📌 জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় বিরোধী জোটের লংমার্চের প্রথম পর্বে ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত পথে পাঁচটি পথসভা ও সমাবেশে সরকারকে ফ্যাসিবাদী আচরণের সতর্কবার্তা দেওয়া হয়। বিরোধী নেতারা গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না হলে আন্দোলন অব্যাহত রাখার ঘোষণা দেন
জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় বিরোধী জোটের লংমার্চের প্রথম পর্বের সমাপন ঘটেছে চট্টগ্রামে। ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত পথে পাঁচটি পথসভা ও চট্টগ্রামের ঐতিহাসিক লালদীঘি ময়দানে সমাবেশের মাধ্যমে এই কর্মসূচি শেষ হয়। বিরোধী নেতারা সরকারকে ফ্যাসিবাদী আচরণের সতর্কবার্তা দেন এবং গণভোটের রায় বাস্তবায়নসহ ছয় দফা দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত রাজপথে থাকার প্রতিশ্রুতি পুনরাবৃত্তি করেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **১১-দলীয় বিরোধী জোটের লংমার্চের প্রথম পর্ব** ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত সম্পন্ন হয়, শেষ হয় চট্টগ্রামের লালদীঘি ময়দানে সমাবেশে
- 📌 **বিরোধী নেতারা সরকারকে ফ্যাসিবাদী আচরণের সতর্কবার্তা দেন** এবং বলেন, "আগের ফ্যাসিস্ট সরকার যে রাস্তায় হেঁটেছে, এই সরকারও সেই রাস্তায় হাঁটছে"
- 📌 **গণভোটের রায় বাস্তবায়নসহ ছয় দফা দাবি** — জুলাই গণহত্যার বিচার, বিদ্যুৎ-জ্বালানি সংকট নিরসন, মূল্যবৃদ্ধি রোধ, আইনশৃঙ্খলা উন্নতি ও সংকীর্ণ দলীয়করণ বন্ধ
- 📌 **জামায়াতের আমির শফিকুর রহমান** বলেন, "আমাদের আন্দোলন ঈদের পরের আন্দোলন নয়, জনগণের প্রাণের দাবি বাস্তবায়নের আন্দোলন"
- 📌 **বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম** প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে সতর্ক করে বলেন, "সংসদ-রাজপথ একাকার হয়ে যাবে"
📰 বিস্তারিত
বিরোধী জোটের লংমার্চের প্রথম পর্বের কর্মসূচি শনিবার রাতে চট্টগ্রামে সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়। সকালে রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বর থেকে সমাবেশের মাধ্যমে এই লংমার্চ শুরু হয়েছিল। পথে পাঁচটি পথসভা করে চট্টগ্রামে পৌঁছান বিরোধী নেতারা। লালদীঘি ময়দানে সমাবেশের সময় বিরোধী জোটের নেতারা সরকারকে ফ্যাসিবাদী আচরণের সতর্কবার্তা দেন। তারা বলেন, "আগের ফ্যাসিস্ট সরকার যে রাস্তায় হেঁটেছে, এই সরকারও সেই রাস্তায় হাঁটছে। এখনই সতর্ক না হলে এই সরকারের পরিণতিও ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের মতোই হবে।"
জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান সমাবেশে বলেন, "আমরা যখন লংমার্চের ডাক দিলাম, তখন বিভিন্ন জায়গায় চর্মরোগ দেখা দিয়েছে। আমাদের এই আন্দোলন ঈদের পরের আন্দোলন নয়। জনগণের যখনই প্রয়োজন হবে, আন্দোলনের ডাক তখনই আসবে।" তিনি আরও বলেন, "নির্বাচনের আগে বর্তমান সরকারি দল এবং আমরা সবাই বলেছি যে আপনারা হ্যাঁ বলুন। কিন্তু একটাও হয়নি। সন্তানেরা ভালো শিক্ষা পাবে, দেশ থেকে চাঁদাবাজি নির্মূল হবে — এই সব প্রতিশ্রুতি পূরণ হয়নি।"
বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ও জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উদ্দেশে বলেন, "আমরা এখনো সংসদে আছি। পরের অধিবেশনে যাব কি না, আমরা নিশ্চিত নই। কারণ, জনগণের অধিকার যদি সংসদ থেকে না আসে, এই সংসদ কোনো কাজেই আসবে না। আমরা হুঁশিয়ার করে দিতে চাই, সংসদ-রাজপথ একাকার হয়ে যাবে।"
"আমরা পতিত স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ আছি। পতিত স্বৈরাচার কোনোভাবেই দেশে ফেরত আসতে পারবে না। একইভাবে নতুন কোনো স্বৈরাচার হওয়ার রাস্তাও আমরা এই বাংলাদেশে হতে দেব না।"
বিরোধী জোটের লংমার্চে অংশ নেন জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার, নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির সভাপতি কর্নেল (অব.) অলি আহমদ, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির ভারপ্রাপ্ত আমির আবদুল কাইয়ুম সুবহানী, এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান (মঞ্জু), লেবার পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান (ইরান) ও জাগপার সহসভাপতি রাশেদ প্রধান।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা (শাপলা চত্বর), চট্টগ্রাম (লালদীঘি ময়দান)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শফিকুর রহমান (জামায়াত আমির), নাহিদ ইসলাম (এনসিপি আহ্বায়ক), অলি আহমদ (এলডিপি সভাপতি)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১১ দলীয় বিরোধী জোট
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!