📌 ঢাকার ভারতীয় হাইকমিশনের ইন্দিরা গান্ধী কালচারাল সেন্টার (আইজিসিসি) রবীন্দ্রনাথের 'বৃক্ষ বন্দনা'-এর অনুপ্রেরণায় 'ধরা তরু কাব্য' শিরোনামে একটি নৃত্যনাট্য পরিবেশন করেছে। অনুষ্ঠানে প্রকৃতি ও মানবতার সম্পর্ক তুলে ধরা হয়।
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত কবিতা ‘বৃক্ষ বন্দনা’-এর অনুপ্রেরণায় ঢাকার ভারতীয় হাইকমিশনের ইন্দিরা গান্ধী কালচারাল সেন্টার (আইজিসিসি) শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর ছায়ানট মিলনায়তনে ‘ধরা তরু কাব্য’ শিরোনামে একটি বিশেষ নৃত্যনাট্য পরিবেশন করেছে। এই পরিবেশনায় প্রকৃতি, মানবজাতি ও পরিবেশের মধ্যকার চিরন্তন সম্পর্ককে নৃত্য ও নাট্যের ভাষায় উপস্থাপন করা হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ১১ সেপ্টেম্বর ঢাকার ছায়ানট মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত ‘ধরা তরু কাব্য’ নৃত্যনাট্য পরিবেশনা রবীন্দ্রনাথের ‘বৃক্ষ বন্দনা’ অবলম্বনে তৈরি
- 📌 অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন এবং বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের কথা উল্লেখ করেন
- 📌 ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, এই পরিবেশনাটি প্রকৃতিমাতাকে সম্মান ও সংরক্ষণের যৌথ দায়িত্বের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়
- 📌 ‘তুরঙ্গমী রেপার্টরি ড্যান্স থিয়েটার’-এর আর্টিস্টিক ডিরেক্টর পূজা সেনগুপ্তের নেতৃত্বে পরিবেশনা করা হয়েছে
- 📌 অনুষ্ঠানে বাংলার ছয় ঋতুর মনোরম উপস্থাপনা করা হয়েছে, যা প্রকৃতির সাথে রবীন্দ্রনাথের গভীর সংযোগকে উদযাপন করেছে
📰 বিস্তারিত
ঢাকার ভারতীয় হাইকমিশন এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, এই নৃত্যনাট্য পরিবেশনা প্রকৃতির সৌন্দর্য, প্রাণশক্তি ও মানবজীবনের মধ্যকার গভীর বন্ধনকে তুলে ধরেছে। অনুষ্ঠানে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যকার সাংস্কৃতিক সম্পর্কের ওপর আলোকপাত করা হয়। হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, উভয় দেশের অভিন্ন ঐতিহ্য, সাহিত্য এবং প্রকৃতির প্রতি ভালোবাসা এই সম্পর্কের মূলে রয়েছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, এই পরিবেশনাটি প্রকৃতিমাতাকে সম্মান ও সংরক্ষণের যৌথ দায়িত্বের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়।
‘ধরা তরু কাব্য – নেচারস টেল’ (Nature’s Tale) পরিবেশনাটি বাংলার ছয় ঋতুর—বসন্তের পুষ্পশোভা, গ্রীষ্মের উষ্ণতা, বর্ষার বারিধারা, শরতের প্রাচুর্য এবং শীতের নিস্তব্ধতা—মনোরম উপস্থাপনার মাধ্যমে রবীন্দ্রনাথের সেই চিরন্তন ও গভীর সংযোগকে উদযাপন করেছে। এই প্রযোজনাটি প্রকৃতির সৌন্দর্য ও মানবজীবনের মধ্যে গভীর সম্পর্ককে মূর্ত করে তুলেছে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী, সংস্কৃতি ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা, রবীন্দ্রসঙ্গীত জগতের ব্যক্তিত্ব, প্রখ্যাত নৃত্যশিল্পী এবং শিক্ষার্থী ও তরুণ পেশাজীবীরা।
"বাংলাদেশ সরকার বহুমুখী উপায়ে সংস্কৃতির প্রসারে সহায়তা প্রদান করছে। এই পরিবেশনাটি আমাদের প্রকৃতিমাতাকে সম্মান ও সংরক্ষণ করার যৌথ দায়িত্বের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকার ছায়ানট মিলনায়তন
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: পূজা সেনগুপ্ত (আর্টিস্টিক ডিরেক্টর), দীনেশ ত্রিবেদী (হাইকমিশনার), নিতাই রায় চৌধুরী (সংস্কৃতি মন্ত্রী)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১১ সেপ্টেম্বর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!