📅 ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯:৪৫ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

বিসিএস কম্পিউটার সিটির ২৭ বছর: প্রযুক্তির মেলা থেকে বাজারের দিগন্তে নতুন যাত্রা

বিসিএস কম্পিউটার সিটির ২৭ বছর: প্রযুক্তির মেলা থেকে বাজারের দিগন্তে নতুন যাত্রা

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বাংলাদেশের প্রথম বিশেষায়িত কম্পিউটার বাজার বিসিএস কম্পিউটার সিটি ২৭ বছর পূর্তি উদযাপন করছে। ১৯৯৯ সালে যাত্রা শুরু করে এই বাজার এখন ১৫৪টি দোকানের মাধ্যমে প্রযুক্তিপণ্য বিক্রির কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে। প্রতিষ্ঠানটি ক্রেতাদের চাহিদা মেটাতে এআই ও ডিজিটাল সেবা প্রদানের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে

বাংলাদেশের প্রযুক্তি খাতের একটি মাইলফলক হিসেবে পরিচিত বিসিএস কম্পিউটার সিটি আজ ২৭ বছর পূর্ণ করেছে। রাজধানীর আগারগাঁওয়ে আইডিবি ভবনের পাশে অবস্থিত এই বাজার ১৯৯৯ সালের ১১ সেপ্টেম্বর যাত্রা শুরু করে এবং বর্তমানে দেশের বৃহত্তম বিশেষায়িত প্রযুক্তিপণ্য বাজার হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছে। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বিসিএস কম্পিউটার সিটিতে কেক কাটা, অনুষ্ঠান এবং ব্যবসায়ীদের সমাবেশের মাধ্যমে উৎসবের আমেজ ছড়িয়ে পড়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ১৯৯৯ সালের ১১ সেপ্টেম্বর যাত্রা শুরু করে বিসিএস কম্পিউটার সিটি, যা এখন ১৫৪টি দোকানের মাধ্যমে প্রযুক্তিপণ্য বিক্রির কেন্দ্রবিন্দু
  • 📌 প্রতিষ্ঠার সময় ১ লাখ ২৫ হাজার বর্গফুট জায়গায় ১১০টি দোকান ছিল, বর্তমানে দোকানের সংখ্যা বেড়েছে ১৫৪টি
  • 📌 বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির সাবেক সভাপতি মো. সবুর খান এবং বর্তমান সহসভাপতি মো. ওয়াহিদুল হাসানসহ কমিটির সদস্যরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন
  • 📌 ক্রেতাদের চাহিদা অনুযায়ী বিক্রি করে আসা বিসিএস কম্পিউটার সিটি এখন এআই ও ডিজিটাল প্রযুক্তির দিকে মনোনিবেশ করছে
  • 📌 ম্যানেজমেন্ট কমিটির সাধারণ সম্পাদক জাহেদ আলী ভূঁইয়া বলেছেন, বাজারে এআইনির্ভর প্রযুক্তি নিয়ে আসার চেষ্টা চলছে

📰 বিস্তারিত

১৯৯৯ সালের ১১ সেপ্টেম্বর বিসিএস কম্পিউটার সিটি আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে। শুরুতে এই বাজারটি ছিল ১ লাখ ২৫ হাজার বর্গফুট জায়গায় এবং ১১০টি দোকানের মাধ্যমে পরিচালিত হতো। বর্তমানে দোকানের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৫৪টি। বিসিএস কম্পিউটার সিটি প্রতিষ্ঠার মূল উদ্দেশ্য ছিল এক জায়গায় কম্পিউটার, হার্ডওয়্যার, সফটওয়্যার এবং প্রযুক্তি সংশ্লিষ্ট সেবা একত্রিত করা। এই লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠানটি ক্রেতাদের জন্য সুবিধাজনক পরিবেশ সৃষ্টি করেছে।

প্রযুক্তির দ্রুত পরিবর্তনের সাথে সাথে বিসিএস কম্পিউটার সিটি ক্রেতাদের চাহিদা অনুযায়ী পণ্য বিক্রি করে আসছে। প্রতিষ্ঠানের সহসভাপতি ও হাই-টেক প্রফেশনালসের স্বত্বাধিকারী মো. মজিবুর রহমান বলেছেন, “আগে ক্রেতারা পণ্যের মানকে প্রাধান্য দিতেন, কিন্তু বর্তমানে দামকে বেশি গুরুত্ব দেন। আমাদের লক্ষ্য ছিল ক্রেতাদের এক জায়গায় সব মানসম্পন্ন প্রযুক্তিপণ্য সহজলভ্য করা। এখন আমরা চাই, এআইনির্ভর প্রযুক্তি এই বাজারে পাওয়া যায়, যাতে আমরা যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে এগিয়ে যেতে পারি।”

বিসিএস কম্পিউটার সিটি ম্যানেজমেন্ট কমিটির সাধারণ সম্পাদক জাহেদ আলী ভূঁইয়া বলেছেন, “আমরা ক্রেতাদের জন্য কম্পিউটার পণ্যের পাশাপাশি এআইনির্ভর প্রযুক্তি নিয়ে আসার চেষ্টা করছি। এছাড়াও, সব দোকানকে ই-কমার্সের আওতায় আনার প্রচেষ্টা চলছে, যাতে ক্রেতারা অনলাইনে পণ্য কেনা সম্ভব হয়।”

"আমাদের মূল লক্ষ্য একই রয়েছে, ক্রেতাদের আস্থা অর্জন করা এবং সর্বোচ্চ মানের সেবা প্রদান করা। সময়ের সঙ্গে ব্যবসা-বাণিজ্যের ধরন পরিবর্তিত হয়েছে, কিন্তু আমাদের লক্ষ্য অপরিবর্তিত"

— সিটি আইটি অ্যানিভার্সারি ফেস্টের আহ্বায়ক মশিউর রহমান

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: আগারগাঁও, আইডিবি ভবনের পাশে, রাজধানী ঢাকা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. সবুর খান, মো. ওয়াহিদুল হাসান, মো. মজিবুর রহমান, জাহেদ আলী ভূঁইয়া, মশিউর রহমান
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৭ বছর, ১১ সেপ্টেম্বর, ১ লাখ ২৫ হাজার বর্গফুট, ১১০টি দোকান, ১৫৪টি দোকান

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖