📅 ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:২৯ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

যুদ্ধ তহবিল সংগ্রহের জন্য ইউক্রেন পর্নোগ্রাফি শিল্পকে আইনি স্বীকৃতি দেওয়ার বিবেচনা করছে

যুদ্ধ তহবিল সংগ্রহের জন্য ইউক্রেন পর্নোগ্রাফি শিল্পকে আইনি স্বীকৃতি দেওয়ার বিবেচনা করছে

📷 ছবি: Jamuna TV

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 যমুনা টিভি ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 রাশিয়ার সাথে যুদ্ধের ব্যয় মেটাতে ইউক্রেন পর্নোগ্রাফি শিল্পকে বৈধ করার প্রস্তাব নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে, যা থেকে বছরে ২ কোটি ৫০ লাখ ডলার পর্যন্ত কর রাজস্ব আসতে পারে বলে অনুমান করা হচ্ছে

রাশিয়ার সাথে দীর্ঘমেয়াদী সংঘাতের আর্থিক চাপ মোকাবেলায় নতুন রাজস্ব উৎস খুঁজছে ইউক্রেন। এই লক্ষ্যে দেশটি পর্নোগ্রাফি শিল্পকে আইনসম্মত করার উদ্যোগ নিচ্ছে বলে মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল জানিয়েছে। ইউক্রেনের সংসদে ইতিমধ্যে এই বিষয়ে একটি বিল উপস্থাপন করা হয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ইউক্রেনের পার্লামেন্টের অর্থবিষয়ক কমিটির চেয়ারম্যান ইয়ারোস্লাভ ঝেলেজনিয়াক পর্নোগ্রাফি বৈধকরণের বিল এনেছেন যা ২০২৬ সালের জুলাইয়ে প্রথম পাঠে অনুমোদিত হয়েছে।
  • 📌 ঝেলেজনিয়াকের হিসাব অনুযায়ী, এই খাত থেকে বছরে ২ কোটি ৫০ লাখ ডলার পর্যন্ত কর আদায় সম্ভব যা দিয়ে প্রায় ৩০ হাজার ড্রোন ক্রয় করা যেতে পারে।
  • 📌 ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে শুধু ২০২৩ সালেই ইউক্রেনের ৭ হাজার ৯০০ জন 'অনলি ফ্যানস' থেকে ১৩ কোটি ১০ লাখ ডলারের বেশি আয় করেছেন।
  • 📌 বর্তমানে ইউক্রেনে পর্নোগ্রাফি তৈরি, সংরক্ষণ বা বিতরণ আইনত নিষিদ্ধ এবং এই কাজে সর্বোচ্চ সাত বছর কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে।
  • 📌 বৈধকরণের পিটিশন প্রকাশের এক সপ্তাহের মধ্যেই ২৫ হাজারের বেশি মানুষ স্বাক্ষর করেছেন এবং প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি এই প্রস্তাব পার্লামেন্টে বিবেচনার ব্যবস্থা করবেন বলে জানিয়েছেন।

📰 বিস্তারিত

ইউক্রেনের দুর্বল অর্থনীতি শক্তিশালী করার পাশাপাশি যুদ্ধের তহবিল বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে সরকার পর্নোগ্রাফি থেকে কর আদায়ের পরিকল্পনা করছে। বর্তমানে এই শিল্পে যুক্ত নারীরা একটি দ্বিধা পূর্ণ অবস্থার সম্মুখীন হচ্ছেন—তারা যদি কর না দেয় তাহলে ফৌজদারি মামলার সম্মুখীন হন এবং কর দিলে একই সাথে পর্নোগ্রাফি আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে অভিযুক্ত হন। ইয়ারোস্লাভ ঝেলেজনিয়াক এই পরিস্থিতিকে একই সাথে 'দুঃখজনক ও হাস্যকর' বলে অভিহিত করেছেন।

ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে এই শিল্পের সাথে সংশ্লিষ্টরা প্রায়ই দুর্নীতিগ্রস্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চাপে থাকেন। সাম্প্রতিক সময়ে ইউক্রেনের প্রধান প্রসিকিউটরের কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, দেশটির তিনটি অঞ্চলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা ঘুষ হিসেবে ২০ হাজার ডলার পর্যন্ত গ্রহণ করেছেন। যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই কর্তৃপক্ষ প্রাপ্তবয়স্ক কনটেন্ট নির্মাতাদের কাছ থেকে কর দাবি করতে শুরু করেছে কিন্তু একই সঙ্গে তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থাও নিয়েছে।

বিলটি বর্তমানে সংসদের দ্বিতীয় পাঠের জন্য অপেক্ষায় রয়েছে। বিলটি পাস হলে ইউক্রেনে পর্নোগ্রাফি শিল্পের আইনি অবস্থান পরিবর্তিত হবে এবং সেক্টরটির উপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি উল্লেখযোগ্য পরিমাণ কর রাজস্ব আয়ের নতুন পথ তৈরি হবে। তবে যুদ্ধকালীন এই ধরনের উদ্যোগ ইউক্রেনের সামাজিক, ধর্মীয় ও রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন বিতর্কের সৃষ্টি করতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

"এ খাত থেকে বছরে সর্বোচ্চ ২ কোটি ৫০ লাখ ডলার পর্যন্ত কর আদায় সম্ভব এবং এই অর্থ দিয়ে ইউক্রেন প্রায় ৩০ হাজার ড্রোন কিনতে পারবে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ইউক্রেন এবং রাশিয়া (যুদ্ধের প্রসঙ্গে)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ইয়ারোস্লাভ ঝেলেজনিয়াক (পার্লামেন্টের অর্থবিষয়ক কমিটির চেয়ারম্যান) এবং প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: বার্ষিক সম্ভাব্য কর রাজস্ব ২ কোটি ৫০ লাখ ডলার, ক্রয়যোগ্য ড্রোন ৩০ হাজার, ২০২৩ সালে ৭ হাজার ৯০০ জন অনলি ফ্যানস ব্যবহারকারী যারা ১৩ কোটি ১০ লাখ ডলার আয় করেছেন, ঘুষের পরিমাণ ২০ হাজার ডলার, পিটিশনে স্বাক্ষরকারী ২৫ হাজারের বেশি মানুষ

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖