📌 স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটি ও আর্ক ইনস্টিটিউটের বিজ্ঞানীরা এআই প্রযুক্তি ‘ইভো’ ব্যবহার করে নতুন ১৬টি কার্যকর ভাইরাস তৈরি করেছেন। গবেষণাটি সায়েন্স সাময়িকীতে প্রকাশিত হয়েছে
স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটি ও আর্ক ইনস্টিটিউটের বিজ্ঞানীরা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির মাধ্যমে নতুন ১৬টি কার্যকর ভাইরাস তৈরি করেছেন। এগুলো পরিচিত যেকোনো প্রাকৃতিক ভাইরাসের চেয়ে আলাদা এবং নির্দিষ্ট হোস্ট বা পোষকদেহে আক্রমণ চালাতে সক্ষম।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বিজ্ঞানীরা এআই প্রোগ্রাম ‘ইভো’ ব্যবহার করে নতুন ভাইরাল জিনোম তৈরি করেছেন।
- 📌 এগুলো পরিচিত যেকোনো প্রাকৃতিক ভাইরাসের চেয়ে আলাদা এবং নির্দিষ্ট হোস্টে আক্রমণ করতে সক্ষম।
- 📌 গবেষণাপত্রটি সায়েন্স সাময়িকীতে প্রকাশিত হয়েছে।
- 📌 বিজ্ঞানীরা এআই দিয়ে তৈরি হাজার হাজার জিনোমের মধ্যে ৩০০টি ভাইরাস পরীক্ষা করেন।
- 📌 তাঁরা দেখতে পান, এর মধ্যে ১৬টি ছিল কার্যকর বা জীবন্ত ভাইরাস।
📰 বিস্তারিত
বিজ্ঞানীরা একটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রোগ্রাম ব্যবহার করে নতুন কিছু ভাইরাল জিনোম তৈরি করেছেন, যা পরিচিত যেকোনো প্রাকৃতিক ভাইরাসের চেয়ে আলাদা। এগুলো নির্দিষ্ট হোস্ট বা পোষকদেহে আক্রমণ চালাতে সক্ষম। বিজ্ঞানের এই অগ্রগতি চিকিৎসাক্ষেত্রে নতুন আশার সঞ্চার করলেও এর অপব্যবহার নিয়ে তীব্র উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
গবেষণাপত্রটি সম্প্রতি সায়েন্স সাময়িকীতে প্রকাশিত হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, এআই টুল ‘ইভো’র ভাষা শেখার মাধ্যম হিসেবে কাজ করেছে জেনেটিক সিকোয়েন্স। ঠিক যেভাবে চ্যাটজিপিটি এবং অন্যান্য ল্যাঙ্গুয়েজ মডেলকে বিদ্যমান বিপুল তথ্য দিয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটি এবং আর্ক ইনস্টিটিউটের বিজ্ঞানীরা এরপর এই এআই ব্যবহার করে একটি নির্দিষ্ট কাঠামোর মধ্যে হাজার হাজার জিনোম সমন্বয় তৈরি করেন।
এআই দিয়ে তৈরি হাজার হাজার জিনোমের মধ্যে বিজ্ঞানীরা গবেষণাগারে প্রায় ৩০০টি ভাইরাস তৈরি করে পরীক্ষা চালান। তাঁরা দেখতে পান, এর মধ্যে ১৬টি ছিল কার্যকর বা জীবন্ত ভাইরাস।
"বিজ্ঞানীরা একটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রোগ্রাম ব্যবহার করে নতুন কিছু ভাইরাল জিনোম তৈরি করেছেন, যা পরিচিত যেকোনো প্রাকৃতিক ভাইরাসের চেয়ে আলাদা। এগুলো নির্দিষ্ট হোস্ট বা পোষকদেহে আক্রমণ চালাতে সক্ষম।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটি ও আর্ক ইনস্টিটিউট
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বিজ্ঞানীরা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৬টি ভাইরাস, ৩০০টি পরীক্ষিত ভাইরাস
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!