📅 ২ নভেম্বর ২০২৬, ৮:৪৫ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

দরুদ শরিফ পাঠের ফজিলত ও কখন পড়তে হয়: কোরআন ও হাদিসের আলোকে

দরুদ শরিফ পাঠের ফজিলত ও কখন পড়তে হয়: কোরআন ও হাদিসের আলোকে

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 দরুদ শরিফ পাঠের গুরুত্ব ও ফজিলত সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। কোরআনে দরুদ পাঠের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে এবং হাদিসে এর ফজিলত বর্ণিত হয়েছে। বিশেষ কিছু সময়ে দরুদ পাঠের নিয়মও উল্লেখ করা হয়েছে

দরুদ শরিফ পাঠের অপরিসীম ফজিলত ও কোরআন ও হাদিসে বর্ণিত নিয়মাবলি সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। পবিত্র কোরআনের ‘সুরা আহজাব’-এ আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেছেন যে, নবীজি হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর ওপর রহমত অবতীর্ণ হওয়ার পর ফেরেশতারা তাঁর জন্য দোয়া করেন। তাই মুমিনগণকে তাঁর প্রতি দরুদ পাঠের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 দরুদ শব্দের অর্থ ‘শুভকামনা’ বা ‘কল্যাণ প্রার্থনা’; নবীজির প্রতি শুভকামনা প্রকাশ করাকে দরুদ বলা হয়
  • 📌 দোয়া কবুলের শর্ত হিসেবে দোয়ার শুরু ও শেষে দরুদ পাঠ করা অত্যন্ত জরুরি
  • 📌 দরুদ পাঠের ফজিলত: একবার পাঠ করলে আল্লাহ তাআলা দশবার রহমত বর্ষণ করেন, দশটি গুনাহ ক্ষমা করেন ও মর্যাদা বৃদ্ধি করেন
  • 📌 কিয়ামত দিবসে দরুদ পাঠের পরিমাণ অনুযায়ী নবীজির কাছে অবস্থান নির্ধারিত হবে
  • 📌 নবীজির নাম উচ্চারিত হলেও দরুদ না পড়লে ব্যক্তিকে কৃপণ ও দুর্ভাগা বলা হয়েছে
  • 📌 বিশেষ সময়ে দরুদ পাঠের নিয়ম: নামাজের দ্বিতীয় রাকাত ও শেষ বৈঠকে, আজানের পর, মসজিদে প্রবেশের সময়, মদিনায় রওজা জিয়ারতের সময়, দোয়া করার আগে-পরে, বিপদ-আপদে ইত্যাদি

📰 বিস্তারিত

দরুদ শব্দটি ফারসি শব্দ ‘দরুদ’ থেকে এসেছে, যার অর্থ শুভকামনা বা কল্যাণ প্রার্থনা। ইসলামে নবীজি হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর প্রতি শুভকামনা প্রকাশ করাকে দরুদ বলা হয়। কোরআনে আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেছেন, ‘নিশ্চয় আল্লাহ নবীর ওপর রহমত অবতীর্ণ করেন এবং ফেরেশতারা তাঁর জন্য রহমতের দোয়া করেন। সুতরাং হে মুমিনগণ! তোমরাও তাঁর প্রতি দরুদ পড়ো এবং অধিক পরিমাণে সালাম পাঠাও’ (সুরা আহজাব: ৫৬)।

হাদিসে বর্ণিত হয়েছে যে, দোয়া কবুলের শর্ত হিসেবে দোয়ার শুরুতে ও শেষে দরুদ পাঠ করা অত্যন্ত জরুরি। হজরত ওমর ফারুক (রা.) বলেছেন, দোয়া ততক্ষণ পর্যন্ত আকাশ ও পৃথিবীর মাঝখানে আটকে থাকে, যতক্ষণ না নবীজির ওপর দরুদ পড়া হয়।

দরুদ পাঠের ফজিলত সম্পর্কে বর্ণিত হয়েছে যে, যে ব্যক্তি একবার দরুদ পাঠ করবে, আল্লাহ তাআলা তার ওপর দশবার রহমত বর্ষণ করবেন, তার দশটি গুনাহ ক্ষমা করবেন এবং মর্যাদার দশটি স্তর বৃদ্ধি করে দেবেন। কিয়ামত দিবসে ওই ব্যক্তিই নবীজির সবচেয়ে কাছাকাছি থাকবে, যে দুনিয়াতে তাঁর ওপর বেশি বেশি দরুদ পাঠ করবে। অন্যদিকে, যে ব্যক্তির সামনে নবীজির নাম উচ্চারিত হয় অথচ সে দরুদ পড়ে না, হাদিসের ভাষায় সে কৃপণ ও দুর্ভাগা।

দরুদ শরিফ পাঠের বিশেষ সময়গুলো হলো: দুই রাকাত বিশিষ্ট নামাজের দ্বিতীয় রাকাতে এবং চার রাকাতবিশিষ্ট নামাজের শেষ বৈঠকে তাশাহুদের পর, নবীজির নাম শুনলে বা উচ্চারণ করলে, যেকোনো দোয়া করার আগে ও পরে, কোনো মজলিশ বা বৈঠক থেকে ওঠার আগে, আজানের পর নির্ধারিত দোয়া পড়ার আগে, মসজিদে প্রবেশের সময় এবং মদিনায় রওজা জিয়ারতের সময়। এছাড়াও, কোনো বই, চিঠি বা লেখালেখির শুরুতে, বিপদ-আপদ, বালা-মুসিবতে দরুদ পাঠ করা সুন্নত।

"নিশ্চয় আল্লাহ নবীর ওপর রহমত অবতীর্ণ করেন এবং ফেরেশতারা তাঁর জন্য রহমতের দোয়া করেন। সুতরাং হে মুমিনগণ! তোমরাও তাঁর প্রতি দরুদ পড়ো এবং অধিক পরিমাণে সালাম পাঠাও।" (সুরা আহজাব: ৫৬)

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: মদিনা
  • 👥 মুখ্য ব্যক্তি: হজরত মুহাম্মদ (সা.), হজরত ওমর ফারুক (রা.), ফেরেশতারা, মুমিনগণ
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫৬ (সুরা আহজাব), ১০ (রহমত, গুনাহ, মর্যাদা)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖