📌 ডেঙ্গুতে বারবার আক্রান্ত হওয়ায় গুরুতর জটিলতা বাড়ছে: মেডিসিন বিশেষজ্ঞ এম আবদুল্লাহ
- 📌 জলবায়ু পরিবর্তন মশার প্রজনন মৌসুম দীর্ঘ করছে: কবিরুল বাশার
- 📌 ডিসেম্বর আগে পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য উন্নতি সম্ভাব্য নয়: বিশেষজ্ঞদের সতর্কতা
📰 বিস্তারিত
বাংলাদেশে ডেঙ্গুর প্রকোপ এখনও অব্যাহত। বিশেষজ্ঞরা জানান, ডিসেম্বর আগে সংকটের অবসান সম্ভাব্য নয়। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরে ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত ৪১৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ বছর ডেঙ্গুতে সর্বোচ্চ মৃত্যু ঘটেছে অক্টোবরে — ১৭৩ জন। সেপ্টেম্বরে এ সংখ্যা ছিল ১৪৮। এদিকে, বাংলাদেশ বিশ্বের সবচেয়ে ভয়াবহ হামের প্রাদুর্ভাব মোকাবিলা করছে — এতে ১ হাজার ২০০ জনের বেশি মৃত্যু হয়েছে।
হাসপাতালগুলোতে চাপ বেড়েছে। ঢাকার শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের পরিচালক মির্জা গোলাম সারওয়ার বলেন, ‘আমরা অনেক রোগীকে শক অবস্থায় আসতে দেখছি। তাদের রক্তচাপ মাপা যাচ্ছে না এবং রক্তে অক্সিজেনের মাত্রাও কমে যাচ্ছে।’ মেডিসিন বিশেষজ্ঞ এম আবদুল্লাহ জানান, ডেঙ্গুতে বারবার আক্রান্ত হওয়া এবং চিকিৎসায় দেরি হওয়ায় গুরুতর অসুস্থতা ও মৃত্যুর ঘটনা বাড়ছে।
৩৩ বছর বয়সী ঢাকাবাসী ফয়সাল ফেরদৌস ২০১৭ ও ২০২৪ সালে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছিলেন। চলতি মাসেও তিনি আক্রান্ত হন। তিনি বলেন, ‘এবার আমি ও আমার স্ত্রী দুজনেরই হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে হয়েছে। প্রতিবারই ডেঙ্গু আক্রান্ত হওয়ার অভিজ্ঞতা কঠিন ছিল। বারবার আক্রান্ত হওয়ায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ার ঝুঁকি নিয়ে উদ্বেগ আরও বেড়ে যায়।’
"আমরা অনেক রোগীকে শক অবস্থায় আসতে দেখছি। তাঁদের রক্তচাপ কখনো কখনো এতটাই কমে যাচ্ছে যে, তা মাপা যাচ্ছে না। তাঁদের রক্তে অক্সিজেনের মাত্রাও কমে যাচ্ছে।" — মির্জা গোলাম সারওয়ার, শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেলের পরিচালক
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: এম আবদুল্লাহ, মির্জা গোলাম সারওয়ার, ফয়সাল ফেরদৌস, কবিরুল বাশার
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪১৮ জন মৃত্যু (৩০ অক্টোবর পর্যন্ত), ১ লাখ ৩৩ হাজার রোগী হাসপাতালে ভর্তি, ২৭৯ রোগী শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেলে, ৬৭ নতুন ভর্তি একদিনে
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!