📌 আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে নির্বাচন কমিশন নতুন আচরণ বিধিমালা জারি করেছে যেখানে দলীয় প্রতীক ও পোস্টার ব্যবহার সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। প্রচারণায় ব্যানার, ফেস্টুন, হ্যান্ডবিল ও সীমিত বিলবোর্ড ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হয়েছে এবং আচরণবিধি লঙ্ঘনের জরিমানা ১০ হাজার থেকে বৃদ্ধি করে ৫০ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে
আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে পরিচালনার জন্য নির্বাচন কমিশন নতুন এবং সমন্বিত আচরণ বিধিমালা, ২০২৬ জারি করেছে। এই বিধিমালায় নির্বাচন প্রচারাভিযানে দলীয় প্রতীক ও পোস্টার ব্যবহার সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আচরণবিধির সাথে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে সামঞ্জস্য আনা হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 প্রচারণায় ব্যানার, ফেস্টুন, লিফলেট এবং হ্যান্ডবিল ব্যবহার করা যাবে কিন্তু পোস্টার ও দলীয় প্রতীক নিষিদ্ধ।
- 📌 বিলবোর্ডের সর্বোচ্চ আয়তন ১৬ ফুট বাই ৯ ফুট নির্ধারণ করা হয়েছে।
- 📌 সিটি করপোরেশন ও ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে প্রতি ওয়ার্ডে একটি বিলবোর্ড অনুমোদিত।
- 📌 উপজেলা নির্বাচনে সর্বোচ্চ ২০টি এবং জেলা পরিষদে প্রতি থানা বা উপজেলায় একটি বিলবোর্ড স্থাপন করা যাবে।
- 📌 আচরণবিধি লঙ্ঘনের জরিমানা ১০ হাজার টাকা থেকে বৃদ্ধি করে ৫০ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
- 📌 মাইক ব্যবহারের সময় দুপুর ১২টা থেকে সূর্যাস্তের পূর্ব পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে এবং জেলা পরিষদ নির্বাচনে মাইকিং সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
📰 বিস্তারিত
নির্বাচন কমিশনের নতুন বিধিমালায় প্রচার সামগ্রীতে কঠোর নিয়মকানুন প্রণয়ন করা হয়েছে। প্রার্থী বা তার সমর্থকরা কোনো ধরনের পোস্টার ব্যবহার করতে পারবেন না। একইসাথে প্রচারণা সামগ্রীতে প্রার্থীর ছবি ও প্রতীক ছাড়া অন্য কারও ছবি ব্যবহার সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
বিলবোর্ড স্থাপনের ক্ষেত্রে নির্বাচনের স্তরভেদে ভিন্ন নিয়ম নির্ধারণ করা হয়েছে। সিটি করপোরেশন এবং ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে প্রতিটি ওয়ার্ডে একটি বিলবোর্ড স্থাপনের সুযোগ রয়েছে। উপজেলা নির্বাচনে পুরো উপজেলা জুড়ে সর্বোচ্চ ২০টি বিলবোর্ড ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
প্রচারণা পরিচালনার সময়সীমায় নতুন পরিবর্তন আনা হয়েছে। মাইক ব্যবহার এখন দুপুর ১২টা থেকে শুরু হয়ে সূর্যাস্তের আগেই শেষ করতে হবে। জেলা পরিষদ নির্বাচনের ক্ষেত্রে মাইকিং সম্পূর্ণভাবে বন্ধ রাখার নির্দেশ রয়েছে।
নতুন নীতিমালা অনুযায়ী পলিথিন আবরণ বা পিভিসি বস্তু প্রচার সামগ্রীতে ব্যবহার করা সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ। আচরণবিধি অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ছয় মাসের কারাদণ্ডের বিধান বজায় রয়েছে এবং নির্বাচন কমিশন অপরাধের মাত্রা বিবেচনায় সরাসরি প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিল করতে পারবে।
"সিটি করপোরেশন ও ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে প্রতি ওয়ার্ডে একটি করে বিলবোর্ড বসানো যাবে। উপজেলা নির্বাচনে উপজেলাজুড়ে সর্বোচ্চ ২০টি এবং জেলা পরিষদ নির্বাচনে প্রতি থানা বা উপজেলায় একটি করে বিলবোর্ড ব্যবহারের সুযোগ রাখা হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 নির্বাচনের স্তর: সিটি করপোরেশন, ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা, জেলা পরিষদ
- 👥 প্রভাবিত পক্ষ: প্রার্থী এবং তাদের সমর্থকরা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: বিলবোর্ড আয়তন ১৬ ফুট বাই ৯ ফুট, উপজেলায় সর্বোচ্চ ২০টি বিলবোর্ড, জরিমানা ৫০ হাজার টাকা, মাইক সময় দুপুর ১২টা থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!