📌 প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ও গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর দাবি করেছেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ছাত্র উপদেষ্টাদের তদন্তে প্রত্যেকের নামে অন্তত শতকোটি টাকার দুর্নীতির প্রমাণ পাওয়া যাবে। তিনি অভিযোগ করেছেন, তাদের কার্যকলাপে বিপ্লবের আড়ালে ফ্যাসিবাদী কর্মকাণ্ড ও রাজনৈতিক সুবিধাবাদী আচরণের প্রমাণ রয়েছে
প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ও গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর তীব্রভাবে অভিযোগ করেছেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ছাত্র উপদেষ্টাদের তদন্তে প্রত্যেকের নামে অন্তত শতকোটি টাকার দুর্নীতির প্রমাণ পাওয়া যাবে। তিনি বলেছেন, যদি সঠিক ও নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করা হয়, তবে প্রত্যেক ছাত্র উপদেষ্টার বিরুদ্ধে দুর্নীতির প্রমাণ পাওয়া যাবে। শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) সকালে ডিআরইউ সাগর-রুনি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত গণঅধিকার পরিষদ ও মহানগর দক্ষিণের কর্মিসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 নুরুল হক নুর দাবি করেছেন, প্রত্যেক ছাত্র উপদেষ্টার বিরুদ্ধে অন্তত শতকোটি টাকার দুর্নীতির প্রমাণ পাওয়া যাবে যদি নিরপেক্ষ তদন্ত করা হয়।
- 📌 তিনি অভিযোগ করেছেন, জুলাই অভ্যুত্থানের পর জাতীয় ঐক্য ধরে রাখতে ব্যর্থতা ছিল অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ ও ছাত্র উপদেষ্টাদের দায়িত্ব।
- 📌 মিডিয়া ও রাষ্ট্রযন্ত্রের অপব্যবহার করে রাজনৈতিক সুবিধা নেওয়ার অভিযোগ করেছেন তিনি।
- 📌 ফ্যাসিবাদী কর্মকাণ্ড ও সুবিধাবাদী মহলের সাথে আঁতাত করার অভিযোগ উঠেছে নুরের বক্তব্যে।
- 📌 তিনি দাবি করেছেন, তরুণদের মাধ্যমে নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণের প্রত্যাশা বাধাগ্রস্ত হয়েছে।
- 📌 ৬ মাসের দায়িত্বে থাকা সত্ত্বেও কোনো দুর্নীতির প্রমাণ না থাকায় তিনি বলেছেন, প্রমাণ পাওয়া গেলে দায়িত্ব ছেড়ে দেবেন।
📰 বিস্তারিত
গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর বলেছেন, জুলাই অভ্যুত্থানের পর জাতীয় ঐক্য ধরে রাখতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ ও ছাত্র উপদেষ্টাদের ভূমিকা ছিল অপরিহার্য। কিন্তু সেই ঐক্য রক্ষা করা সম্ভব হয়নি। তিনি অভিযোগ করেছেন, এই ছাত্র উপদেষ্টারা ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন এবং রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহার করে রাজনৈতিক সুবিধা নেওয়ার চেষ্টা করেছেন।
নুর বলেন, মিডিয়ার মাধ্যমে সামনে আসা এই ছাত্র উপদেষ্টারা বিপ্লবের আড়ালে ফ্যাসিবাদী কর্মকাণ্ডে লিপ্ত ছিলেন এবং বিভিন্ন সুবিধাবাদী মহলের সাথে আঁতাত করেছেন। তিনি আরও দাবি করেছেন, তরুণদের মাধ্যমে নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণের যে প্রত্যাশা ছিল, তা তাদের কার্যকলাপে বাধাগ্রস্ত হয়েছে। এর ফলে গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী রাজনীতি সঠিক পথে এগোতে পারেনি।
৬ মাসের দায়িত্বে থাকা সত্ত্বেও নুর বলেছেন, কোনো দুর্নীতির প্রমাণ না থাকায় তিনি দায়িত্বে থাকবেন। তিনি বলেন, যেদিন প্রমাণ পাওয়া যাবে, সেদিনই দায়িত্ব ছেড়ে দেব। তিনি আরও বলেছেন, জনগণের ভ্যাট-ট্যাক্সের টাকায় পরিচালিত রাষ্ট্রের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দায়বদ্ধতার জায়গা থেকে জনগণকে সেবা দিতে হবে।
"শুধু একজন উপদেষ্টা নয়, এই তথাকথিত ছাত্র উপদেষ্টা যারা ছিল, তাদের যদি সঠিক এবং নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করা হয়, তবে প্রত্যেকের অন্তত শতকোটি টাকার দুর্নীতি পাওয়া যাবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, ডিআরইউ সাগর-রুনি মিলনায়তন
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: নুরুল হক নুর (প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ও গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: শতকোটি টাকা (প্রত্যেক ছাত্র উপদেষ্টার বিরুদ্ধে দুর্নীতির দাবি)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!