📅 ১ নভেম্বর ২০২৬, ৭:৫০ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

বগুড়া পুলিশের টিএ আত্মসাত মামলায় ৪ জনের টাকা ফেরত না দিলে বরখাস্তের হুমকি, ২৭ জন ফেরত দিয়েছেন দেড় কোটি টাকা

বগুড়া পুলিশের টিএ আত্মসাত মামলায় ৪ জনের টাকা ফেরত না দিলে বরখাস্তের হুমকি, ২৭ জন ফেরত দিয়েছেন দেড় কোটি টাকা

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বগুড়া জেলা পুলিশের টিএ আত্মসাত মামলায় ৩১ জন পুলিশ সদস্যের মধ্যে ২৭ জন দেড় কোটি টাকা ফেরত দিয়েছেন। বাকি চার পুলিশ সদস্য ও হিসাবরক্ষণ অফিসের অডিটর ফিরোজ আলমের কাছে এখনো প্রায় দেড় কোটি টাকা রয়েছে। ফিরোজ আলমকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে এবং চার কর্মচারীর বিরুদ্ধে কৈফিয়ত তলব করা হয়েছে

বগুড়া জেলা পুলিশের টিএ (ভ্রমণ ভাতা) আত্মসাত মামলায় নতুন তথ্য উন্মোচিত হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত ৩১ জন পুলিশ সদস্যের মধ্যে ২৭ জনেরই দেড় কোটি টাকার বেশি ফেরত দিয়েছেন। তবে বাকি চার পুলিশ সদস্য ও হিসাবরক্ষণ অফিসের অডিটর ফিরোজ আলমের কাছে এখনো প্রায় দেড় কোটি টাকা বাকি রয়েছে। এদিকে ফিরোজ আলমকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে এবং চার কর্মচারীর বিরুদ্ধে দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে কৈফিয়ত তলব করা হয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 বগুড়া পুলিশের টিএ আত্মসাত মামলায় ৩১ জন পুলিশ সদস্যের মধ্যে ২৭ জন দেড় কোটি টাকার বেশি ফেরত দিয়েছেন
  • 📌 বাকি চার পুলিশ সদস্য ও হিসাবরক্ষণ অফিসের অডিটর ফিরোজ আলমের কাছে এখনো প্রায় দেড় কোটি টাকা রয়েছে
  • 📌 ফিরোজ আলমকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে এবং চার কর্মচারীর বিরুদ্ধে কৈফিয়ত তলব করা হয়েছে
  • 📌 পুলিশ সুপার মীর্জা সায়েম মাহমুদ ১৯ আগস্ট বিষয়টি নজরে আনেন, এরপর ২৬ আগস্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়

📰 বিস্তারিত

বগুড়া জেলা পুলিশের টিএ আত্মসাত মামলায় নতুন তথ্য উন্মোচিত হয়েছে। এই ঘটনায় জড়িত ৩১ জন পুলিশ সদস্যের মধ্যে ২৭ জনেরই দেড় কোটি টাকার বেশি ফেরত দিয়েছেন। তবে বাকি চার পুলিশ সদস্য ও হিসাবরক্ষণ অফিসের অডিটর ফিরোজ আলমের কাছে এখনো প্রায় দেড় কোটি টাকা বাকি রয়েছে। তাঁরা এখনো ওই টাকা ফেরত দেননি।

এ ঘটনায় হিসাবরক্ষণ অফিসের পাঁচজন কর্মচারীর সংশ্লিষ্টতা শনাক্ত করেছে মহাহিসাবরক্ষণ কর্মকর্তার কার্যালয়ের তদন্ত কমিটি। তাঁদের মধ্যে অডিটর ফিরোজ আলমকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে অপর চার কর্মচারীকে কৈফিয়ত তলব করা হয়েছে। জেলা পুলিশের গঠন করা চার সদস্যের তদন্ত কমিটির প্রধান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) আসাদুজ্জামান বলেছেন, তদন্তের অংশ হিসেবে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের একাধিকবার জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। তাঁদের ব্যাংক হিসাব যাচাই-বাছাই করেও অস্বাভাবিক লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে।

আত্মসাত করা সরকারি অর্থ আদায়ের কৌশল হিসেবে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের টাকা ফেরত দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়েছিল। এর মধ্যে ২৭ জন পর্যায়ক্রমে দেড় কোটির বেশি টাকা ফেরত দিয়েছেন। আসাদুজ্জামান আরও বলেছেন, পুলিশ অফিসের হিসাব সহকারী রাজিবুল ইসলামসহ চার পুলিশ সদস্য টাকা ফেরত না দিলে তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হবে।

এক বছর ধরে জালিয়াতি আত্মসাতের অভিযোগে টাকা ফেরত দিয়েছেন এমন কয়েকজন পুলিশ সদস্যের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, চাকরি বাঁচানোর তাগিদে তাঁরা টাকা ফেরত দিতে বাধ্য হয়েছেন। তাঁদের দাবি, ব্যাংক হিসাবে পাঠানো টাকা তুলে এর বড় অংশ হিসাবরক্ষণ অফিসের অডিটর ফিরোজ আলম ও পুলিশ অফিসের হিসাব সহকারী রাজিবুল ইসলামকে দিতে হয়েছে।

তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, এক বছর ধরে পুলিশ অফিস ও হিসাবরক্ষণ অফিসের একটি চক্র পুলিশ সুপারের কম্পিউটার আইডি ব্যবহার করে পুলিশ সদস্যদের টিএ বিল-ভাউচার জালিয়াতির মাধ্যমে সরকারি অর্থ আত্মসাত করে আসছিল। গত ১৯ আগস্ট সকালে বিষয়টি পুলিশ সুপার মীর্জা সায়েম মাহমুদের নজরে আসে। এরপর পুলিশ অফিসের হিসাব সহকারী রাজিবুল ইসলাম ও হিসাবরক্ষণ অফিসের অডিটর ফিরোজ আলমকে সন্দেহভাজন হিসেবে রেখে ২৬ আগস্ট চার সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।

"তদন্তের অংশ হিসেবে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের একাধিকবার জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। তাঁদের ব্যাংক হিসাব যাচাই-বাছাই করেও অস্বাভাবিক লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে।"

তদন্ত কমিটির সদস্যরা বগুড়ায় এসে বিষয়টি তদন্ত করেন। বগুড়া জেলা হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা আছাদুজ্জামান সরকার বলেছেন, তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন পাওয়ার পর অডিটর ফিরোজ আলমকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া দায়িত্বে অবহেলার কারণে হিসাবরক্ষণ অফিসের আরও চার কর্মচারীর বিরুদ্ধে কৈফিয়ত তলব করা হয়েছে। তিনি বলেছেন, সরকারি অর্থ আত্মসাতের সঙ্গে অডিটর ফিরোজ আলম একাই জড়িত। তবে তিনি এখনো আত্মসাৎ করা টাকা ফেরত দেননি।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: বগুড়া জেলা, রাজশাহী বিভাগ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ফিরোজ আলম, আসাদুজ্জামান, রাজিবুল ইসলাম, মীর্জা সায়েম মাহমুদ
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩১ জন পুলিশ সদস্য, ২৭ জন ফেরত দিয়েছেন, ৪ জন ফেরত দেননি, দেড় কোটি টাকা

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖