📌 জেল পলিশের দীর্ঘস্থায়ী বৈশিষ্ট্য এবং টেকসই রং ধারণ ক্ষমতা নেইল পলিশের তুলনায় বেশি জনপ্রিয়তা পাচ্ছে। তিশা’স বিউটি হাবের ফারহানা সামাদ জানান, জেল পলিশের মাধ্যমে নখে এক থেকে দেড় মাস পর্যন্ত রং ধরে রাখা সম্ভব। এলইডি আলোর মাধ্যমে কিউরিং প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এটি আরও শক্তিশালী হয়
জেল পলিশের দীর্ঘস্থায়ী বৈশিষ্ট্য এবং টেকসই রং ধারণ ক্ষমতা নেইল পলিশের তুলনায় বেশি জনপ্রিয়তা পাচ্ছে। সাধারণ নেইল পলিশের তুলনায় জেল পলিশের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এর দীর্ঘস্থায়ী প্রকৃতি। পানির স্পর্শ বা গৃহস্থালির কাজে সহজেই রং চটে যাওয়া নেইল পলিশের ঝামেলা এড়াতে জেল পলিশ জনপ্রিয়তা পাচ্ছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 জেল পলিশ ও নেইল এক্সটেনশন আলাদা — জেল পলিশ নখের আকার পরিবর্তন করে না, শুধু রং ও নকশা ধরে রাখে, যেখানে নেইল এক্সটেনশন কৃত্রিমভাবে নখের আকার বাড়ায়।
- 📌 দীর্ঘস্থায়ী রং — জেল পলিশের মাধ্যমে নখে এক থেকে দেড় মাস পর্যন্ত রং অবিকল থাকে, যা সাধারণ নেইল পলিশের তুলনায় অনেক বেশি।
- 📌 এলইডি আলোর কিউরিং প্রক্রিয়া — জেল পলিশের রাসায়নিক ফর্মুলা এলইডি আলোর সংস্পর্শে ৬০ থেকে ৯০ সেকেন্ডের মধ্যে শক্ত হয়ে যায়।
- 📌 সুরক্ষিত ও টেকসই — রান্নাবান্নার হলুদ দাগ বা মসলার স্পর্শেও জেল পলিশের চকচকে ভাব অক্ষত থাকে।
- 📌 সঠিক অপসারণের প্রয়োজন — জেল পলিশ নিজে নিজে খুঁচিয়ে তোলা যাবে না, দক্ষ সেলুনের সাহায্য প্রয়োজন।
📰 বিস্তারিত
তিশা’স বিউটি হাবের কর্ণধার ফারহানা সামাদ জানান, জেল পলিশ ও নেইল এক্সটেনশনকে এক মনে করা হয় না। নেইল এক্সটেনশন হলো কৃত্রিমভাবে নখের আকার বাড়িয়ে দেওয়া পদ্ধতি, যেখানে জেল পলিশ শুধু নখের ওপর দীর্ঘস্থায়ী রং, গ্লিটার বা নকশা অক্ষত রাখার পদ্ধতি। সাধারণ নেইল পলিশ বাতাসের সংস্পর্শেই শুকিয়ে যায় এবং দিনের পর দিন রং চটে যায়। অন্যদিকে জেল পলিশ হলো উন্নত রাসায়নিক ফর্মুলায় প্রস্তুত টেকসই প্রলেপ, যা এলইডি আলোর সংস্পর্শে শক্ত হয়ে যায়।
ফারহানা সামাদ বলেন, জেল পলিশের মাধ্যমে নখে রং এক থেকে দেড় মাস পর্যন্ত অবিকল থাকে। রান্নাবান্নার হলুদ দাগ বা মসলার স্পর্শেও সাধারণ নেইল পলিশের তুলনায় জেল পলিশের চকচকে ভাব অক্ষত থাকে। এছাড়াও, বারবার নখ সাজানোর সময় বাঁচাতে এটি স্মার্ট ও কার্যকর উপায় হিসেবে বিবেচিত হয়।
জেল পলিশ করার পদ্ধতিতে প্রথমে নখের আকৃতি ও পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করা হয়। এরপর বাফারের সাহায্যে কিউটিকল পরিষ্কার করে জীবাণুনাশক উপাদান দিয়ে নখের উপরিভাগ প্রস্তুত করা হয়। এরপর বেজ কোট লাগানো হয়, যাতে রং মজবুতভাবে বসে। মূল জেল কালার বা পছন্দের নকশা ফুটিয়ে তোলার পর, এলইডি আলোর নিচে ৬০ থেকে ৯০ সেকেন্ডের মধ্যে কিউরিং কোট লাগানো হয়। শেষে টপ কোট দিয়ে আবারও লাইটে রাখা হয়, যা নখের পুরো নকশাকে মজবুত করে।
ফারহানা সামাদ সতর্কতা জানান, জেল পলিশ নিজে নিজে খুঁচিয়ে তোলা যাবে না। এতে নখের স্বাভাবিক স্তর ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। সাধারণ উপায়ে তোলা সম্ভব নয়, দক্ষ সেলুনে বিশেষ উপাদান ও নির্দিষ্ট পদ্ধতি মেনে বেশ কিছুটা সময় নিয়ে এটি তুলতে হয়। এছাড়াও, মানহীন পণ্য বা অনভিজ্ঞ কারও মাধ্যমে জেল পলিশের সেবা নিলে নখ পাতলা ও ভঙ্গুর হয়ে যেতে পারে।
"জেল পলিশের মাধ্যমে নখে এক থেকে দেড় মাস পর্যন্ত রং অবিকল থাকে। রান্নাবান্নার হলুদ দাগ বা মসলার স্পর্শেও সাধারণ নেইল পলিশের তুলনায় জেল পলিশের চকচকে ভাব অক্ষত থাকে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: তিশা’স বিউটি হাব (ঢাকা)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ফারহানা সামাদ (তিশা’স বিউটি হাবের কর্ণধার)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬০-৯০ সেকেন্ড (এলইডি আলোর সংস্পর্শে কিউরিং সময়)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!