📌 ভিয়েতনামের দা নাং শহরে অনুষ্ঠিত বৈশ্বিক তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের প্রতিবন্ধী তরুণ দল তিনটি পদক জয়ে গৌরব অর্জন করেছে। তারা শ্রেষ্ঠ দলীয় সহচর ও ই-বিষয়বস্তু বিভাগে চ্যাম্পিয়ন এবং ই-সমন্বয় বিভাগে ব্রোঞ্জ পদক লাভ করেছে
বিশ্বের ৭০০-এরও বেশি প্রতিবন্ধী তরুণ-তরুণীর অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের প্রতিবন্ধী তরুণ দল গৌরবোজ্জ্বল সাফল্য অর্জন করেছে। ভিয়েতনামের দা নাং শহরে অনুষ্ঠিত ‘প্রতিবন্ধী তরুণদের জন্য বৈশ্বিক তথ্যপ্রযুক্তি চ্যালেঞ্জ ২০২৬’ প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশ দল তিনটি পদক জয়ে দেশের অন্তর্ভুক্তিমূলক ডিজিটাল দক্ষতা বিশ্বদরবারে নতুন উচ্চতা পৌঁছে দিয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বাংলাদেশ দল ‘শ্রেষ্ঠ দলীয় সহচর’ ও ‘ই-বিষয়বস্তু’ বিভাগে চ্যাম্পিয়ন এবং ‘ই-সমন্বয়’ বিভাগে ব্রোঞ্জ পদক লাভ করেছে
- 📌 প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী বাংলাদেশ দলের সদস্য: মো. শাকিল মিয়া (দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী), শেখ ইয়ামিন আহসান (শারীরিক প্রতিবন্ধী), উম্মে হাবিবা বিন্তি (বাক্ ও শ্রবণপ্রতিবন্ধী), আরিয়ান ইসলাম (স্নায়ুবিকাশজনিত প্রতিবন্ধিতা)
- 📌 বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের নির্বাহী পরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) মিজ নাহিদ সুলতানা মল্লিক, পরিচালক মো. মাহবুব করিম ও সিএসআইডির পরিচালক ইফতেখার আহমেদ প্রতিনিধিত্ব করেছেন
- 📌 প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয় ২৬ থেকে ৩০ অক্টোবর, ২০২৬; বিশ্বের নয়টি দেশের প্রতিবন্ধী তরুণ-তরুণীর অংশগ্রহণে
- 📌 দক্ষিণ কোরিয়ার স্বাস্থ্য ও কল্যাণ মন্ত্রণালয় ও এলজি উদ্যোগে আয়োজিত প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের সাফল্য আন্তর্জাতিক মঞ্চে দেশের তথ্যপ্রযুক্তি দক্ষতা প্রদর্শন করেছে
📰 বিস্তারিত
বাংলাদেশের প্রতিবন্ধী তরুণদের জন্য একটি ঐতিহাসিক সাফল্য সৃষ্টি হয়েছে। তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিভাগের আওতাধীন বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল (বিসিসি) ও সেন্টার ফর সার্ভিসেস অ্যান্ড ইনফরমেশন অন ডিজঅ্যাবিলিটি (সিএসআইডি) যৌথভাবে অংশগ্রহণকারী চার সদস্যের বাংলাদেশ দলকে প্রতিযোগিতায় নেতৃত্ব দিয়েছে। প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশ দল ‘শ্রেষ্ঠ দলীয় সহচর’ ও ‘ই-বিষয়বস্তু’ বিভাগে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পাশাপাশি ‘ই-সমন্বয়’ বিভাগে ব্রোঞ্জ পদক লাভ করেছে।
বিশ্বের নয়টি দেশের প্রায় ৭০০ প্রতিবন্ধী তরুণ-তরুণীর অংশগ্রহণে ২৬ থেকে ৩০ অক্টোবর, ২০২৬ তারিখে অনুষ্ঠিত এই প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেছেন মো. শাকিল মিয়া (দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী), শেখ ইয়ামিন আহসান (শারীরিক প্রতিবন্ধী), উম্মে হাবিবা বিন্তি (বাক্ ও শ্রবণপ্রতিবন্ধী) এবং আরিয়ান ইসলাম (স্নায়ুবিকাশজনিত প্রতিবন্ধিতা)। প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশ দলের প্রতিনিধিত্ব করেছেন বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের নির্বাহী পরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) মিজ নাহিদ সুলতানা মল্লিক, পরিচালক (প্রশিক্ষণ ও উন্নয়ন) মো. মাহবুব করিম এবং সিএসআইডির পরিচালক ইফতেখার আহমেদ।
দক্ষিণ কোরিয়ার স্বাস্থ্য ও কল্যাণ মন্ত্রণালয় এবং এলজির উদ্যোগে আয়োজিত এই প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের সাফল্য আন্তর্জাতিক মঞ্চে দেশের অন্তর্ভুক্তিমূলক ডিজিটাল দক্ষতা এবং তথ্যপ্রযুক্তিতে তরুণ সমাজের সক্ষমতাকে বিশ্বদরবারে নতুন উচ্চতায় তুলে ধরেছে। প্রতিযোগিতায় পৃষ্ঠপোষকতা করেছেন দক্ষিণ কোরিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও কমিউনিটি চেস্ট কোরিয়া।
"বাংলাদেশের প্রতিবন্ধী তরুণদের এই সাফল্য দেশের তথ্যপ্রযুক্তি দক্ষতা এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নকে বিশ্বের সামনে তুলে ধরেছে। এটি বাংলাদেশের তথ্যপ্রযুক্তি ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অংশগ্রহণের সম্ভাবনাকে আরও প্রমাণ করেছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ভিয়েতনামের দা নাং শহর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. শাকিল মিয়া, শেখ ইয়ামিন আহসান, উম্মে হাবিবা বিন্তি, আরিয়ান ইসলাম, মিজ নাহিদ সুলতানা মল্লিক, মো. মাহবুব করিম, ইফতেখার আহমেদ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭০০ (প্রতিযোগী), ২৬-৩০ অক্টোবর (প্রতিযোগিতার তারিখ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!