📌 চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন ডেঙ্গু প্রতিরোধে নাগরিকদের সচেতনতা বৃদ্ধির আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, পানি জমতে না দেওয়া এবং এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করা ডেঙ্গুর প্রকোপ নিয়ন্ত্রণে সহায়ক হবে। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বিশেষ নজরদারি চলছে
চট্টগ্রামে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন নাগরিকদের সচেতনতা বৃদ্ধির আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করা গেলে ডেঙ্গুর প্রকোপ অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব। শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) পতেঙ্গা এলাকায় পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিধন কর্মসূচিতে তিনি এই কথা বলেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **১১ সেপ্টেম্বর** পতেঙ্গার কমিশনার ঘাটা, দক্ষিণ পাড়া ও বাটারফ্লাই রোডে মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন ডেঙ্গু প্রতিরোধে নাগরিকদের সচেতনতা বৃদ্ধির আহ্বান জানান
- 📌 **তিন দিনে একদিন** জমা পানি ফেলে দিতে বলেন মেয়র; বাসাবাড়ি, ছাদ ও নির্মাণস্থলে পানি জমে থাকলে তা দ্রুত অপসারণের নির্দেশ
- 📌 **বর্তমান বৃষ্টিপাতের কারণে** বিভিন্ন স্থানে পানি জমে থাকায় এডিস মশার লার্ভা জন্ম নিতে পারে; দ্রুত পানি অপসারণের আহ্বান
- 📌 **চসিকের মশক নিধন কার্যক্রমে** বিটিআই পদ্ধতি ও ফগার মেশিন ব্যবহার; ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বিশেষ নজরদারি
- 📌 **নাগরিকদের অভিযোগ** 'আমাদের চট্টগ্রাম' অ্যাপে জানাতে বলেন মেয়র; গাফিলতির ঘটনা দ্রুত সমাধানের প্রতিশ্রুতি
- 📌 **ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে** প্লাস্টিক, পলিথিন ও পরিত্যক্ত পাত্র ফেলা নিষিদ্ধ; বাড়ির ছাদ ও ঝোপঝাড় পরিষ্কার রাখার আহ্বান
- 📌 **কোতোয়ালি, ডবলমুরিং, পাহাড়তলী, হালিশহর ও বন্দরসহ** ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বিশেষ নজরদারি চলছে
- 📌 **ডেঙ্গুতে মৃত্যু নিরসনের লক্ষ্যে** মেয়র বলেন, নাগরিকদের স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধির আহ্বান জানান
📰 বিস্তারিত
চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন ডেঙ্গু প্রতিরোধে নাগরিকদের সচেতনতা বৃদ্ধির আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, 'এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করা গেলে ডেঙ্গুর প্রকোপ অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব'। শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) পতেঙ্গার কমিশনার ঘাটা, দক্ষিণ পাড়া ও বাটারফ্লাই রোড এলাকায় পরিচ্ছন্নতা, মশক নিধন ও নাগরিক সচেতনতামূলক কর্মসূচিতে তিনি এই কথা বলেন।
মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, 'তিন দিনে একদিন জমা পানি ফেলে দিতে হবে। নিজ আঙিনা পরিষ্কার রাখতে হবে। আমাদের বাসাবাড়ি, ছাদ, ফুলের টব, বালতি, ড্রাম, এসির নিচে এবং নির্মাণাধীন ভবনে কোথাও পানি জমে আছে কি না, তা নিয়মিত পরীক্ষা করতে হবে'। তিনি আরও বলেন, 'বর্তমানে থেমে থেমে বৃষ্টি হওয়ায় বিভিন্ন স্থানে পানি জমে থাকছে। এ ধরনের জমে থাকা পানিতে অল্প সময়ের মধ্যেই এডিস মশার লার্ভা জন্ম নিতে পারে। তাই ডেঙ্গু প্রতিরোধে পানি জমতে না দেওয়া এবং জমে থাকা পানি দ্রুত অপসারণ করাই সবচেয়ে কার্যকর প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা'।
চসিকের চলমান মশক নিধন কার্যক্রমের কথা উল্লেখ করে মেয়র বলেন, 'এডিস মশার লার্ভা ধ্বংসে বিটিআই পদ্ধতিতে ওষুধ প্রয়োগের পাশাপাশি পূর্ণাঙ্গ মশা নিধনে ফগার মেশিনের মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। নগরীর ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলো চিহ্নিত করে সেখানে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে'।
মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন নাগরিকদের অভিযোগের বিষয়ে বলেন, 'চসিকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা কোথাও ঠিকমতো ওষুধ ছিটাচ্ছেন না বা কোনো ধরনের গাফিলতি করছেন— এমন অভিযোগ থাকলে নাগরিকরা তা আমাদের জানাবেন। 'আমাদের চট্টগ্রাম' অ্যাপের মাধ্যমে সরাসরি অভিযোগ করা যাবে। অভিযোগ পাওয়ার পর সংশ্লিষ্ট এলাকায় দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে'।
ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে নাগরিক সচেতনতার গুরুত্ব তুলে ধরে মেয়র বলেন, 'যত্রতত্র প্লাস্টিক, পলিথিন, ডাবের খোসা ও পরিত্যক্ত পাত্র ফেলা যাবে না। এসব সামগ্রীতে বৃষ্টির পানি জমে এডিস মশার প্রজননস্থলে পরিণত হতে পারে। পাশাপাশি বাড়ির ছাদ ও আশপাশের ঝোপঝাড় নিয়মিত পরিষ্কার রাখতে হবে'।
মেয়র আরও বলেন, 'ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে চসিকের পক্ষ থেকে ইতোমধ্যে ক্রাশ প্রোগ্রাম পরিচালনা করা হচ্ছে। আগামী তিন মাসের জন্য দেশব্যাপী গ্রহণ করা ডেঙ্গু প্রতিরোধ কর্মসূচির সঙ্গে সমন্বয় করে চট্টগ্রাম নগরীতেও মশক নিধন, পরিচ্ছন্নতা ও জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে'। তিনি বলেন, 'নগরীর কোতোয়ালি, ডবলমুরিং, পাহাড়তলী, হালিশহর ও বন্দরসহ কয়েকটি এলাকা ডেঙ্গুর জন্য তুলনামূলক ঝুঁকিপূর্ণ। এসব এলাকায় বিশেষ নজরদারি ও মশক নিধন কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে'।
"কোনো মৃত্যুই কাম্য নয়। আমরা চাই আগামী দিনগুলোতে ডেঙ্গুতে আর একজন মানুষও যেন প্রাণ না হারান। এজন্য সিটি কর্পোরেশনের কার্যক্রমের পাশাপাশি নগরবাসীকেও স্বাস্থ্য সচেতন হতে হবে এবং নিজ নিজ অবস্থান থেকে ডেঙ্গু প্রতিরোধে ভূমিকা রাখতে হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন, পতেঙ্গা (কমিশনার ঘাটা, দক্ষিণ পাড়া, বাটারফ্লাই রোড)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১১ সেপ্টেম্বর (কার্যক্রমের তারিখ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!