📌 ফরিদপুরে গত ২৪ ঘণ্টায় ৩১ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। জেলার সরকারি হাসপাতালে বর্তমানে ৮৬ জন রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছে। সিভিল সার্জন ডা. মাহমুদুল হাসান ডেঙ্গু প্রতিরোধের জন্য জনসচেতনতা ও পরিবেশ পরিষ্কার রাখার আহ্বান জানিয়েছেন
ফরিদপুর জেলায় ডেঙ্গু রোগের হানা অব্যাহত রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় জেলার বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালে ৩১ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন। তবে কোনো মৃত্যু ঘটেনি। এছাড়াও পাঁচজন রোগী চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) সিভিল সার্জনের কার্যালয়ের প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশ পেয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 গত ২৪ ঘণ্টায় ফরিদপুরের ৫টি হাসপাতালে ৩১ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি
- 📌 ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ১৩ জন, নগরকান্দা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১০ জন, জেনারেল হাসপাতালে ৫ জন, ভাঙ্গা ও মধুখালীতে যথাক্রমে ২ জন ও ১ জন ভর্তি
- 📌 জেলায় চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে ১১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মোট ৩৮৮ জন ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসা নেয়েছেন
- 📌 বর্তমানে ৮৬ জন রোগী চিকিৎসাধীন, ডেঙ্গুতে মৃত্যু হয়েছে ৪ জন
- 📌 সিভিল সার্জন ডা. মাহমুদুল হাসান ডেঙ্গু প্রতিরোধের জন্য জনসচেতনতা ও পরিবেশ পরিষ্কার রাখার জোর দিয়েছেন
📰 বিস্তারিত
ফরিদপুরের সরকারি হাসপাতালগুলোতে ডেঙ্গু রোগের চাপ বাড়ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ১৩ জন, নগরকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১০ জন, ফরিদপুর জেনারেল হাসপাতালে ৫ জন, ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ২ জন এবং মধুখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন। এছাড়াও, জেলার বিভিন্ন হাসপাতালে চলতি বছরের শুরু থেকে ১১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মোট ৩৮৮ জন রোগী চিকিৎসা নেয়েছেন।
স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে ফরিদপুরের সরকারি হাসপাতালে ৮৬ জন ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছে। এছাড়াও, ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে জেলায় ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। ফরিদপুরের সিভিল সার্জন ডা. মাহমুদুল হাসান বলেছেন, “ডেঙ্গু চিকিৎসায় জেলার প্রতিটি হাসপাতালে পর্যাপ্ত শয্যা ও ওষুধের ব্যবস্থা রয়েছে। তবে কেবল চিকিৎসায় ডেঙ্গু প্রতিরোধ সম্ভব নয়; এর জন্য প্রয়োজন জনসচেতনতা। নিজ নিজ বাসাবাড়ি ও আশপাশের আঙিনা পরিষ্কার রাখার পাশাপাশি জমে থাকা পানি দ্রুত অপসারণ করতে হবে। মশার কামড় থেকে বাঁচতে দিনে ও রাতে ঘুমানোর সময় মশারি ব্যবহারের বিকল্প নেই।”
"ডেঙ্গু চিকিৎসায় জেলার প্রতিটি হাসপাতালে পর্যাপ্ত শয্যা ও ওষুধের ব্যবস্থা রয়েছে। তবে কেবল চিকিৎসায় ডেঙ্গু প্রতিরোধ সম্ভব নয়; এর জন্য প্রয়োজন জনসচেতনতা। নিজ নিজ বাসাবাড়ি ও আশপাশের আঙিনা পরিষ্কার রাখার পাশাপাশি জমে থাকা পানি দ্রুত অপসারণ করতে হবে। মশার কামড় থেকে বাঁচতে দিনে ও রাতে ঘুমানোর সময় মশারি ব্যবহারের বিকল্প নেই"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ফরিদপুর জেলা (ফরিদপুর মেডিকেল, নগরকান্দা, জেনারেল, ভাঙ্গা, মধুখালী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ডা. মাহমুদুল হাসান (সিভিল সার্জন, ফরিদপুর)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩১ জন (২৪ ঘণ্টায় ভর্তি), ৮৬ জন (বর্তমানে চিকিৎসাধীন), ৩৮৮ জন (চলতি বছরের শুরু থেকে ভর্তি)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!