📅 ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩:২৯ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

জামায়াত নেতা শফিকুর রহমানের প্রত্যয়: মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাব

👥 উল্লেখিত ব্যক্তিত্ব: ডাঃ মোঃ শফিকুর রহমান ডাঃ মোঃ শফিকুর রহমান
জামায়াত নেতা শফিকুর রহমানের প্রত্যয়: মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাব

📷 ছবি: Bangladesh Times

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 বাংলাদেশ টাইমস ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 জামায়াত নেতা ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার করেছেন। রাজধানীর এক গণসংযোগ সমাবেশে তিনি ধর্মভিত্তিক বিভাজন প্রত্যাখ্যান করেন এবং যুবসমাজকে দেশ গড়ার কাজে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, দেশের মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাওয়ার জন্য তিনি দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। মঙ্গলবার রাজধানীর ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স মিলনায়তনে আয়োজিত মাসব্যাপী গণসংযোগ উপলক্ষে আয়োজিত দাওয়াতি সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 দেশের মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন ডা. শফিকুর রহমান
  • 📌 কোনো বাতিলের সঙ্গে আপস না করার ঘোষণা দেন তিনি
  • 📌 ধর্মভিত্তিক বিভাজন প্রত্যাখ্যান করে ইসলামের শিক্ষা ও কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে সমাজ গঠনের আহ্বান জানান
  • 📌 যুবসমাজকে দেশ গড়ার কাজে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি
  • 📌 কওমি ও জামায়াতের দ্বীনি খেদমতকে সমান গুরুত্ব দেওয়ার কথা বলেন

📰 বিস্তারিত

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, তিনি আল্লাহ ছাড়া কারও কাছে মাথা নত করবেন না এবং দেশের মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাওয়ার জন্য আল্লাহর কাছে তৌফিক চান। তিনি বলেন, তার জীবন ও মৃত্যু আল্লাহর হাতে এবং সেই আমানত আল্লাহর কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য তিনি প্রস্তুত।

তিনি আরও বলেন, চলার পথে বাধা, সমালোচনা ও গালিগালাজ আসতে পারে এমনকি জীবন দেওয়ার প্রয়োজন হতে পারে। এসবকে আল্লাহর দেওয়া আমানত হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সেই আমানত আল্লাহকে ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য তারা প্রস্তুত।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, দেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে তিনি আশাবাদী। তিনি ইনশাআল্লাহ দেশকে মুক্ত ও কোরআনের আইন প্রতিষ্ঠিত করার জন্য দোয়া করেন। তবে তিনি প্রশ্ন রাখেন, আল্লাহর আইন প্রতিষ্ঠিত হলেও মানুষ হিসেবে তার ভূমিকা নিয়ে। তিনি বলেন, আল্লাহর আইন প্রতিষ্ঠিত হওয়া সত্ত্বেও যদি মানুষ তার সঙ্গী হতে না পারে, তাহলে তা কতটুকু সৌভাগ্যের বিষয় হবে তা ভাবতে হবে।

"আল্লাহর আইন প্রতিষ্ঠিত হলো, কিন্তু আপনি-আমি তার সঙ্গী হতে পারলাম না– এটা সৌভাগ্যের বিষয় হবে কিনা, সেটিই ভাবতে হবে।"

তিনি কওমি ও জামায়াতের দ্বীনি খেদমতকে সমান গুরুত্ব দেওয়ার কথা বলেন। তিনি বলেন, একজন বক্তা কওমি থেকে জামায়াতে ইসলামীতে আসার কথা বলেছেন, কিন্তু তিনি উভয় ক্ষেত্রেই থাকবেন। তিনি বলেন, তারা কওমিকে আলাদা করে দেখেন না এবং তাদের দ্বীনি খেদমতকে ছোট মনে করেন না।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, সংসদে কওমি সংশ্লিষ্টদের অধিকারের পক্ষে কথা বলা তাদের দায়িত্ব। তিনি বলেন, এ অবস্থান কোনো ব্যক্তি বা সমাজের একটি অংশকে খুশি করার জন্য নয়, বরং বিবেক ও দায়বোধ থেকে নেওয়া।

তিনি নিজেকে নিয়ে সমালোচনা, গালিগালাজ ও অপমানের প্রসঙ্গ তুলে বলেন, এসব ঘটনায় তিনি আত্মতৃপ্তি পান। তিনি মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবনের উদাহরণ দিয়ে বলেন, শ্রেষ্ঠ মানুষকেও সমাজের অবুঝ মানুষ ছেড়ে কথা বলেনি। তিনি বলেন, তিনি মানুষকে ক্ষমা করেন ক্ষমা পাওয়ার আশায়।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: রাজধানীর ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স মিলনায়তন, ঢাকা
  • 👥 মুখ্য ব্যক্তি: ডা. শফিকুর রহমান (জামায়াত আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖