📌 বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) সভাপতি কাজী সাজ্জাদ জহির চন্দন বলেছেন, সরকারের অগ্রাধিকারে খেটে খাওয়া শ্রমিক-মানুষের কোনো স্থান নেই। রাজধানীর শ্রমিক সমাবেশে তিনি ন্যূনতম মজুরি বাড়ানোর দাবি জানান
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) সভাপতি কাজী সাজ্জাদ জহির চন্দন সরকারের অগ্রাধিকারে খেটে খাওয়া শ্রমিক-মানুষের অবস্থানকে নিরাপদ বলে মনে করেন না। তিনি বলেছেন, ‘বিগত ছয় মাসের শাসন পর্যালোচনা করে দেখা যায়, সরকারের অগ্রাধিকারে খেটে খাওয়া মানুষের কোনো স্থান নেই।’ আজ শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর পুরানা পল্টন মোড়ে শ্রমিক স্বার্থ রক্ষা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত কেন্দ্রীয় শ্রমিক সমাবেশে তিনি এই মন্তব্য করেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সিপিবি সভাপতি কাজী সাজ্জাদ জহির চন্দন বলেছেন, সরকারের অগ্রাধিকারে খেটে খাওয়া শ্রমিক-মানুষের কোনো স্থান নেই
- 📌 আবদুল্লাহ ক্বাফী রতন দাবি করেন, ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণ ও বাস্তবায়ন অবিলম্বে করতে হবে
- 📌 ৪ লাখের বেশি আউটসোর্সিং শ্রমিককে স্থায়ী কর্মচারী হিসেবে স্বীকৃতি দেবার দাবি জানানো হয়
- 📌 পোশাকশ্রমিকদের জন্য দাবি: মজুরি কমিশন গঠন ও মজুরি বাড়ানো
- 📌 চা-শ্রমিকদের দাবি: দৈনিক ৫০০ টাকা মজুরি নিশ্চিত করা
- 📌 শ্রমিকদের জন্য দাবি: রেশনিং, নিরাপদ আবাসন ও ‘জীবিকা সুরক্ষা আইন’ প্রণয়ন
- 📌 ব্যাটারি চালিত যানবাহনের জন্য লাইসেন্স ও সুষ্ঠু নীতিমালা প্রণয়নের দাবি
- 📌 বন্ধ পাটকল পুনরায় চালু ও শ্রমিক পুনর্বাসনের দাবি
- 📌 হকার উচ্ছেদ বন্ধ ও শ্রমিক ছাঁটাই বন্ধের দাবি
📰 বিস্তারিত
আজ শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর পুরানা পল্টন মোড়ে শ্রমিক স্বার্থ রক্ষা দিবস উপলক্ষে সিপিবি কেন্দ্রীয় শ্রমিক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশের আগে পল্টন মোড় থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। মিছিলটি জাতীয় প্রেসক্লাব, কদম ফোয়ারা ঘুরে জিরো পয়েন্ট ও গুলিস্তান এলাকা প্রদক্ষিণ করে আবার পুরানা পল্টনে ফিরে আসে।
সিপিবির সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ ক্বাফী রতন সমাবেশে বলেন, নিত্যপণ্যের দাম বৃদ্ধি, কর্মসংস্থানের অনিশ্চয়তা, কম মজুরি, শ্রমিক ছাঁটাই, কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তাহীনতা এবং সামাজিক সুরক্ষার অভাবের কারণে শ্রমজীবীদের জীবন ক্রমশ দুর্বিষহ হয়ে উঠছে। তিনি দাবি করেন, ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণ ও তা সর্বত্র বাস্তবায়নের জন্য অবিলম্বে পদক্ষেপ নেওয়া দরকার।
সমাবেশে নেতারা পোশাকশ্রমিকদের জন্য মজুরি কমিশন গঠন ও নতুন মজুরিকাঠামো নির্ধারণের দাবি জানান। পাশাপাশি চা-শ্রমিকদের চলমান আন্দোলনের প্রতি সমর্থন জানিয়ে দৈনিক ৫০০ টাকা মজুরি নির্ধারণের দাবি করা হয়। এছাড়া খেতমজুর, গৃহশ্রমিক, চাতালশ্রমিকসহ সব শ্রমজীবীর ন্যায্য মজুরি নিশ্চিত, রেশনিং ও নিরাপদ আবাসনের ব্যবস্থা এবং ‘জীবিকা সুরক্ষা আইন’ প্রণয়নের দাবি জানানো হয়।
সমাবেশে আরও দাবি করা হয় ব্যাটারি চালিত যানবাহনের জন্য বিআরটিএ কর্তৃক লাইসেন্স ও সুষ্ঠু যান্ত্রিক নীতিমালা প্রণয়ন, বন্ধ পাটকলগুলো পুনরায় চালু করে শ্রমিকদের পুনর্বাসন এবং হকার উচ্ছেদ বন্ধের জন্য। নেতারা সব ধরনের শ্রমিক ছাঁটাই, বঞ্চনা ও বৈষম্য বন্ধ করে শ্রম আইন ও শ্রমিকের সাংবিধানিক অধিকার কার্যকর করার আহ্বান জানান।
"বিগত ছয় মাসের শাসন পর্যালোচনা করে দেখা যায়, সরকারের অগ্রাধিকারে খেটে খাওয়া মানুষের কোনো স্থান নেই।"
সমাবেশে সিপিবির প্রেসিডিয়াম সদস্য জলি তালুকদার ও এস এ রশীদ, বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্রের সহসভাপতি মাহাবুবুল আলম, গার্মেন্ট শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্রের সভাপতি মন্টু ঘোষসহ বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠনের নেতারা বক্তব্য দেন।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: পুরানা পল্টন, রাজধানী ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: কাজী সাজ্জাদ জহির চন্দন (সিপিবি সভাপতি), আবদুল্লাহ ক্বাফী রতন (সিপিবি সাধারণ সম্পাদক)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫০০ টাকা (চা-শ্রমিকদের দাবি), ৪ লাখ (আউটসোর্সিং শ্রমিক)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!