📌 কুমিল্লা জামায়াতের কার্যালয়ে ঘটা ভাঙচুরের ঘটনায় কেন্দ্রীয় কমিটি সাবেক আমির কাজী দ্বীন মোহাম্মদ ও নায়েবে আমির এমদাদুল হক মামুনকে দল থেকে অব্যাহতি দিয়েছে। ঘটনাস্থলে তদন্তের পর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়
কুমিল্লা মহানগর জামায়াতের কার্যালয়ে ঘটা ভাঙচুরের ঘটনায় কেন্দ্রীয় কমিটি সিদ্ধান্ত নেয় দু’জন নেতাকে দল থেকে অব্যাহতি দেওয়ার। সাবেক আমির কাজী দ্বীন মোহাম্মদ ও নায়েবে আমির এমদাদুল হক মামুনকে এই সিদ্ধান্তের শিকার করা হয়েছে। এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন কাজী দ্বীন মোহাম্মদ নিজেই।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 কুমিল্লা জামায়াতের কার্যালয়ে ১৪ অক্টোবর সন্ধ্যা ৭টায় ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।
- 📌 ১৬ অক্টোবর কেন্দ্রীয় কমিটি ভেঙে দেয় জামায়াতের কুমিল্লা মহানগর শাখা।
- 📌 ২ নেতাকে অব্যাহতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় কেন্দ্রীয় কমিটি — সাবেক আমির কাজী দ্বীন মোহাম্মদ ও নায়েবে আমির এমদাদুল হক মামুন।
- 📌 তদন্ত কমিটি গঠন করা হয় — সদস্য হিসেবে নায়েবে আমির এমপি আজহারুল ইসলাম ও সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা মুহাম্মদ শাহজাহান।
- 📌 সহকারী সেক্রেটারি কামরুজ্জামান সোহেলকে অব্যাহতির বিষয়ে জানাতে বলা হলেও তিনি ফোন ধরেননি।
📰 বিস্তারিত
কুমিল্লা মহানগর জামায়াতের কার্যালয়ে ১৪ অক্টোবর বুধবার সন্ধ্যা ৭টায় ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। এই ঘটনার পর ১৬ অক্টোবর কেন্দ্রীয় কমিটি জামায়াতের কুমিল্লা মহানগর শাখা ভেঙে দেয়। ঘটনাস্থলে তদন্তের জন্য একটি কমিটি গঠন করা হয়। কমিটিতে নায়েবে আমির এমপি আজহারুল ইসলাম ও সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা মুহাম্মদ শাহজাহানকে সদস্য করা হয়। কমিটিকে এক সপ্তাহের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছিল।
সাবেক আমির কাজী দ্বীন মোহাম্মদ রবিবার দুপুরে জানান, ‘এমন কিছু একটা হয়েছে। আপনি দলের সহকারী সেক্রেটারি কামরুজ্জামান সোহেলের সাথে কথা বলেন। উনি বিস্তারিত বলবেন।’ অব্যাহতির বিষয়ে কামরুজ্জামান সোহেলকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি।
কেন্দ্রীয় কমিটি সিদ্ধান্ত নেয় দু’জন নেতাকে অব্যাহতি দেওয়ার। সাবেক আমির কাজী দ্বীন মোহাম্মদ ও নায়েবে আমির এমদাদুল হক মামুনকে এই সিদ্ধান্তের শিকার করা হয়েছে।
"এমন কিছু একটা হয়েছে। আপনি দলের সহকারী সেক্রেটারি কামরুজ্জামান সোহেলের সাথে কথা বলেন। উনি বিস্তারিত বলবেন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কুমিল্লা মহানগর জামায়াতের কার্যালয় (মোগলটুলী, ফারুকী হাউজ)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: কাজী দ্বীন মোহাম্মদ (সাবেক আমির), এমদাদুল হক মামুন (নায়েবে আমির), আজহারুল ইসলাম (নায়েবে আমির এমপি), মাওলানা মুহাম্মদ শাহজাহান (সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল), কামরুজ্জামান সোহেল (সহকারী সেক্রেটারি)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২ জন নেতা (অব্যাহতি), ১৪ অক্টোবর, ৭ টা সন্ধ্যা, ১৬ অক্টোবর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!