📌 প্রাচীন লিডিয়া থেকে স্বাধীন বাংলাদেশের মুদ্রা ও নোটের বিবর্তন নিয়ে ঢাকার মাইডাস সেন্টারে অনুষ্ঠিত হয়েছে বাংলাদেশ নিউমিসম্যাটিক কালেক্টরস সোসাইটির ষষ্ঠ মুদ্রা প্রদর্শনী। ৪৩ জন সংগ্রাহকের ৬১টি বিষয়ভিত্তিক সংগ্রহে বিশ্বের সভ্যতার ইতিহাস তুলে ধরা হয়েছে
বিশ্বের বিভিন্ন সভ্যতার অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক ইতিহাসের গভীরে নেমে গেছে মুদ্রা ও নোটের গল্প। ঢাকার মাইডাস সেন্টারে অনুষ্ঠিত হয়েছে বাংলাদেশ নিউমিসম্যাটিক কালেক্টরস সোসাইটির ষষ্ঠ মুদ্রা প্রদর্শনী ২০২৬। এই প্রদর্শনীতে প্রাচীন লিডিয়া থেকে শুরু করে স্বাধীন বাংলাদেশের মুদ্রা ও নোটের বিবর্তন, নকশা এবং সাংস্কৃতিক তাৎপর্য তুলে ধরা হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৪৩ জন সংগ্রাহক তাদের ৬১টি বিষয়ভিত্তিক সংগ্রহ নিয়ে প্রদর্শনীতে অংশ নিয়েছেন, যেখানে প্রাচীন লিডিয়া থেকে বাংলাদেশের মুদ্রার বিবর্তন তুলে ধরা হয়েছে।
- 📌 প্রদর্শনীতে প্রথমবারের মতো প্রকাশিত হয়েছে মুদ্রাবিষয়ক গবেষণাধর্মী জার্নাল 'বিএনসিএস জার্নাল'।
- 📌 সুদীপ্ত পালের সংগ্রহে প্রাচীন লিডিয়া থেকে ঢাকার নামের বিবর্তন (ঢাকা → জাহাঙ্গীরনগর → ঢাকা) তুলে ধরা হয়েছে।
- 📌 ৪০ বছর ধরে কার্যক্রম পরিচালনা করছে সংগঠনটি, যা ২০০৮ সাল থেকে নিয়মিত মুদ্রা প্রদর্শনী আয়োজন করে আসছে।
- 📌 প্রদর্শনীতে গান্ধার, মগধ, মৌর্য, কুষাণ, মোগল, ব্রিটিশ, পাকিস্তান থেকে বাংলাদেশের মুদ্রার বিবর্তন দেখানো হয়েছে।
📰 বিস্তারিত
এই প্রদর্শনীতে মুদ্রা ও নোটের ইতিহাসের নানা অধ্যায় তুলে ধরা হয়েছে। ৪৩ জন সংগ্রাহক তাদের ব্যক্তিগত সংগ্রহে বিশ্বের বিভিন্ন সভ্যতার মুদ্রা ও নোটের বিবর্তন উপস্থাপন করেছেন। প্রদর্শনীতে ৬১টি বিষয়ভিত্তিক সংগ্রহ প্রদর্শিত হয়েছে, যেখানে প্রাচীন লিডিয়ার মুদ্রা থেকে শুরু করে বাংলাদেশের স্বাধীনতার পরের মুদ্রা পর্যন্ত সময়ের ধারাবাহিকতা দেখা গেছে।
সুদীপ্ত পালের সংগ্রহে বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য 'লিডিয়া টু জাহাঙ্গীরনগর'। এই সংগ্রহে প্রাচীন লিডিয়ার মুদ্রা থেকে শুরু করে বাংলাদেশের মুদ্রার বিবর্তন ধারাবাহিকভাবে উপস্থাপিত হয়েছে। এতে গান্ধার, মগধ, বঙ্গ, সমতট, মৌর্য, কুষাণ, গুপ্ত, দিল্লি সালতানাত, বাংলার সুলতানি আমল, মোগল শাসন, ব্রিটিশ সাম্রাজ্য, পাকিস্তান এবং স্বাধীন বাংলাদেশের মুদ্রা তুলে ধরা হয়েছে।
প্রদর্শনীতে প্রথমবারের মতো প্রকাশিত হয়েছে মুদ্রাবিষয়ক গবেষণাধর্মী জার্নাল 'বিএনসিএস জার্নাল'। এই জার্নালের মাধ্যমে মুদ্রা সংগ্রহের পাশাপাশি গবেষণা, তথ্য সংরক্ষণ ও জ্ঞানচর্চাকে এগিয়ে নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
বাংলাদেশ নিউমিসম্যাটিক কালেক্টরস সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক এন এম আমিন জানান, সংগঠনটি ২০০৮ সাল থেকে কার্যক্রম পরিচালনা করছে। তারা ৪০ বছর ধরে মুদ্রা সংগ্রহের চর্চা এবং সংগ্রাহকদের একত্রিত করার লক্ষ্যে কাজ করছে। প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলের সংগ্রাহক যারা তাদের ব্যক্তিগত সংগ্রহের মাধ্যমে ইতিহাসের গল্প তুলে ধরেছেন।
"মুদ্রা সংগ্রহ কেবল শখের বিষয় নয়; এটি ইতিহাস জানার একটি কার্যকর মাধ্যম। কোনো দেশের শাসক পরিবর্তনের পর নতুন মুদ্রা প্রচলনের মাধ্যমে নিজের শাসন ও কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করতেন। মুদ্রায় থাকা শাসকের নাম, সাল, লিপি ও প্রতীক থেকে সেই সময়ের শাসনব্যবস্থা, ধর্মীয় বিশ্বাস, অর্থনীতি এবং রাজনৈতিক পরিস্থিতি বোঝা যায়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকার মাইডাস সেন্টার
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সুদীপ্ত পাল, এন এম আমিন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪৩ জন সংগ্রাহক, ৬১টি বিষয়ভিত্তিক সংগ্রহ
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!