📌 টিআইবি জামায়াতের বিবৃতিকে বিভ্রান্তিমূলক বলে মনে করে। গবেষণায় দেখা যায়, আরপিও ১৯৭২-এর ধারা অনুযায়ী কেন্দ্রীয় কমিটিতে নারী সদস্যদের ৩৩ শতাংশ অন্তর্ভুক্তির লক্ষ্যমাত্রা পূরণে জামায়াত ব্যর্থ। দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদে কোনো নারী সদস্য নেই, যা আইনের লঙ্ঘন
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেলের বিবৃতিকে বিভ্রান্তিমূলক ও সত্যের অপলাপ বলে মনে করেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। টিআইবির গবেষণা প্রতিবেদনে উঠে এসেছে যে, আরপিও ১৯৭২-এর ধারা অনুযায়ী রাজনৈতিক দলগুলোর কেন্দ্রীয় কমিটিতে নারী সদস্যদের অন্তর্ভুক্তির লক্ষ্যমাত্রা পূরণে জামায়াত ব্যর্থ। দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদে কোনো নারী সদস্য না থাকায় আইনের লঙ্ঘন হয়েছে বলে দাবি করেছে সংস্থাটি।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 টিআইবি জামায়াতের বিবৃতিকে বিভ্রান্তিমূলক ও সত্যের অপলাপ বলে মনে করেছে এবং তাদের গবেষণা প্রতিবেদনটি গুরুত্বসহকারে পর্যালোচনা করার জন্য সাধুবাদ জানিয়েছে।
- 📌 আরপিও ১৯৭২-এর ধারা ৯০খ(১)(খ)(আ) অনুযায়ী প্রতিটি রাজনৈতিক দলের কেন্দ্রীয় কমিটিতে নারী সদস্যদের অন্তর্ভুক্তির লক্ষ্যমাত্রা ৩৩ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে।
- 📌 জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদে ১৯ সদস্যের মধ্যে কোনো নারী সদস্য নেই, যা আইনের লঙ্ঘন।
- 📌 জামায়াতের দাবি অনুযায়ী তাদের দলের ৪৩ শতাংশ সদস্য নারী হলেও, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কোনো নারী প্রার্থী মনোনয়ন দেয়নি।
- 📌 জামায়াতের গঠনতন্ত্রে নারী কর্মীদের জন্য পৃথক কমিটি থাকলেও, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদে নারী সদস্যদের অন্তর্ভুক্তি নেই।
📰 বিস্তারিত
টিআইবির পরিচালক (আউটরিচ অ্যান্ড কমিউনিকেশন) মোহাম্মদ তৌহিদুল ইসলামের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেলের বিবৃতি বিভ্রান্তিমূলক এবং সত্যের অপলাপ। তিনি বলেছেন, দলের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদে ২১ জন নারী সদস্য এবং কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরায় ১২২ জন নারী সদস্য থাকলেও, বাস্তবে আরপিওর সংশ্লিষ্ট বিধানের লঙ্ঘন হয়েছে। কারণ, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদে কোনো নারী সদস্য নেই।
গবেষণায় দেখা গেছে, আরপিও ১৯৭২-এর ধারা ৯০খ(১)(খ)(আ) অনুযায়ী প্রতিটি রাজনৈতিক দলের কেন্দ্রীয় কমিটিতে নারী সদস্যদের অন্তর্ভুক্তির লক্ষ্যমাত্রা ৩৩ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে বাস্তবে জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদে ১৯ সদস্যের মধ্যে কোনো নারী সদস্য নেই। এই লঙ্ঘনকে টিআইবি শুভঙ্করের ফাঁকি হিসেবে উল্লেখ করেছে।
জামায়াতের দাবি অনুযায়ী, তাদের দলের ৪৩ শতাংশ সদস্য নারী হলেও, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কোনো নারী প্রার্থী মনোনয়ন দেয়নি। গবেষণায় আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে, জামায়াতের গঠনতন্ত্রে নারী কর্মীদের জন্য পৃথক কমিটি থাকলেও, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদে নারী সদস্যদের অন্তর্ভুক্তি নেই। এটি নারীদের প্রকৃত অন্তর্ভুক্তি বোঝায় না, বরং তাদের একটি নির্দিষ্ট গণ্ডীর মধ্যে সীমাবদ্ধ করে দেওয়া হয়েছে বলে টিআইবি দাবি করেছে।
"বিভ্রান্তিমূলক"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মোহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম (টিআইবি পরিচালক)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩৩ শতাংশ (লক্ষ্যমাত্রা), ১৯ সদস্য (কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ), ২১ জন (কর্মপরিষদে নারী সদস্য), ১২২ জন (মজলিসে শুরায় নারী সদস্য), ৪৩ শতাংশ (সদস্যদের মধ্যে নারী)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!