📌 অগ্রণী ব্যাংকের রমনা শাখার লকার থেকে ৩ কোটি টাকার স্বর্ণালঙ্কার ও টাকা লুটের অভিযোগে সারাবাংলা প্রতিবেদন প্রকাশিত হলে ব্যাংক প্রতিবাদ জানায়। প্রতিবেদক বলেন, অভিযোগের ভিত্তিতে প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে এবং ব্যাংকের দাবি প্রতিবেদনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়
ঢাকায় অগ্রণী ব্যাংকের রমনা করপোরেট শাখার লকার থেকে প্রায় ৩ কোটি টাকার স্বর্ণালঙ্কার ও টাকা লুটের অভিযোগে গত ৩১ আগস্ট সারাবাংলা একটি বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রকাশ করে। এই প্রতিবেদনের প্রতিবাদ জানিয়ে অগ্রণী ব্যাংক কর্তৃপক্ষ একটি প্রতিবাদলিপি জারি করেছে। ব্যাংকের দাবি, গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদটি প্রকৃত ঘটনার সঙ্গে সম্পূর্ণ সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় এবং জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৩১ আগস্ট সারাবাংলা প্রকাশ করে অগ্রণী ব্যাংকের রমনা শাখার লকার থেকে ৩ কোটি টাকার স্বর্ণালঙ্কার ও টাকা লুটের অভিযোগমূলক প্রতিবেদন।
- 📌 ব্যাংক কর্তৃপক্ষের প্রতিবাদে জানানো হয়, লকারটি প্রয়াত হোসেন জাহানের নামে ছিল এবং তার মৃত্যুর পর ফারজানা রহমান লিমা লিখিত ঘোষণায় লকারের সামগ্রী তার বোন ফারহানা রহমানকে হস্তান্তর এবং লকার বন্ধের বিষয়ে অনাপত্তি দিয়েছেন।
- 📌 প্রতিবেদক বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকে দেওয়া লিখিত অভিযোগ এবং ভুক্তভোগীর সরাসরি বক্তব্যের ভিত্তিতে প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে। ব্যাংকের দাবি প্রতিবেদনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
- 📌 অভিযোগকারীর দাবি এবং ব্যাংকের দাবির মধ্যে স্পষ্ট পার্থক্য রয়েছে। প্রতিবেদক বলেন, অভিযোগকারীর বক্তব্য এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে।
📰 বিস্তারিত
সারাবাংলা প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, অগ্রণী ব্যাংকের রমনা করপোরেট শাখার একটি লকার থেকে প্রায় ৩ কোটি টাকার স্বর্ণালঙ্কার ও টাকা উধাও হয়েছে। এই অভিযোগের প্রতিবাদ জানিয়ে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ একটি প্রতিবাদলিপি প্রকাশ করেছে। তারা দাবি করেছেন, গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদটি প্রকৃত ঘটনার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। ব্যাংকের ভাষ্য অনুযায়ী, লকারটি প্রয়াত হোসেন জাহানের নামে পরিচালিত ছিল। তার মৃত্যুর পর লকারের নমিনি ফারজানা রহমান লিমা লিখিত ঘোষণায় লকারে সংরক্ষিত সামগ্রী তার বোন ফারহানা রহমানকে হস্তান্তর এবং লকার বন্ধের বিষয়ে অনাপত্তি দিয়েছেন। ব্যাংক কর্তৃপক্ষের দাবি, এই লকারের সাথে কোনো অনিয়ম বা লুটের ঘটনা ঘটেনি এবং লকারের কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে।
অপরদিকে, প্রতিবেদকের বক্তব্যে জানানো হয়েছে, বাংলাদেশ ব্যাংকে দেওয়া লিখিত অভিযোগ এবং ভুক্তভোগীর সরাসরি বক্তব্যের ভিত্তিতে প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে। প্রতিবেদক বলেছেন, অভিযোগের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বক্তব্য নেওয়া এবং ঘটনাটি যাচাইয়ের চেষ্টা করা হয়েছে। তিনি দাবি করেছেন, এটিকে প্রতিবেদকের ব্যক্তিগত আক্রমণ বা মনগড়া প্রতিবেদন হিসেবে দেখার কোনো সুযোগ নেই।
অভিযোগকারীর দাবি এবং ব্যাংকের দাবির মধ্যে স্পষ্ট পার্থক্য রয়েছে। অভিযোগকারীর দাবি অনুযায়ী, লকারে সংরক্ষিত স্বর্ণালঙ্কার ও অর্থ নিয়ে অনিয়মের বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে। ব্যাংকের দাবি অনুযায়ী, লকারের কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে এবং কোনো অনিয়ম ঘটেনি। এই বিরোধের কারণে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ প্রতিবাদ জানিয়েছে এবং প্রতিবেদনকে প্রকৃত ঘটনার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় বলে উল্লেখ করেছে।
"বাংলাদেশ ব্যাংকে দেওয়া লিখিত অভিযোগ এবং ভুক্তভোগীর সঙ্গে সরাসরি কথা বলার ভিত্তিতেই প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা হয়েছে। অভিযোগের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বক্তব্য নেওয়া এবং ঘটনাটি যাচাইয়ের চেষ্টা করেই প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, অগ্রণী ব্যাংকের রমনা করপোরেট শাখা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অভিযোগকারী, ফারজানা রহমান লিমা, ফারহানা রহমান, হোসেন জাহান, প্রতিবেদক
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩ কোটি টাকা, ৩১ আগস্ট
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!