📅 ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯:১৩ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

নির্দলীয় স্থানীয় নির্বাচনে পোস্টার প্রচার নিষিদ্ধ, ডিজিটাল মাধ্যমে প্রচারের অনুমতি রয়েছে

নির্দলীয় স্থানীয় নির্বাচনে পোস্টার প্রচার নিষিদ্ধ, ডিজিটাল মাধ্যমে প্রচারের অনুমতি রয়েছে

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 স্থানীয় সরকার নির্বাচনের জন্য নির্বাচন কমিশন নতুন আচরণবিধিমালা জারি করেছে। পোস্টার নিষিদ্ধ থাকলেও সামাজিক মাধ্যমে প্রচারের সুযোগ রাখা হয়েছে এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে বিভ্রান্তি ছড়ানো নিষিদ্ধ করা হয়েছে

স্থানীয় সরকার নির্বাচনের জন্য নির্বাচন কমিশন (ইসি) সম্পূর্ণ নতুন আচরণবিধিমালা প্রকাশ করেছে। সিটি করপোরেশন, জেলা পরিষদ, উপজেলা পরিষদ, পৌরসভা এবং ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনের জন্য আলাদা আলাদা বিধিমালা তৈরি করা হয়েছে, যা গত রোববার রাতে গেজেটে প্রকাশিত হয়। এই নির্বাচন হবে নির্দলীয়, যার কারণে ইসি নতুন বিধিমালা প্রণয়ন করেছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 স্থানীয় নির্বাচনে গত জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মতো পোস্টার ব্যবহার করা যাবে না।
  • 📌 ব্যানার, ফেস্টুন, হ্যান্ডবিল এবং বিলবোর্ড দিয়ে প্রচার করা যাবে।
  • 📌 ডিজিটাল এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারের সুযোগ রাখা হয়েছে।
  • 📌 কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) দিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানো, চরিত্র হনন, ভুয়া তথ্য বা ঘৃণাত্মক বক্তব্য প্রচার করা নিষিদ্ধ।
  • 📌 অনলাইন প্রচারের আগে অ্যাকাউন্ট আইডি এবং ই-মেইল রিটার্নিং কর্মকর্তাকে জমা দিতে হবে।
  • 📌 প্রতীক বরাদ্দের আগে প্রচার চালানো যাবে না এবং জনসভা বা মিছিল করা যাবে না।

📰 বিস্তারিত

আচরণবিধিমালায় স্থানীয় নির্বাচনে প্রার্থীর সমর্থকদের সংখ্যা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময় প্রার্থীর সঙ্গে সর্বোচ্চ পাঁচজন সমর্থক থাকতে পারবেন। প্রচারণায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সরকারি পদের ধারকরা অংশ নিতে পারবেন না। এই নিষেধাজ্ঞায় অন্তর্ভুক্ত প্রধানমন্ত্রী, জাতীয় সংসদের স্পিকার, ডেপুটি স্পিকার, মন্ত্রী, চিফ হুইপ, বিরোধীদলীয় নেতা, সংসদ উপনেতা, বিরোধীদলীয় উপনেতা, প্রতিমন্ত্রী, হুইপ এবং উপমন্ত্রী।

সংসদ সদস্য, সিটি করপোরেশনের মেয়র এবং প্রশাসকরাও স্থানীয় নির্বাচনে প্রচারণায় অংশ নিতে পারবেন না। প্রার্থী ছাড়া চেয়ারম্যান, মেয়র বা স্থানীয় সরকারের দায়িত্বপ্রাপ্ত কোনো ব্যক্তিও প্রচারে অংশগ্রহণ করতে পারবেন না। নির্বাচনে ভোটারদের প্রভাবিত করার উদ্দেশ্যে ব্যক্তিগত এনআইডি নম্বর বা মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসের জন্য মোবাইল নম্বর সংগ্রহ করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।

আচরণবিধি লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে। গুরুতর লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশন প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিল করার ক্ষমতা রাখে।

"প্রতীক বরাদ্দের আগে প্রচার চালানো যাবে না। জনসভা বা মিছিল করা যাবে না।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: দেশব্যাপী (সিটি করপোরেশন, জেলা পরিষদ, উপজেলা পরিষদ, পৌরসভা, ইউনিয়ন পরিষদ)
  • 👥 প্রধান প্রতিষ্ঠান: নির্বাচন কমিশন
  • 🔢 সর্বোচ্চ সমর্থক সংখ্যা: পাঁচজন

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖