📅 ২ নভেম্বর ২০২৬, ৯:৪৫ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

বুধদেবের ১০৮টি মন্দির নির্মাণে অংশ নেয় লক্ষাধিক ভোলেন্টিয়ার, ভুটানের ‘মাইন্ডফুলনেস সিটি’ উদ্বোধন

বুধদেবের ১০৮টি মন্দির নির্মাণে অংশ নেয় লক্ষাধিক ভোলেন্টিয়ার, ভুটানের ‘মাইন্ডফুলনেস সিটি’ উদ্বোধন

📷 ছবি: আল জাজিরা

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Al Jazeera ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ভুটানের নতুন ‘মাইন্ডফুলনেস সিটি’ প্রকল্পে ১০৮টি বৌদ্ধ মন্দির নির্মাণে অংশ নেয় ৪০ হাজার ভোলেন্টিয়ার। রাজা জিগমে খেসার নামগ্যেল ওয়াংচুক বলেন, ‘একদিনে ১০৮টি মন্দির নির্মাণের উদ্যোগ সফল হয়েছে’। প্রকল্পে ভারতের গৌতম আদানি ও ক্রিপ্টোকারেন্সি অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

ভুটানের নতুন ‘মাইন্ডফুলনেস সিটি’ প্রকল্পের অংশ হিসেবে ১০৮টি বৌদ্ধ মন্দির নির্মাণে অংশ নেয় ৪০ হাজার ভোলেন্টিয়ার। এই ১৫ মিটার উচ্চতাবিশিষ্ট মন্দিরগুলো ভারতের সীমান্তে অবস্থিত গেলেফু নদী তীরে স্থাপন করা হয়েছে। বৌদ্ধধর্মে ১০৮ একটি পবিত্র সংখ্যা। এই প্রকল্পের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রায় ২ লক্ষ মানুষ অংশ নেয়, যা দেশের জনসংখ্যার প্রায় এক চতুর্থাংশ।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ভুটানের রাজা জিগমে খেসার নামগ্যেল ওয়াংচুক বলেন, ‘একদিনে ১০৮টি মন্দির নির্মাণের উদ্যোগ সফল হয়েছে’।
  • 📌 ৪০ হাজার ভোলেন্টিয়ার ‘মাইন্ডফুলনেস সিটি’ প্রকল্পে অংশ নেয় এবং মন্দিরগুলোকে ‘পাথর ও মাটিতে স্থায়ী প্রার্থনার আকার’ হিসেবে বর্ণনা করেন কর্মকর্তারা।
  • 📌 গেলেফু মাইন্ডফুলনেস সিটি প্রকল্পের লক্ষ্য: অর্থনৈতিক বৃদ্ধি, গ্রিন টেকনোলজি, শিক্ষা, পর্যটন ও আর্থিক সেবা আকর্ষণ করে দেশের বেকারত্ব ও জনসংখ্যা হ্রাসের সমস্যা সমাধান করা।
  • 📌 প্রকল্পে ভারতের গৌতম আদানি সংযুক্ত এবং ২০২৯ সালে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর উদ্বোধনের পরিকল্পনা রয়েছে।
  • 📌 ভুটান ক্রিপ্টোকারেন্সি ব্যবহার করে ‘মাইন্ডফুলনেস সিটি’-এর উন্নয়নে বিনিয়োগের পরিকল্পনা করেছে।

📰 বিস্তারিত

বুধদেবের পবিত্র সংখ্যা ১০৮-এর প্রতীক হিসেবে নির্মিত এই মন্দিরগুলো ভুটানের রাজধানী থিম্পু থেকে প্রায় ২৪০ কিলোমিটার দক্ষিণে ভারতের সীমান্তে অবস্থিত গেলেফু শহরে স্থাপন করা হয়েছে। এই শহর বর্তমানে জনসংখ্যা প্রায় ১০ হাজার। রাজা জিগমে খেসার নামগ্যেল ওয়াংচুক ২০২৪ সালে এই বিশেষ অঞ্চলটি প্রতিষ্ঠা করেন এবং বলেন, এর উদ্দেশ্য ‘একটি উজ্জ্বল অর্থনৈতিক কেন্দ্র’ গড়ে তোলা।

বিশ্বের একমাত্র দেশ হিসেবে ‘গ্রস ন্যাশনাল হ্যাপিনেস’ (জিএনএইচ) নীতি অনুসরণ করে ভুটান। এই প্রকল্পের উদ্দেশ্য হলো দেশের অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ যেমন বেকারত্ব, জনসংখ্যা হ্রাস এবং দক্ষ শ্রমিকদের অভিবাসন সমাধান করা। গেলেফু মাইন্ডফুলনেস সিটি প্রকল্পের প্রধান উদ্দেশ্য হলো বিনিয়োগ আকর্ষণ করে যুবকদের দেশে রাখা এবং টেকসই ব্যবসা, সবুজ প্রযুক্তি, শিক্ষা, পর্যটন ও আর্থিক সেবা বিকাশ করা।

অনুষ্ঠানে অংশ নেয়া ৬৫ বছর বয়সী নিমা গিয়েল্তশেন, যুব উন্নয়ন সংস্থার প্রধান, বলেন, ‘এই ঘটনা আমাদের ইতিহাসে পরবর্তী প্রজন্মের জন্য স্মরণীয় হবে’। তিনি আরও বলেন, ‘আমি আশা করি, আমার পিতা-মাতা যাদের জীবনকাল ছিল খুব কম, তারা এই শহর দেখতে পাবেন না। কিন্তু আমি ভাগ্যবান যে আমি দেখতে পাবো’।

"আমি ভয় পেয়েছিলাম যে একদিনে ১০৮টি মন্দির নির্মাণ করা সম্ভব হবে না। কিন্তু সবকিছু সফল হয়েছে, এবং এর জন্য আমি সত্যিই ধন্যবাদ জানাই।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: গেলেফু, ভুটান (ভারত সীমান্তে)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রাজা জিগমে খেসার নামগ্যেল ওয়াংচুক, নিমা গিয়েল্তশেন, গৌতম আদানি, বিশনু মায়া মোকতাং
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০৮টি মন্দির, ৪০ হাজার ভোলেন্টিয়ার, ২ লক্ষ অনুষ্ঠান অংশগ্রহণকারী, ১৫ মিটার উচ্চতা, ২৪০ কিলোমিটার থিম্পু থেকে দূরত্ব

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖