📌 পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী জানান, পদ্মা ব্যারাজের কাজ আগামী জানুয়ারি থেকে মার্চের মধ্যে শুরু হবে। এই প্রকল্পে ২৪ জেলার ৭ কোটি মানুষের জীবন পরিবর্তন হবে এবং ৩৫ হাজার কোটি টাকা ব্যয় হবে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রকল্প উদ্বোধন করবেন।
পদ্মা ব্যারাজের নির্মাণ কাজ আগামী বছরের জানুয়ারি থেকে মার্চের মধ্যে শুরু হবে বলে পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী ঘোষণা করেছেন। এই প্রকল্পের মাধ্যমে বাংলাদেশের ২৪টি জেলার প্রায় ৭ কোটি মানুষের জীবন পরিবর্তন হবে। মন্ত্রী বলেন, পদ্মা ব্যারাজের নির্মাণে অন্তত ৩৫ হাজার কোটি টাকা ব্যয় হবে এবং সরকার সম্পূর্ণ নিজস্ব অর্থায়নে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 পদ্মা ব্যারাজের কাজ শুরু হবে জানুয়ারি থেকে মার্চের মধ্যে
- 📌 প্রকল্পে ৩৫ হাজার কোটি টাকা ব্যয় হবে, সম্পূর্ণ সরকারি অর্থায়নে
- 📌 ২৪টি জেলার ৭ কোটি মানুষের জীবন পরিবর্তন হবে
- 📌 প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রকল্প উদ্বোধন করবেন
- 📌 প্রকল্পে ২ হাজার ৯০০ মিলিয়ন ঘনমিটার পানি সংরক্ষণ ও ১১৩ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিকল্পনা
📰 বিস্তারিত
পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী শুক্রবার দুপুরে রাজবাড়ীর পাংশার হাবাসপুরে কে রাজ উচ্চবিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত জনসভায় এই ঘোষণা দেন। সভায় যোগদানের আগে তিনি প্রকল্পের প্রস্তাবিত স্থান পরিদর্শন করেন। মন্ত্রী বলেন, পদ্মা ব্যারাজ নির্মাণে অন্তত ৩৫ হাজার কোটি টাকা ব্যয় হবে এবং সরকারের সম্পূর্ণ নিজস্ব অর্থায়নে এই ব্যারাজ নির্মাণ করা হবে। প্রকল্প বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে ২৪টি জেলার অর্থনৈতিক রূপান্তর ঘটবে, কৃষিতে বিপ্লব হবে, বিদ্যুৎ উৎপাদন হবে এবং মাছের উৎপাদন বাড়বে।
মন্ত্রী বলেন, ‘প্রকল্পটি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে দেশি-বিদেশি পানিবিশেষজ্ঞদের মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে কারিগরি সমীক্ষা ও সম্ভাব্যতা যাচাই করা হয়েছে। সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে ২০০৪ সাল থেকে কারিগরি সমীক্ষা নিয়ে আমরা এগিয়ে এসেছি। আজ ২০২৬ সালে এসে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের জন্য একনেকে অনুমোদন পেয়েছে। আমাদের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন এখন বাস্তবে রূপ দেওয়ার সময় এসেছে।’
মন্ত্রী আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগামী বছরের জানুয়ারি, ফেব্রুয়ারি অথবা মার্চ মাসের মধ্যে হাবাসপুরে প্রকল্পটির উদ্বোধন করবেন। একই সঙ্গে তিনি পাবনার সুজানগরে গিয়ে প্রকল্পের উদ্বোধন করবেন। প্রকল্পের মাধ্যমে এ অঞ্চলে কৃষিবিপ্লব ঘটবে এবং আধুনিক প্রযুক্তির নানা সুযোগ-সুবিধা যুক্ত হবে।
"প্রকল্পটি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে দেশি-বিদেশি পানিবিশেষজ্ঞদের মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে কারিগরি সমীক্ষা ও সম্ভাব্যতা যাচাই করা হয়েছে। সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে ২০০৪ সাল থেকে কারিগরি সমীক্ষা নিয়ে আমরা এগিয়ে এসেছি।"
প্রকল্পের নকশায় ২ দশমিক ১ কিলোমিটার দীর্ঘ মূল ব্যারাজের ৭৮টি স্পিলওয়ে, ১৮টি আন্ডারস্লুইস, দুটি ফিশ পাস, নেভিগেশন লক ও বিশেষ পাইড বাঁধ থাকবে। প্রকল্পের মাধ্যমে প্রায় ২ হাজার ৯০০ মিলিয়ন ঘনমিটার পানি সংরক্ষণের পরিকল্পনা করা হয়েছে। এছাড়া প্রকল্পের মাধ্যমে দুই ধাপে ২টি জলবিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে প্রায় ১১৩ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিকল্পনা রয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেন, ‘বর্তমান বাস্তবতার আঙ্গিকে পদ্মা ব্যারাজের ডিজাইন করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নিজেই পদ্মা ব্যারাজের ডিজাইন করছেন। পানামা খালের চেয়েও বড় কায়দায় স্বয়ংসম্পূর্ণ পদ্মা ব্যারাজ নির্মিত হবে।’
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: হাবাসপুর, রাজবাড়ী ও পাবনার সুজানগর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭ কোটি মানুষ, ৩৫ হাজার কোটি টাকা, ২৪ জেলা, ২ দশমিক ১ কিলোমিটার ব্যারাজ, ৭৮টি স্পিলওয়ে, ১৮টি আন্ডারস্লুইস, ২ হাজার ৯০০ মিলিয়ন ঘনমিটার পানি, ১১৩ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!